Skip to main content

দ্বিতীয় সেমিস্টার বাংলা মাইনর সাজেশন ২০২৬

দ্বিতীয় সেমিস্টার বাংলা মাইনর সাজশন ২০২৬।।( চতুর্থ সেমিস্টার বাংলা মেজর ডি এস-৪ সিলেবাস)

একক-১

×× ১)ক। মধ্য ভারতীয় আর্য ভাষার স্তরবিভাগ ও কালগত সীমা সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করে এর সাধারণ বৈশিষ্ট্য গুলির পরিচয় দাও।২৫

*** • ভারতীয় আর্য ভাষার প্রতিটি যুগের কালগত সীমা ও সাহিত্যিক নিদর্শন উল্লেখ করো , প্রাচীন ভারতীয় আর্য ভাষার ভাষাতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্য গুলি লেখ। ২৪

***• প্রাচীন ভারতীয় আর্য ভাষার কালগত সীমা নির্দেশ কর নিদর্শন সহ প্রাচীন ভারতীয় আর্য ভাষায় ধ্বনিতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্য গুলি আলোচনা করো।( আবার উক্ত প্রশ্নটি এভাবে দিতে পারে)

*** •মধ্য বাংলা /(মধ্যভারতীয় আর্য)ভাষার কালগত সীমা ও সাহিত্যিক নিদর্শন উল্লেখ করো। এই ভাষার ভাষাতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্য গুলি লেখো।২৫

×× • প্রাচীন ভারতীয় আর্য ভাষার কালগত সীমা নির্দেশ কর নিদর্শন সহ প্রাচীন ভারতীয় আর্য ভাষায় ধ্বনিতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্য গুলি আলোচনা করো।২৪

×× খ) প্রাচীন বাংলা ভাষার ভাষাতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্য গুলির সংক্ষিপ্ত পরিচয় দাও ২৫

*** • আদি-মধ্যযুগের বাংলা ভাষার লক্ষণগুলি সংক্ষেপে আলোচনা করো।২৪

একক-২

× গ)• বঙ্গালী উপভাষা কোন কোন অঞ্চলে প্রচলিত? বঙ্গালী ভাষাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্যগুলি লিপিবদ্ধ করো।২৫

*** • ভাষা ও উপভাষার মধ্যে সম্পর্ক নির্ণয় করো।রাঢ়ী উপভাষার ধ্বনিতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্যগুলি সংক্ষেপে লেখো।২৪

 × ঘ)বরেন্দ্রী উপভাষা কোন কোন অঞ্চলে প্রচলিত? এই ভাষার ভাষাত্ত্বিক ও রূপতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্যগুলি নির্দেশ করো।২৫

**• ঝাড়খন্ডী উপভাষা কোন কোন অঞ্চলে প্রচলিত? এই উপভাষার ধ্বনিতাত্ত্বিক ও রূপতাত্বিক বৈশিষ্ট্য আলোচনা করো।২৪

*** কামরূপী উপভাষার প্রচলিত অঞ্চল নির্দেশ করে নিদর্শন সহ এর ধ্বনিতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্য গুলি আলোচনা করো। 

*** রাঢ়ী উপভাষা কোন কোন অঞ্চলে প্রচলিত? নিদর্শন সহ এই উপভাষার ভাষা তাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্য গুলি আলোচনা করো।

একক-৩

×× ঙ)• শব্দার্থ পরিবর্তনের কারণ উদাহরণসহ আলোচনা করো।২৫

*** • ধ্বনি পরিবর্তনের কারণগুলি উদাহরণসহ ব্যাখ্যা করো। ২৪

*** • শব্দার্থ পরিবর্তনের ধারাগুলি উদাহরণ সহযোগে আলোচনা করো।২৪

চ) উদাহরণসহ সংজ্ঞাঃস্বরভক্তি, সমীভবন, লোকনিরক্তি সাদৃশ্য।২৫

অর্থসংকোচ, অর্থসংক্রম, অর্থবিনতি।অপিনিহিতি

• ** স্বরাগম, ** নাসিক্যীভবন, ** অপিনিহিতি, ** সমাক্ষর লোপ।২৪- ** স্বরসঙ্গতি,** বিষমীভবন,** মহাপ্রাণ বর্ণ,*আদি স্বরাগম, *মধ্যস্বরাগম,*জোড়কলম শব্দ।

একক-৪

×× ছ) • রোমিও বর্ণমালার পরিচয় দাও।২৫

*** • আন্তর্জাতিক ধ্বনিমূলক বর্ণমালার গুরুত্ব উদাহরণ সহযোগে ব্যাখ্যা করো। ২৪

***• কোন কোন সমস্যার পরিপ্রেক্ষিতে আন্তর্জাতিক ধ্বনিমূলক বর্ণমালার প্রবর্তন করা হয় সে সম্পর্কে লেখো।

*** • আধুনিক রোমিও লিপির ব্যবহার কেন সুবিধা জনক তা আলোচনা করো।

অথবা- আন্তর্জাতিক ধ্বনিমূলক বর্ণমালায় লিপ্যন্তর করো।

২)


টীকা আলাদা করে দেওয়া হবে।


ক)• আদি মধ্য বাংলা ভাষার সময়কাল নির্দেশ ও যেকোনো দুটি বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করো।২৫

*** • প্রাচীন প্রাচীন বাংলা ভাষার সময়কাল নিদর্শন ও যেকোনো দুটি বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করো২৪

 খ)•ঝাড়খন্ডি উপভাষা সম্পর্কে সংক্ষেপে লেখ ২৫

•শৌরসেনী প্রাকৃতের পরিচয় দাও।

 গ)•ধ্বনি পরিবর্তনের কারণগুলি সংক্ষেপে লেখো ২৫

 ঘ)বর্ণগুলির আইপিএ চিহ্ন লেখো।

অ, ঔ, ঙ, ঋ, ঢ় ২৫

অ, ঔ, চ, ঝ, জ, শ, উ, ল, য়, আ, ঋ, খ, ঙ, ঠ

*** • আধুনিক রোমিও লিপির ব্যবহার কেন সুবিধা জনক তা বুঝিয়ে দাও।২৪

Comments

Popular posts from this blog

একটি সার্থক গীতিকাব্যের পরিচয়।

  একটি সার্থক গীতিকাব্যের পরিচয়-সারদা মঙ্গল               গীতিকাব্য হলো এক ধরনের কবিতা, যার মধ্যে দিয়ে ব্যক্তির আবেগ, অনুভূতি এবং অভিজ্ঞতাগুলিকে ছন্দ ওর সংগীতের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়। তবে এখানে কবিতাগুলি খুবই ছোট আকারের হয়, আর সেখানে কবির ব্যক্তিগত অনুভূতির গভীরতা ও আন্তরিকতা প্রকাশ পায়। আর এই প্রেক্ষিতে আমরা বলতে পারি গীতি কবিতার সংকলন হলো গীতিকাব্য। ব্যঞ্জনাময় ও সংহত ।  গীতিকাব্যের বৈশিষ্ট্য  গীতিকাব্যের কিছু প্রধান বৈশিষ্ট্য নিচে আলোচনা করা হলো: ১. ব্যক্তিগত অনুভূতি ও আবেগ প্রকাশ: এটি গীতিকাব্যের প্রধান বৈশিষ্ট্য। এখানে কবি নিজের ব্যক্তিগত অনুভূতি, প্রেম, বিরহ, আনন্দ বা বিষাদের কথা তুলে ধরেন। ২. সংক্ষিপ্ততা: গীতিকাব্য সাধারণত দীর্ঘ হয় না। অল্প কয়েকটি স্তবকের মধ্যে কবি তাঁর ভাবনা সম্পূর্ণভাবে প্রকাশ করেন। ৩. সুর ও ছন্দের প্রাধান্য: গীতিকাব্য মূলত সুর করে আবৃত্তি করার জন্য রচিত হয়। তাই এতে সুর ও ছন্দের প্রতি বিশেষ মনোযোগ দেওয়া হয়। ৪. আত্মগতভাব: গীতিকাব্যে বাইরের জগতের বর্ণনা না দিয়ে কবির নিজের মনের ভেতরের জগতের প্রতি মনোযোগ ...

পঞ্চম সেমিস্টার ইতিহাস মাইনর সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর ।

পঞ্চম সেমিস্টার ইতিহাস মাইনর সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর  ১) শিল্প বিপ্লব কবে কোথায় প্রথম ঘটেছিল?         উত্তর - প্রথম শিল্প বিপ্লব শুরু হয়েছিল ইংল্যান্ডে (গ্রেট ব্রিটেন)। এটি প্রধানত অষ্টাদশ শতকের মাঝামাঝি সময়ে শুরু হয়ে প্রায় ১৭৬০ থেকে ১৮৪০ খ্রিস্টাব্দ-এর মধ্যে ঘটেছিল। ২) কৃষ্ণমৃত্যু কী?            • কৃষ্ণমৃত্যু (Black Death) হলো মানব ইতিহাসের এক ভয়াবহ মহামারি।এটি ছিল মূলত প্লেগ (Plague) রোগ, যা Yersinia pestis নামক ব্যাকটেরিয়ার কারণে সৃষ্টি হয়েছিল।এটি প্রধানত ১৩৪৬ থেকে ১৩৫৩ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে ইউরোপ, এশিয়া (ইউরেশিয়া) এবং উত্তর আফ্রিকাজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছিল। ৩) কে বলেছিলেন মানুষই সবকিছুর মানদণ্ড?        •এই বিখ্যাত উক্তিটি যিনি করেছিলেন তিনি হলেন প্রাচীন গ্রিসের একজন প্রখ্যাত দার্শনিক, যার নাম প্রোটাগোরাস (Protagoras)।তাঁর মূল বক্তব্যটি ছিল-"মানুষই সবকিছুর মানদণ্ড, যা আছে তারও, আর যা নেই তারও।” ৪) পেত্রাক কেন বিখ্যাত?         •পেত্রাক (Francesco Petrarca) ছিলেন ১৪ শতকের (১৩০৪-১৩৭৪) একজন ...

অবক্ষয় যুগ। অষ্টাদশ-ঊনবিংশ শতাব্দীর সন্ধিক্ষণে বাঙালির অবক্ষয় যুগের পরিচয় দাও। এই সময়ে টপ্পা ও আখড়াই গানের উদ্ভব ও জনপ্রিয়তার সামাজিক কারণগুলি আলোচনা করো।

অবক্ষয় যুগ। অষ্টাদশ-ঊনবিংশ শতাব্দীর সন্ধিক্ষণে বাঙালির অবক্ষয় যুগের পরিচয় দাও। এই সময়ে টপ্পা ও আখড়াই গানের উদ্ভব ও জনপ্রিয়তার সামাজিক কারণগুলি আলোচনা করো। পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রথম সেমিস্টার বাংলা মাইনর।ইউনিট ৪।   অবক্ষয় যুগের পরিচয় এবং টপ্পা ও আখড়াই গানের সামাজিক কারণ ও অবক্ষয় যুগের পরিচয়          আমরা জানি যে,১৭৫৭ খ্রিস্টাব্দে পলাশীর যুদ্ধের পর থেকে ঊনবিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধ (১৮৫০ খ্রি.) পর্যন্ত সময়কালকে বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে 'অবক্ষয় যুগ' বা 'সন্ধিযুগ' বলা হয়।আর এটি ছিল মধ্যযুগের দেবনির্ভরতার অবসান এবং আধুনিক যুগের মানবতাবোধের সূচনার মধ্যবর্তী এক ক্রান্তিকাল।যেখানে এই সময়কালের প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলি  নিম্নরূপে আলোচনা করা যেতে পারে-        •রাজনৈতিক অস্থিরতাঃ নবাবী শাসনের পতন এবং ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির দেওয়ানি লাভের ফলে বাংলার পুরনো শাসন ও অর্থনৈতিক কাঠামো ভেঙে পড়ে।      •'বাবু' সংস্কৃতির উদয়ঃ ছিয়াত্তরের মন্বন্তর (১১৭৬ বঙ্গাব্দ) এবং চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের (১৭৯৩ খ্রি.) ফলে গ্রামীণ বনেদি সমাজ ধ্...