Skip to main content

Posts

অনুবাদ সাহিত্য কাকে বলে বা কিভাবে অনুবাদ সাহিত্য সৃষ্টি হয়?

উত্তর - মধ্যযুগে বাংলা সাহিত্যে বেশ কিছু সাহিত্য রচিত হয়েছিল । আর সেই সাহিত্য ধারায় গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়গুলো অনুবাদ সাহিত্য। ১২০৬ খ্রিস্টাব্দে তুর্কি আক্রমণের ফলে বাংলাদেশের সমাজ ও পরিবার এক গভীর সংকটের মুখে পড়ে। যারফলে হিন্দু শাসনতন্ত্রের অবসান এবং ইসলামীয় শাসনতন্ত্রের শুরু হয়। সেই সময়কালে নিম্নবর্গীয় হিন্দু জনজাতি ভয়ে ও আত্মরক্ষার তাগিদে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে। নিজেদের অস্তিত্ব বাঁচিয়ে রাখার এটাই ছিল সেদিন বাঙালির একমাত্র পথ  । আর সেই কারণেই একদল মানুষ অবক্ষয়িত  হিন্দু সমাজকে পুনরুজ্জীবিত

প্রশ্ন: চার্বাক নীতিতত্ত্ব বা সুখতত্ত্ব কি? চার্বাক নীতিতত্ত্ব কি গ্রহণযোগ্য? আলোচনা কর।(B.A& XI)

 প্রশ্ন: চার্বাক নীতিতত্ত্ব বা সুখতত্ত্ব কি? চার্বাক নীতিতত্ত্ব কি গ্রহণযোগ্য? আলোচনা কর।(B.A& XI)                             চার্বাক নীতিতত্ত্ব: চার্বাকদের মতে দেহসর্বস্ব তীব্রতম ইন্দ্রিয়সুখ মানুষের চরম কাম্য বিষয় এবং পরম পুরুষার্থ। তাই যে কাজ ইন্দ্রিয় সুখলাভে সহায়ক, সেই কাজ  করা উচিত এবং যে কাজ সহায়ক নয় সেই কাজ মন্দ,সেই কাজ করা অনুচিত। অর্থাৎ--               কাজের ভালো-মন্দ উচিত-অনুচিত নির্ণয় করা যায় যে মানদন্ডের সাহায্যে তাকে বলা হয় নৈতিক মানদণ্ড। তবে চার্বাকরা প্রত্যক্ষকে একমাত্র প্রমাণ বলে স্বীকার করেন ।তাই তাঁরা ঈশ্বর, আত্মা, মোক্ষ ,ধর্ম ,পাপ স্বীকার করেন না। তাঁরা কামকে পরমপুরুষার্থ বলে স্বীকার করেন। চার্বাকদের এই পরম সুখ লাভের তত্ত্বই হলো নীতি তত্ত্ব বা আত্মসুখতত্ত্ব। ০চার্বাক নীতিতত্ত্বের গ্রহণযোগ্যতা (সমালোচনা)০           ১) ভুল নীতিতত্ত্ব: চার্বাক নীতিতত্ত্ব বা সুখলাভ তত্ত্ব ভুল নীতি বা ধারণার উপর প্রতিষ্ঠিত। সেকারণে তা...

অনুবাদ সাহিত্যে কাকে বলে বা কিভাবে সৃষ্টি হয়েছিল?

  উত্তর - মধ্যযুগে বাংলা সাহিত্যে বেশ কিছু সাহিত্য রচিত হয়েছিল । আর সেই সাহিত্য ধারায় গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়গুলো অনুবাদ সাহিত্য। ১২০৬ খ্রিস্টাব্দে তুর্কি আক্রমণের ফলে বাংলাদেশের সমাজ ও পরিবার এক গভীর সংকটের মুখে পড়ে। যারফলে হিন্দু শাসনতন্ত্রের অবসান এবং ইসলামীয় শাসনতন্ত্রের শুরু হয়। সেই সময়কালে নিম্নবর্গীয় হিন্দু জনজাতি ভয়ে ও আত্মরক্ষার তাগিদে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে। নিজেদের অস্তিত্ব বাঁচিয়ে রাখার এটাই ছিল সেদিন বাঙালির একমাত্র পথ  । আর সেই কারণেই একদল মানুষ অবক্ষয়িত  হিন্দু সমাজকে পুনরুজ্জীবিত করতে ভারতীয় পুরাণের অনুবাদ করতে থাকেন। আর তারই ফলে সাহিত্য অঙ্গনে ভূমিষ্ঠ হয় অনুবাদ সাহিত্য।

ন্যায় দর্শন মতে প্রমা ও প্রমাণ কি আলোচনা কর।

         ভূমিকা - প্রমা কথাটির অর্থ হলো যথার্থ বা উৎকৃষ্ট বা প্রকৃষ্ট জ্ঞান। অর্থাৎ প্রমা= প্র+মা। যেখানে প্র= যথার্থ বা প্রকৃষ্ট , আর মা=জ্ঞান। অর্থাৎ প্রমা কথাটির অর্থ দাঁড়ায় যথার্থ বা উৎকৃষ্ট জ্ঞান। এই জ্ঞান দুই প্রকার- অনুভব ও স্মৃতি।      'অনুভব' হলো নিরপেক্ষ জ্ঞান। এই জ্ঞান বিষয় থেকে উৎপন্ন হয়। আর 'স্মৃতি' হলো সাপেক্ষ জ্ঞান। এই জ্ঞান বিষয়ের সাপেক্ষ থেকে উৎপন্ন হয়। সুতরাং ন্যায় মতে প্রমা হল অনুভব এবং যথার্থ অনুভব। আর সেই মত অনুযায়ী--               ১) প্রমা হলো অনুভব।             প্রমা হল সেই অনুভব, যা বস্তু বা বিষয়ের অনুরূপ হবে। আর সেই কারণে ঘট প্রত্যক্ষের ক্ষেত্রেই ঘঠত্ব বিশিষ্ট ঘটের অনুভব হবে।           ২) প্রমা হলো বিপর্যয়শূন্য অনুভব।          বিপর্যয় হলো ভ্রান্তি বা মিথ্যা জ্ঞান। যে জ্ঞানে দড়িতে সাপের অনুভব হতে পারে। কিন্তু সেক্ষেত্রে আসলে সাপ নেই, সাপের অনুভব হবে। যেটির ভ্রান্তির নাম বিপর্যয়। তবে প্রত্যক্ষের ক্ষ...

কান্টের শর্তহীন আদেশ বা নিঃশর্ত আদেশ তত্ত্বটি লেখ।

ভূমিকা - কান্টের মতে নৈতিক নিয়ম হলো বিশুদ্ধ ব্যবহারিক বুদ্ধির শর্তহীন আদেশ আর সেই আদেশ অনিবার্য ও সার্বিক। আসলে তার মতে যেকোনো নিয়মের দুটি দিক থাকে-আকার ও উপাদান। আকার গত ভাবে সকল নিয়ম সার্বিক আর সেই আকারের উৎস হলো বিশুদ্ধ বুদ্ধি। নিয়মের উপাদান ইন্দ্রজাত ফলে পরিবর্তনশীল উপাদানের জন্য বিভিন্ন নিমের মধ্যে পার্থক্য লক্ষ্য করা যায়। যার ফলে প্রকৃত অর্থে তা সার্বিক হয় না। আসলে---            কান্টের মতে নৈতিক নিয়ম সম্পূর্ণরূপে আকারগত, উপাদান শূন্য। ফলে নৈতিক নিয়ম প্রকৃত অর্থে সার্বিক। তাই নৈতিক নিয়ম দেশ, কাল, সমাজ, জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে প্রতি মানুষের ক্ষেত্রে ব্যতিক্রমহীন ভাবে সমান ভাবে প্রযোজ্য ও কার্যকর। নৈতিক নিয়ম এই জন্যই আবশ্যিক যে এই নিয়মকে অস্বীকার করা যায় না। আর অস্বীকার করলে যৌক্তিক স্ববিরোধ হবে। তাই -----            কান্টের মতে উপাদান সুন্দর ব্যক্তি নিরপেক্ষ শর্তহীন আদেশের আকারটি এইরূপ হবে-" তুমি এমন নিয়োগ অনুসারে কাজ কর যা যেকোনো অবস্থায় যেকোনো ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।" কান্ট নিজেই প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ কর...

ইতিহাস/ দ্বিতীয় সেমিস্টার/২০২১

 ১) গ্ৰহন মোক্ষ পরিগ্রহ নীতি কে এবং কেন গ্রহণ করেছেন? উত্তর - সম্রাট সমুদ্রগুপ্ত গ্রহণ মুখ্য পরিগ্রহ নীতি গ্রহণ করেছিলেন । তিনি এই নীতি গ্রহণ করেছিলেন দক্ষিণ ভারত বিজয় কালীন। ২) গুপ্ত যুগের দুজন বিখ্যাত বিজ্ঞানের নাম লেখো। উত্তর - গুপ্ত যুগের দুজন বিজ্ঞানী হলেন আর্যভট্ট এবং বরাহমিহির। ৩) কালিদাসের রচিত দুটি গ্রন্থের নাম লেখো। উত্তর - মহাকবি কালিদাসের উল্লেখযোগ্য রচনাগুলো ঋতুসংহার','মেঘদূত','রঘুবংশ',ও 'কুমারসম্ভব' -এই চারটি কাব্য । ৪) কোন গুপ্ত সম্রাট হুনদের পরাজিত করেছিলেন? উত্তর - মালবরাজ রাজা যশোধর্মন হূণদের পরাজিত করেন। ৫) কে উত্তর পথনাথ উপাধি গ্রহণ করেছিলেন? উত্তর - হর্ষবর্ধন উত্তরাপথনাথ উপাধি গ্রহণ করেছিলেন। ৬) অগ্রহার ব্যবস্থা কি ছিল? উত্তর -খ্রিস্টীয় চতুর্থ শতকের প্রথম দিকে ব্রাহ্মণদের গ্রাম দানের রীতি গড়ে উঠেছিল। আর ব্রাহ্মণদের এই গ্রাম দানের ব্যবস্থাকে বলা হয় অগ্রহার ব্যবস্থা। ৭) নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ের তাৎপর্য কী ছিল? উত্তর -বিহার রাজ্যের নালন্দা জেলার রাজগীরে অবস্থিত নালন্দা একটি বিশ্ববিদ্যালয় ও সর্বজনীন কেন্দ্র। এটি সমকালীন ভারতে বৌদ্ধ ধর্ম...