Skip to main content

Posts

তৃতীয় সেমিস্টারের রাষ্ট্রবিজ্ঞানের কতগুলি গুরুত্বপূর্ণ সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর।

 তৃতীয় সেমিস্টারের রাষ্ট্রবিজ্ঞানের গুরুত্বপূর্ণ কতগুলি সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর (২১/২০২৩-২৪) ১) সরকারের সংজ্ঞা দাও।             উত্তর - সরকার হলো কোনো দেশের সর্বোচ্চ সংস্থা ও কর্তৃপক্ষ, যার মাধ্যমে দেশটির শাসন কার্য পরিচালিত হয়। গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় সরকার জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধি যেমন সংসদ সদস্যদের দ্বারা গঠিত হয়। অর্থাৎ জনগনের দ্বারা জনগনের জন্য নির্বাচিত প্রতিনিধি নিয়ে যারা দেশ পরিচালনা করে তাদেরকেই সরকার বলে। ২) তুলনামূলক রাজনীতির দুটি বৈশিষ্ট্য লেখো।            উত্তর -তুলনামূলক রাজনীতি হল বিশ্বের বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যবস্থার পদ্ধতিগত অধ্যয়ন এবং তুলনা। কেননা এখানে বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যবস্থার মিল বা পার্থক্য রয়েছে এবং কীভাবে তাদের মধ্যে উন্নয়নমূলক পরিবর্তন এসেছে তা ব্যাখ্যা করার জন্য এটি তুলনামূলক। ৩) পুঁজিবাদের দুটি বৈশিষ্ট্য লেখো। উত্তর - ১) কেন্দ্রীভূত ব্যক্তিগত মালিকানা:          পুঁজিবাদী ব্যবস্থায় উৎপাদনের উপাদানসমূহের মালিকানা কেন্দ্রীভূত থাকে পুঁজিপতিদের হাতে। শ্রমিক-শ্রেণী উৎপা...

বৈষ্ণব কবিতা কী গীতি কবিতা? গীতি কবিতার সংজ্ঞা দিয়ে আলোচনা করো। অথবা- গীতি কবিতা হিসেবে বৈষ্ণব পদাবলীর সার্থকতা আলোচনা করো।

           বৈষ্ণব কবিতা কী গীতি কবিতা? গীতি কবিতার সংজ্ঞা দিয়ে আলোচনা করো। অথবা-গীতি কবিতা হিসেবে বৈষ্ণব পদাবলীর সার্থকতা আলোচনা করো।             বৈষ্ণব পদাবলী গীতি কবিতা কিনা বৈষ্ণব পদাবলী সাহিত্যে এবিষয়ে বেশ বিতর্ক আছে । তবে বিতর্ক থাকলেও বৈষ্ণব পদাবলীর গীতি ধর্মবিষয়ক এ বিষয়ে কোন সন্দেহে নেই। যেটি বাঙালি মানসে যে গীতি প্রবণতার সুর চর্যাপদের যুগ থেকে আরম্ভ করে সাহিত্য ধারায় প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে প্রবাহিত হয়ে আসছিল। বৈক্ষ্ণব পদাবলীতে সেই প্রবাহ উত্তাল কলরোলে পরিণত হল।বৈক্ষ্ণব পদাবলীর গীতি কাব্যিক লক্ষণ বিচারের গীতি কবিতা হলো-                 গীতি কবিতা বা লিরিকের উদ্ভব গেয় কবিতা হিসাবে। প্রাচীনকালে Lyre নামে একপ্রকার বাদ্যযন্ত্রের সাথে গীত কবিতাকে গীতি কবিতা বলা হত। সেই হিসাবে প্রাচীন Ballad এমনকি মহাকাব্যের গীতিকবিতা বলা যায়। এই নিরিখে বৈষ্ণব পদাবলী অবশ্যই গীতি কবিতা। কারণ--            গীতি কবিতা মূলত গান হিসাবে জন্ম হয়েছিল। সুনির্দিষ্ট রাগ রাগিনী...

শ্রীমন্তের টোপর কবিতাটির কবি কে? কবিতাটি কোন কাব্য থেকে গ্রহণ করা হয়েছে? কবিতাটির ভাববস্তু বা বিষয়বস্তু নিজের ভাষায় লেখো।

 প্রশ্ন:   শ্রীমন্তের টোপর কবিতাটির কবি কে? কবিতাটি কোন কাব্য থেকে গ্রহণ করা হয়েছে? কবিতাটির বিষয়বস্তু বা ভাববস্তু নিজের ভাষায় লেখো।                শ্রীমন্তের টোপর কবিতাটির কবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত।           শ্রীমন্তের টোপর কবিতাটি কবি মধুসূদন দত্ত 'চন্ডীমঙ্গল' কাব্যের একটি ছোট্ট কাহিনী নিয়ে রচনা করেছেন।              আলোচনা শুরুতেই আমরা বলতে পারি যে, কবি মধুসূদন দত্ত চন্ডীমঙ্গল কাব্যের বণিক খন্ডের একটি কাহিনী নিয়ে রচনা করেছেন শ্রীমন্তের টোপর কবিতাটি। আর এই কবিতাটি ১৪ চরণের লেখা একটি সনেট জাতীয় কবিতা বা রচনা। তবে আমরা বলতে পারি কবি চন্ডীমঙ্গলের কাহিনী নিয়ে কবিতাটি রচনা করলেও এই কাহিনীর সাথে বেশ কিছু অংশ তিনি সংযোজন করেছেন। আর সেই সংযোজনের মধ্য দিয়ে কবি নিজস্ব প্রকাশ ভাবনা, সেই সাথে অলংকার ব্যবহারে কবিতাটি মনোগ্রাহী এবং সর্বজনীন করে তুলেছেন। যেখানে---        চন্ডীমঙ্গল কাব্যের কাহিনীতে আমরা দেখতে পাই দেবীর চন্ডীকে পুজো করে খুল্লনা মায়ের কৃপায...

শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের পরিচয় দাও । অথবা শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের কাব্য কাহিনী সংক্ষেপে লেখো।

 শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের পরিচয় দাও। অথবা শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের কাহিনীটি সংক্ষেপে লেখো।                   আলোচনার শুরুতেই আমরা বলতে পারি যে, মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থ হল 'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন'। আর এই শ্রীকৃষ্ণকীর্তন পুঁথিটি ১৯১৬ (১৩১৬ বঙ্গাব্দ) খ্রিস্টাব্দে বসন্ত রঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ বাঁকুড়া জেলার কামিল্যা গ্রাম থেকে আবিষ্কার করেন। গ্রন্থটি আবিষ্কারের পর থেকেই বাংলা সাহিত্যের দেখা দেয় কাব্যটিকে নিয়ে নানান সমস্যা ও বিতর্ক। বিতর্ক যাইই থাকুক কেন,১৩২৩ বঙ্গাব্দে বসন্ত রঞ্জনের সম্পাদনায় গ্রন্থটি বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে প্রকাশিত হয়। তবে--             এখানে উল্লেখ্য যে, পুঁথিটির মধ্যে একটি উল্লেখযোগ্য চিরকুট পাওয়া যায় । আর সেই চিরকুট লেখা ছিল শ্রীকৃষ্ণসন্দর্ভ এই নামটি। কিন্তু এই শ্রীকৃষ্ণকীর্তন নামটি এতটাই জনপ্রিয় এবং প্রচলিত হয়ে যায় যে এই শ্রীকৃষ্ণসন্দর্ভ নামটি কোন এক অজানা অন্তরালে হারিয়ে যায়। কেবলমাত্র শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের ক্ষেত্রে নয়, মধ্যযুগে বাংলা সাহিত্যে আসল না...

শিক্ষার সামাজিক সংস্থা রূপে পরিবারের ভূমিকা বা কার্যাবলী আলোচনা কর।

 শিক্ষার সামাজিক সংস্থা রূপে পরিবারের ভূমিকা বা কার্যাবলী আলোচনা কর। ভূমিকা-        আমরা জানি শিশুর মানসিক প্রথম বিকাশ ঘটে পরিবার থেকেই। সেই কারণে শিশুর শিক্ষার ক্ষেত্রে পরিবারের ভূমিকা অনস্বীকার্য।শুধূ তাই নয়, পরিবার থেকেই শিশুর সামাজিক শিক্ষা শুরু হয় । তাই শিশুর শিক্ষায় পরিবারের কিছু কাজ বা ভূমিকা আছে। তাই পরিবার হলো সভ্যতার অন্যতম প্রাচীন সংগঠন বা সংস্থা। পরিবারে মাধ্যমেই শিশুর সুষ্ঠু সামাজিকীকরণ সম্পন্ন হয়ে থাকে এবং সমাজে একজন পূর্ণাঙ্গ মানব হিসেবে গড়ে উঠতে পারে। আর সেখানে পরিবারের ভূমিকা হলো--- ১)সামাজিক আচরণ শিক্ষায় পরিবার।           পরিবারই প্রথম শিশুর আচরণের সামাজিক শিক্ষা দিয়ে থাকে। তবে কোন শিশু সেই আচার-আচরণ শিখে ভূমিষ্ঠ হয় না। কিন্তু সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে পরিবারের অন্যান্য সদস্যের মধ্যে থেকে শিশু যাবতীয় আচরণ শিখে নেয়। বলা যায় শিশুর সামাজিক আচরণ শিক্ষার প্রথম স্তরের বিদ্যালয় হল পরিবার। ২)সুঅভ্যাস গঠনে পরিবার।           আমরা জানি পরিবারই বিভিন্ন ধরনের সুঅভ্যাস শিশুকে শিখিয়ে দেয়। কারণ আমাদ...

বাংলা গদ্য সাহিত্যের ইতিহাসে সবুজপত্রের ভূমিকা ছিল বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ- আলোচনা করো।

বাংলা গদ্য সাহিত্যের ইতিহাসে সবুজপত্রের ভূমিকা ছিল বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ- আলোচনা করো (পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়/কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় পঞ্চম সেমিস্টার বাংলা মেজর,মাইনর)।         আমরা জানি যে,১৯১৪ সালে তৎকালীন বাংলাদেশে যে পত্রিকাটি ভূমিষ্ঠ হয়েছিল সেটি হলো সবুজপত্র ।যার প্রচ্ছদ ছিল সম্পূর্ণ সবুজ। আর এই পত্রিকাটি বাংলা তথা ভারতবর্ষ শুধু নয়, সমগ্র বিশ্বের ইতিহাসেই এক গভীর সংকটকালের মধ্যে আবির্ভাব হয়। ইউরােপের অতৃপ্ত জাতীয়তাবাদী দেশগুলি নিজ নিজ অস্তিত্বরক্ষার তাগিদেই ক্রমশ সাম্রাজ্যবাদী শক্তিতে পরিণত হয়ে উঠেছিল। আর ঠিক তখন -          পুঁজি ও বাজার সংগ্রহের অশুভ প্রতিযােগিতা ক্রমশ ইউরােপীয় দেশগুলিকে ঠেলে দিল মানব-সভ্যতার চরম বিপর্যয়ের মুখে । প্রথম মহাযুদ্ধের দিকে। প্রত্যক্ষভাবে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সূচনা ঘটে ১৯১৪-র জুলাইতে। এই যুদ্ধে ইংল্যাণ্ড অতর্কিত ভাবে জড়িয়ে পড়ে । স্বভাবতই প্রত্যক্ষভাবে না হলেও ইংল্যাণ্ডের উপনিবেশ ভারতীয় উপমহাদেশের অর্থনীতি রাজনীতি-সংস্কৃতিতে ছড়িয়ে পড়ে মহাযুদ্ধের অশুভ কালাে ছায়া। তবে--      ...

শিক্ষার সামাজিক সংস্থা বলতে কী বোঝো? সামাজিক গোষ্ঠীর প্রকারভেদ গুলি উদাহরণসহ আলোচনা কর।

 সামাজিক সংস্থা বলতে কি বোঝ?            শিক্ষার সামাজিক সংস্থা হল এমন এক সমাজস্থ স্থান যেখান থেকে বিশেষ কোন বিষয়ে সমাজে বসবাসকারী মানুষকে সেবা দান করা হয়। আর সেবাদানের মূল কেন্দ্রবিন্দু হলো সামাজিক সংস্থা। আর--         এই ধরনের সামাজিক সংস্থাগুলি ব্যক্তির বিশেষ বিশেষ সামাজিক ও কৃষ্টিমূলক আকাঙ্ক্ষা পূরণের চেষ্টা করে থাকে। যার মধ্য দিয়ে ব্যক্তির আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি পায় এবং তার অন্তর্নিহিত সৃজনাত্মক ক্ষমতার বিকাশ ঘটে। এছাড়াও  এই সংস্থা গুলির মাধ্যমে সদস্যদের আচার-আচরণ নিয়ন্ত্রিত হয়। সামাজিক সংস্থার শ্রেণীবিভাগ:-           সামাজিক সংস্থা ব্যক্তিকে সমাজের কার্যকরী ও বাঞ্ছিত সদস্য হিসেবে গড়ে তোলার চেষ্টা করে থাকে। তবে বর্তমানে আমাদের সমাজে বিভিন্ন ধরনের সামাজিক সংস্থা আছে। আর সেই সকল সংস্থাগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংস্থাগুলি হল- পরিবার, বিদ্যালয়, ক্লাব, ধর্মীয় সংস্থা, ক্রিড়া সংস্থা প্রভৃতি। সামাজিক গোষ্ঠীর শ্রেণীভাগ বা প্রকারভেদ গুলি উদাহরণসহ আলোচনা কর। উত্তর - গোষ্ঠীর সদস্যদের পারস্পরিক সম্পর্কের মা...