Skip to main content

Posts

উদ্দেশ্য ও অভিপ্রায় কাকে বলে? উদ্দেশ্য ও অভিপ্রয়ায়ের মধ্যে পার্থক্য লেখো।

উদ্দেশ্য ও অভিপ্রায় কাকে বলে? উদ্দেশ্য ও অভিপ্রয়ায়ের মধ্যে পার্থক্য লেখো।             আমরা জানি প্রতিটি কাজের পিছনে একটি নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য ও অভিপ্রায় থাকে।প্রাত্যহিক জীবনে আমরা উদ্দেশ্য ও অভিপ্রায়কে একই অর্থে ব্যবহার করে থাকি। কিন্তু এই উদ্দেশ্য এবং অভিপ্রায় এই দুটি শব্দ এক নয়, এই দুটি শব্দকে নীতিবিদ্যায় ভিন্ন অর্থে ব্যবহার করা হয়। আর সেখানে-- •উদ্দেশ্যঃ উদ্দেশ্য হলো এমন একটি মানসিক অবস্থা                যা ব্যক্তিকে বিশেষ একটি কাজ করতে বাধ্য করে ও একই কাজের পিছনে এক মানসিক আবেগ কাজ করে। আর এই কারণে অধ্যাপিকা লিলি বলেন-     "উদ্দেশ্য হলো একটি সচেতন মানুষের ক্রিয়া যা      একজন মানুষকে একটি বিশেষ পন্থায় কাজ      করতে এগিয়ে দেয়।"         উদাহরণ হিসেবে তিনি বলেন, আমাদের যখন খাবার খাওয়ার ইচ্ছা জাগে তখন আমরা রেস্তোরায় গিয়ে খাদ্য বস্তর খোঁজ করি।এই খাবারের প্রতি বাসনাটি হলো হল আমাদের উদ্দেশ্য। •অভিপ্রায়ঃ মানুষ যে ফলাফলের দিকে নজর দেখে    ...

ভারতীয় সাংবিধানিক ব্যবস্থায় লোকসভার অধ্যক্ষ বা স্পিকারের ক্ষমতা ও কার্যাবলী আলোচনা করো।

ভারতীয় সাংবিধানিক ব্যবস্থায় লোকসভার অধ্যক্ষ বা স্পিকারের ক্ষমতা ও কার্যাবলী আলোচনা করো। ভূমিকাঃ ভারতের সংবিধান প্রণেতারা ব্রিটেনের                           সংসদীয় শাসনব্যবস্থার অনুকরণ ভারতের সংসদীয় শাসনব্যবস্থার প্রবর্তন করেছেন। আর সেই সংসদীয় শাসনব্যবস্থায় একজন গুরুত্বপূর্ণ পদাধিকারী ব্যক্তিত্ব হলেন লোকসভার অধ্যক্ষ বা স্পিকার। এখানে সংসদের নিম্নকক্ষ অর্থাৎ লোকসভার সভাপতিকে স্পিকার বা অধ্যক্ষ বলে অভিহিত করা হয়। এই স্পিকার হলেন লোকসভার মূল পরিচালক। আর সেই পরিচালকের নিয়োগ, ক্ষমতা ও কার্যাবলী সংবিধানে বিভিন্ন ধারায় সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। সেখানে-              নিয়োগের ক্ষেত্রে স্পিকারকে অবশ্যই লোকসভার সদস্য হতে হয়। আর সেখানে নবগঠিত এবং নবনির্বাচিত লোকসভার সদস্যরা প্রথম অধিবেশনে নিজেদের মধ্যে থেকে একজনকে অধ্যক্ষ পদে এবং অন্য একজনকে উপাধ্যক্ষ পদে নির্বাচন করে থাকেন। লোকসভার স্পিকারের কার্যকালের মেয়াদ পাঁচ বছর। তবে তিনি পদত্যাগ করলে,পদচ্যুত করা হলে, লোকসভার সদস্যপদ বাতিল...

তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের কবি উপন্যাসের ঠাকুরঝি চরিত্রটি আলোচনা করো।

তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের কবি উপন্যাসের ঠাকুরঝি চরিত্রটি আলোচনা করো।              আলোচনার শুরুতেই আমরা বলে রাখি যে, তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের কবি উপন্যাসে নিতাইয়ের জীবনের সাথে নিবিড়ভাবে, অন্তরঙ্গতার সাথে ওতপ্রোতভাবে যে নারী চরিত্রটি জড়িয়ে আছে তার মধ্যে অন্যতম ঠাকুরঝি চরিত্র। আর এই নারী চরিত্রটির সাথে নিতাইয়ের প্রথম আলাপ এবং প্রথম প্রেম। বলা যায় নিতাইয়ের জীবনে প্রথম নারী ঠাকুরঝি,যে তার সাথে গভীরভাবে থেকেছে। আসলে এই ঠাকুরঝি কবি গানের প্রেরণার শক্তি। প্রসঙ্গত আমরা বলে রাখি ঔপন্যাসিক তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর 'আমার সাহিত্য জীবন' গ্রন্থে বলেছেন-    “ঠাকুরঝি চরিত্রটি তাঁর চোখে দেখা বাস্তব চরিত্র।        ঠাকুরঝির অস্তিত্ব আছে। সে গ্ৰামান্তরের রুইদাস      বংশের মেয়ে। চোখে ভীরু চঞ্চল হরিণীর দৃষ্টি।”                আসলে তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় এই ঠাকুরঝির চরিত্রের উপর কল্পনার রং মিশিয়ে বাস্তবসম্মত চরিত্র হিসেবে উপন্যাসে তুলে ধরেছেন। কিন্তু অতি পরিতাপের বিষয় ...

Education Examination

            "শেষের কবিতা" কোচিং সেন্টার                              হিঙ্গলগঞ্জ                       টেষ্ট পরীক্ষা ২০২৪      শিক্ষা বিজ্ঞান,        দ্বিতীয় সেমিস্টার               তারিখঃ ২৬-০৭-২০২৪ __________________________________ সময়ঃ ১ ঘন্টা।                             পূর্ণমান-২৫ ১) যেকোনো দুটি প্রশ্নের উত্তর দাও।          ২×১০=২০ ক) শিক্ষা মনোবিজ্ঞান কাকে বলে? শিক্ষা ও মনোবিজ্ঞানের সম্পর্ক লেখো। খ) শিক্ষা মনোবিজ্ঞান কাকে বলে? শিক্ষা মনোবিজ্ঞানের প্রকৃতি ও পরিধি আলোচনা করো। গ) শিক্ষা মনোবিজ্ঞান কাকে বলে? শিক্ষা মনোবিজ্ঞানের প্রয়োজনীয়তা আলোচনা করো। ২) যেকোনো একটি প্রশ্নের উত্তর দাও।          ১×৫=৫ ক) মনোবিদ্যার সংজ্ঞা দাও।...

চৈতন্যভাগবত গ্রন্থে চৈতন্যদেবের বাল্য লীলার পরিচয় দাও।

চৈতন্যভাগবত গ্রন্থে চৈতন্যদেবের বাল্যলীলার পরিচয় দাও। (পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলা মেজর, দ্বিতীয় সেমিস্টার এন ই পি)। ভূমিকাঃ আমরা জানি যে,বৃন্দাবন দাস এর চৈতন্যভাগবত গ্রন্থে আদিখণ্ডের চতুর্থ-পঞ্চম-ষষ্ঠ অধ্যায়ে চৈতন্যদেবের বাল্যজীবন ও বাল্যলীলার পরিচয় লিপিবদ্ধ আছে। আর চৈতন্যদেবের এই বাল্যজীবন এবং লীলা বৃন্দাবন দাস গ্রন্থটিতে এমনভাবে তুলে ধরেছেন যা অন্যত্রে ভীষণ দুর্লভ বলা যেতেই পারে। আর এই দৃষ্টিকোণ থেকে আমরা বলতে পারি চৈতন্যদেবের বাল্যলীলা থেকেই চৈতন্যদেবের যুগাবতার হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে তার অসাধারণ আমরা বৃন্দাবন দাসের চৈতন্যভাগবত দেখেই জানতে পারি। তবে-        ফাল্গুন মাসের পূর্ণিমায় চন্দ্রগ্রহণের দিনে চৈতন্যদেবের জন্ম হয়। আর জন্মের পর তাঁর নাম রাখা হয় নিমাই অর্থাৎ তাঁর বাল্যনাম নিমাই। তবে অনেকে মনে করেন যে, নিম গাছের নিচে তিনি জন্মগ্রহণ করেছেন বলেই তার নাম রাখা হয় নিমাই। তবে এ কথা সার্বিক সত্য নয়। কারণ চৈতন্যভাগবতে বলা হয়-               নাম দুইবার সবে করেন বিচার।             ...

রাজ্যসভার গঠন ক্ষমতা ও কার্যাবলী আলোচনা করো।

 রাজ্যসভার গঠন ক্ষমতা ও কার্যাবলী আলোচনা করো (পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়, দ্বিতীয় সেমিস্টার, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, মাইনর সিলেবাস) ভূমিকাঃ আলোচনার শুরুতেই আমরা বলে রাখি যে,ভারতবর্ষের সংসদীয় শাসন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে ইংল্যান্ডের সংসদীয় শাসন ব্যবস্থার অনুকরণে।সেখানে ভারতীয় সংবিধানে বলা হয়েছে যে, সংবিধানের ৭৯ নম্বর ধারা অনুসারে রাষ্ট্রপতি ও দুটি কক্ষ নিয়ে ভারতের সংসদ বা পার্লামেন্ট গঠিত হয়েছে। যেখানে উচ্চকক্ষের নাম রাজ্যসভা (Council of States) এবং নিম্নকক্ষের নাম লোকসভা(House of the People)। আর এখানে-         উচ্চকক্ষ অর্থাৎ রাজ্যসভা রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল গুলির প্রতিনিধিদের নিয়ে গঠিত হয়। এখানে রাজ্যসভা ক্ষমতা ও পদমর্যতার দিক থেকে নিম্নকক্ষ অর্থাৎ লোকসভার সমতুল্য নয়। সংবিধানের ৮০ নম্বর ধারা অনুসারে বলা হয়েছে যে অনধিক 250 জন প্রতিনিধি নিয়ে রাজ্যসভা গঠিত হবে। যার মধ্যে 12 জন সদস্য রাষ্ট্রপতি কর্তৃক মনোনীত হন। অবশিষ্ট ২৩৮ জন সদস্য রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের প্রতিনিধি। আর এই সকল প্রতিনিধিদের-          ভারতীয় নাগরিক হত...

আরবদের সিন্ধু বিজয়ের পটভূমি কি ছিল ব্যাখ্যা করো।

আরবদের সিন্ধ বিজয়ের পটভূমি কি ছিল ব্যাখ্যা করো। (পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়, দ্বিতীয় সেমিস্টার, রাষ্ট্রবিজ্ঞান,এন ই পি)। ভূমিকাঃ আমরা জানি হযরত মহম্মদ ইসলাম ধর্মের প্রচার শুরু করেছিলেন সপ্তম শতকের প্রথম দশকে। তবে হযরতের মৃত্যুর পর ইসলামের বাণী বহন করার দায়িত্ব পেয়েছিলেন খলিফা। ৬৬১ খ্রিস্টাব্দ থেকে ৭৫০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত সময়কালে খলিফা পদ উমায়েদ বংশের অধীনে চলে আসে। আর এই পর্বে আরবরা ভারতের সিন্ধু দখল করে তাদের শাসন প্রবর্তন করেছিলেন। ৬৪৪ খ্রিস্টাব্দে পারস্য আরব সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত হয়। অতঃপর আরবদের দৃষ্টি পড়ে পূর্ব দিকে ভারতভূমির ওপর। আর সেখানে-            •আরব শাসনের ঐতিহাসিক উপাদান• আমরা জানি যে,ভারতে আরবদের প্রাথমিক কার্যকলাপ সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য তথ্যের যথেষ্ট অভাব আছে। আরবি ও ফারসিতে লেখা কিছু গ্রন্থ এ বিষয়ে আলোকপাত করা হলেও সেগুলো যথেষ্ট নির্ভরযোগ্য কিনা সে বিষয়ে যথেষ্ট সন্দেহের দানা আছে। অল-বিরাদুরি নামক একটি গ্রন্থে আরবদের ভারত অভিযানের ধারাবাহিক বিবরণ দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু এই গ্রন্থটিতে সন তারিখ নিয়ে বিভ্রান্ত দেখ...