Skip to main content

Posts

মেঘনাদবধ(4th.Sem-Major) কাব্যের প্রথম সর্গের নামকরণ অভিষেক কতটা তাৎপর্যময়-আলোচনা করো।

মেঘনাদবধ কাব্যের প্রথম সর্গের নামকরণ অভিষেক কতটা তাৎপর্যময়-আলোচনা করো( পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়, চতুর্থ সেমিস্টার, বাংলা মেজর)।             •আলোচনার শুরুতেই আমরা বলে রাখি যে, মেঘনাদবধ কাব্যের প্রথম সর্গের নামকরণ ' অভিষেক'   সার্থক   হয়েছে।কারণ এই স্বর্গে রাবণপুত্র মেঘনাদের রাজ্যাভিষেক ও তার যুদ্ধযাত্রা সম্পর্কিত ঘটনাগুলি বর্ণিত হয়েছে।এই নামকরণ সর্গের বিষয়বস্তুর সাথে অতি সামঞ্জস্যপূর্ণ এবং সেইসাথে এখানে কাব্যিক সৌন্দর্যও পরিলক্ষিত। আর সেই অভিষেক নামকরণে আমরা দেখি- ১) মেঘনাদের সেনাপতি পদে বরণঃ  কাব্যের শুরুতেই আমরা দেখি যে, লঙ্কার রাজা রাবণ পুত্র বীরবাহুর মৃত্যুতে শোকাহত।আর এমনতর পরিস্থিতিতে রাবণ মেঘনাদকে সেনাপতি পদে বরণ করার সিদ্ধান্ত নেন, যাতে তিনি রামচন্দ্রের বিরুদ্ধে  প্রবল পরাক্রমে যুদ্ধ পরিচালনা করতে পারেন। তাই এই পর্বে ' অভিষেক'  শব্দের অর্থ হলো আনুষ্ঠানিকভাবে কাউকে কোনো গুরুত্বপূর্ণ পদে স্থাপন করা বা দায়িত্ব অর্পণ করা। প্রথম স্বর্গে মেঘনাদের সেনাপতি পদে বরণের উদ্যোগ স্পষ্ট হয়ে ওঠে। ২) গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার শ...

ইংল্যান্ডে(6th.Sem.BNGA) বঙ্গমহিলা গ্রন্থে ইংল্যান্ডে বাণিজ্য কারুকার্য এবং শ্রমজীবী মানুষ সম্পর্কে যে ধারণা পাওয়া যায় তা নিজের ভাষায় লেখো।

  ইংল্যান্ডে বঙ্গমহিলা গ্রন্থে ইংল্যান্ডে বাণিজ্য,কারুকার্য এবং শ্রমজীবী মানুষ সম্পর্কে যে ধারণা পাওয়া যায় তা নিজের ভাষায় লেখো (পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় ষষ্ঠ সেমিস্টার বাংলা অনার্স CC-14)                  আলোচনা শুরুতেই আমরা বলে রাখি যে,ইংল্যান্ডে বঙ্গমহিলা" গ্ৰন্থটিতে কৃষ্ণভামিনী দেবী ইংল্যান্ডের বাণিজ্য, কারুকার্য এবং শ্রমজীবী মানুষের জীবনযাত্রা সম্পর্কে একটি স্পষ্ট ধারণা আলোচ্য গ্রন্থটিতে তুলে ধরেছেন। সেখানে তিনি দেখিয়েছেন যে, ইংল্যান্ডে বাণিজ্য ও শিল্প কারুকার্য উন্নত, এবং সেখানে বিভিন্ন ধরনের শ্রমিক বিভিন্ন কর্মে নিজেদেরকে নিয়োজিত করে রেখেছেন। আর সেখানে লেখিকা বলেছেন-         ইংরেজরা অদ্বিতীয়। তবে পৃথিবীতে এমন কোন বন্দর নেই যেখানে ব্রিটিশ জাহাজ থাকে না। আসলে গোটা পৃথিবী থেকে ধন-সম্পদ ভেসে আসে ইংল্যান্ডের পদতলে। শুধু তাই নয় লন্ডনের ডগ আসলে এটি একটি জাহাজের আড্ডাখানা এমনই মনে করেন লেখিকা কৃষ্ণাভামিনী দেবী। সেখানে ছয় প্রকার ডক আছে। যেগুলি অতিশয় বৃহৎ এবং দেখামাত্রই প্রকাণ্ড অর্থভাণ্ডার বলে মনে হত...

ভারতীয় (2nd Sem-Pol.Sc) সংবিধানের বিভিন্ন উৎস গুলি আলোচনা করো।

  ভারতীয় সংবিধানের বিভিন্ন উৎস গুলি আলোচনা করো (পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় দ্বিতীয় সেমিস্টার রাষ্ট্রবিজ্ঞান মাইনর সিলেবাস)।              •আলোচনার শুরুতেই আমরা বলে রাখি যে,ভারতের সংবিধান প্রণয়নে অনেক দেশের সংবিধান থেকে উপাদান গ্রহণ করে ভারতীয় সংবিধান রচিত হয়েছে।আর তার মধ্যে প্রধান উৎস গুলি হল-ভারত সরকার আইন ১৯৩৫, ব্রিটিশ সংবিধান, মার্কিন সংবিধান, ফরাসি সংবিধান, আইরিশ সংবিধান এবং অন্যান্য বিভিন্ন দেশের সংবিধান। শুধু তাই নয়,এর বাইরেও ভারতীয় ঐতিহ্য এবং সংস্কৃতিকেও সংবিধানের বিভিন্ন অংশে প্রতিফলিত করা হয়েছে।আর সেখানে উৎসগুলো হলো-   •ভারত শাসন আইন ১৯৩৫ঃ ১৯৩৫ এর  আইনটি ভারতীয় সংবিধানের একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি। যেখানে যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামো, রাজ্যপালের পদ, বিচার ব্যবস্থার কাঠামো, সরকারি কর্ম কমিশন, এবং জরুরি অবস্থার বিধানের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো এই আইন থেকে নেওয়া হয়েছে।  • যুক্তরাজ্যের সংবিধানঃ  সংসদীয় শাসন ব্যবস্থা, আইনসভার নিম্নকক্ষের প্রাধান্য (লোকসভা), রাষ্ট্রপতি পদাধিকার বলে রাষ্ট্রের প্রধান হলেও কার্যত...

ইংরেজদের (6th.Sem) দেখিলে বলিষ্ঠ সাহসী পরিশ্রমী ও বুদ্ধিমান বলিয়া বোধ হয়-এই উক্তিটির আলোকে ইংরেজ জাতি ও তাদের প্রকৃতি সম্পর্কে আলোচনা করো।

"ইংরেজদের দেখলে বলিষ্ঠ সাহসী পরিশ্রমী ও বুদ্ধিমান বলিয়া বোধ হয়"- এই উক্তিটির আলোকে ইংরেজ জাতি ও তাদের প্রকৃতি সম্পর্কে আলোচনা করো(পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়, ষষ্ঠ সেমিস্টার,CC-14 বাংলা অনার্স-2023 CBSE)           • আলোচনার শুরুতেই আমরা রাখি যে, আলোচনার শুরুতেই আমরা বলে রাখি যে, ইংল্যান্ডের বঙ্গ মহিলা গ্রন্থে আলোচ্য উক্তিটিতে ইংরেজদের বাহ্যিক এবং কিছু চারিত্রিক গুণাবলীর কথা বলা হয়েছে।আর সেইসকল গুণাবলীর মধ্যে-বলিষ্ঠতা,সাহসীকতা,পরিশ্রমী ও বুদ্ধিমান অন্যতম। আর এই উক্তিটির আলোকে ইংরেজ জাতি ও তাদের প্রকৃতি সম্পর্কে যেসকল বিষয়গুলি উঠে আসে সেগুলি আমরা নিম্ন সূত্রাকারে আলোচনা করা হলো-       • ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও উপলব্ধির কারণ •         •ইংরেজদের মধ্যে এই ধরনের উপলব্ধির বিষয়গুলি ঔপনিবেশিক যুগে ভারতীয়দের মধ্যে তৈরি হওয়া স্বাভাবিক। যেখানে দীর্ঘকাল ধরে ইংরেজরা ভারতবর্ষে শাসন করেছে এবং তাদের ক্ষমতা, শৃঙ্খলা ও প্রযুক্তিগত অগ্রগতি ভারতীয়দের বেশ প্রভাবিত করেছে।আর সেখানে-   বলিষ্ঠতাঃ শারীরিক সক্ষমতা এবং ঔপনিবেশিক শাসনের ...

শ্রীজাত(XII-3rd Sem) বন্দোপাধ্যায় এর অন্ধকার লেখাগুচ্ছ কাব্যগ্ৰন্থের অন্তর্গত ধর্ম কবিতার বিষয়বস্তু নিজের ভাষায় লেখো

শ্রীজাত বন্দোপাধ্যায় এর অন্ধকার লেখাগুচ্ছ কাব্যগ্ৰন্থের অন্তর্গত ধর্ম কবিতার বিষয়বস্তু নিজের ভাষায় লেখো (পশ্চিমবঙ্গ উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ, দ্বাদশ শ্রেণী তৃতীয় সেমিস্টার)।        আলোচনার শুরুতেই আমরা বলে রাখি যে,শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়ের 'ধর্ম' কবিতাটি তাঁর 'অন্ধকার লেখাগুচ্ছ' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত ১৪ সংখ্যক কবিতা। আর সেই কবিতাটিতে কবি স্বয়ং চিরাচরিত ধর্মীয় গোঁড়ামি ও সংকীর্ণতার বিরুদ্ধে এক বলিষ্ঠ প্রতিবাদ এবং মানবিকতার জয়গান করেছেন। আর সেখানে আমরা দেখি-            • সংকীর্ণ অর্থে ধর্মের ব্যাখ্যাঃ  সংকীর্ণ অর্থে ধর্মের ব্যাখ্যা এই কবিতায় প্রচলিত ধর্মের আনুষ্ঠানিকতা, বাহ্যিক আচার-অনুষ্ঠান এবং সাম্প্রদায়িক বিভেদ সৃষ্টিকারী দিকগুলির সমালোচনা করা হয়েছে। তিনি আরও দেখিয়েছেন যে, ধর্মের নামে মানুষে মানুষে ভেদাভেদ তৈরি করা হয় এবং সেই সাথে সংকীর্ণ চিন্তাভাবনার জন্ম দেওয়া হয়। তবে -          • ধর্মই মানবিকতাঃ  আলোচ্য কবিতায় কবি মনে করেন যে,মানুষের প্রতি ভালোবাসা, সহানুভূতি এবং অন্যের প্রতি শ্রদ্ধাই...

অন্ন চাই,( WBCROS )প্রাণ চাই-অন্তর কি তোমাদের সব পাষাণ হয়ে গেছে বাবু!

" অন্তর কি তোমাদের সব পাষাণ হয়ে গেছে বাবু!"           •অথবা• "তোমাদের কি প্রাণ নেই বাবু! বাবারা বাবু...।" কে, কাদের উদ্দেশ্য করে কথাগুলি বলেছে? এই উক্তিতে নাট্যকার কোন্ দিকটি চিত্রিত করেছেন? উত্তরঃ বিজন ভট্টাচার্য রচিত 'অন্ন চাই, প্রাণ চাই' নাট্যাংশে প্রধান নামে এক কৃষিজীবী ১৩৫০ এর দুর্ভিক্ষের করাল গ্রাসের মুখে পড়ে বাঁচার আশায় কলকাতা শহরে এসে এক বিয়ে বাড়ির ধনী অতিথিবর্গ ও গৃহকর্তার উদ্দেশ্যে এই কথাগুলি বলেছে। যেখানে-        •আলোচ্য উক্তিটির মাধ্যমে নাট্যকারের বক্তব্যের যে দিকটি উঠে এসেছে তা হল-দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন তৎকালীন বাংলাদেশে ১৩৫০ সালে যে ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ বা মন্বন্তর দেখা দিয়েছিল, তার মূলে ছিল এক শ্রেণীর মুনাফাখোর এবং কালোবাজারিদের ভূমিকা। আর সেইসময়কালে-- বাজারে চারগুণ পয়সা দিলে অঢেল এবং প্রয়োজনীয় নিত্যদ্রব্যসমূহ পাওয়া যাচ্ছে। অথচ খোলা বাজারে নেই নেই রব লেগেই আছে। আর আলোচ্য অংশে কর্তার অতিথিরা অধিকাংশের যুদ্ধ ও মন্বন্তরের বাজারে হঠাৎ ধনী শ্রেণীর ব্যক্তিদের মানসিক মূল্যবোধের নষ্টের দিকটি তুলে ধরা হয়েছে।তাই- ...

ধর্ম/শ্রীজাত(XII,3rd) বন্দ্যোপাধ্যায়ের।' ধর্ম 'কবিতা থেকে MCQ পরীক্ষার উপযোগী গুরুত্বপূর্ণ কিছু প্রশ্ন এবং তার উত্তর

ধর্ম/শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়ের।' ধর্ম 'কবিতা থেকে MCQ পরীক্ষার উপযোগী গুরুত্বপূর্ণ কিছু প্রশ্ন এবং তার উত্তর (পশ্চিমবঙ্গ উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ, দ্বাদশ শ্রেণী, তৃতীয় সেমিস্টার) ১) ধর্ম কবিতাটি কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত এবং কত সংখ্যক কবিতা?   উত্তরঃ 'অন্ধকার লেখাগুচ্ছ' এবং ১৪ সংখ্যক কবিতা। ২) ধর্ম কবিতায় আব্দুল করিম খাঁর ধর্ম কি ছিল? উত্তরঃ সংগীত  । ৩)আইনস্টাইনের ধর্ম কি ছিল ? উত্তরঃ দিগন্ত পেরনো।  ৪) কবীরের ধর্ম কি ছিল ? উত্তরঃ সত্যের সন্ধান । ৫)ধর্ম কবিতায় বাতাসের ধর্ম কি ছিল?  উত্তরঃ সব সময় বইতে থাকা। ৬) ভ্যান গঘের ধর্ম কি ছিল ? উত্তরঃ ছবি আঁকা । ৭) গার্সিয়া লোরকারেল কি ধর্ম ছিল?  উত্তরঃ কবিতার জয় ৮)লেনিনের ধর্ম কি ছিল? উত্তরঃ নতুন পতাকা তোলা। ৯) ধর্ম কিভাবে একসাথে থাকে?  উত্তরঃ ধর্ম একে অপরকে জায়গা করে দেয়।  ১০) আগুনের ধর্ম কি?  উত্তরঃ ছাই ভস্ম তৈরি করা । ১১) কবি শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায় ধর্ম কবিতায় কী প্রশ্ন করেছেন?  উত্তরঃ কেন অন্য পথ মানুষকে বিভ্রান্ত করে?  ১২) ধর্ম কবিতা আমাদের কি শিক্ষা দেয়?  উত্তরঃ ধর্ম আমাদেরকে...