Skip to main content

বিভিন্ন সালের বাংলা মেজর প্রশ্ন

চতুর্থ সেমিস্টার।

           •একক-১•

১) ক) ***অনুপ্রাস অলংকার এর সংজ্ঞা দাও।দৃষ্টান্ত উল্লেখপূর্বক অনুপ্রাসের প্রত্যেকটি শ্রেণীর ব্যাখ্যা করো।১৯

√ • যমক অলংকার কাকে বলে? উদাহরণসহ যমক অলংকারের বিভাগগুলি আলোচনা করো।২০

√ •উপমা অলংকার কাকে বলে? উদাহরণসহ উপমা অলংকারের বিভিন্ন বিভাগ সম্পর্কে আলোচনা করো।২১

√ •রূপক অলংকার কাকে বলে?এই অলংকার কয় প্রকার? যেকোনো তিনটি রূপক অলংকার উদাহরণসহ আলোচনা করো।২২



                                •অথবা• 

•উদাহরণসহ বুঝিয়ে দাও-

√ উদাহরণসহ প্রতিবস্তূপমা  ও দৃষ্টান্ত অলংকারের আলোচনা করো।১৯

√  নিরঙ্গ রূপক, শ্লেষ, দৃষ্টান্ত, অর্থান্তরন্যাস।২০

• অপহ্নতি ও  প্রতীপ অলংকারের মধ্যে পার্থক্য কোথায়? উদাহরণসহ লেখো।২০

✓• উদাহরণসহ বুঝিয়ে দাও- ছেকানুপ্রাস,স্মরণোপমা,ব্যাজস্তুতি,ভ্রান্তিমান।২২

√ • শ্লেষ- বক্রোক্তি,প্রতীয়মানোৎপ্রেক্ষা, অতিশয়োক্তি, বিষম।২১



                            •একক-২

 অলংকার নির্ণয় করো যেকোনো দুটি ৫×২=১০

ক) এখনই অন্ধ বন্ধ করো না পাখা।১৯    

খ) বসুন্ধরা, দিবসের কর্ম অবসানে,/ দিনান্তের বেড়াটি ধরিয়া আছে চাহি/দিগন্তের পানে।১৯                                

গ) মেঘ নাই তবু অঝোরে ঝরিল জল,

 ফুল ফুটিল না আপনি ধরিল ফল;

 স্বপনেও কভু ভাবি নাই, প্রিয়তম,

 এমনি করিয়া সহসা আসিয়া নয়ন জুড়াবে মম।

ঘ) নবদূর্ব্বাদলশ্যাম রামে নিরখিয়া

ময়ূর নীরদ ভ্রমে উঠিল নাচিয়া।১৯

• ক) কালো জল ঢালতে সই কালা পড়ে মনে।২০

খ) তাহার দুটি পালন করা ভেড়া/ চড়ে বেড়ায় মোদের বটমূলে/ যদি ভাঙে আমার ক্ষেতের বেড়া/ কোলের পরে নিই তাহার তুলে।২০

গ) লুটায় মেখলাখানি ত্যজি কটিদেশ/মৌন অপমানে।২০

ঘ) লঙ্কার পঙ্কজ রবি গেলা অস্তাচলে। ২০

ঙ) দুই ধারে এ কি প্রাসাদের সারি?/ অথবা তরুর মূল? অথবা এ শুধু আকাশ জুড়িয়া আমারি মনের ভুল? ২০

• হওয়ার মুখে ছুটল ভাঙ্গা কুঁড়ের চাল।২২ 

শিকল ছেঁড়া কয়েদি ডাকাতের মতো।২২

•চোখে চোখে কথা নয় গো,বন্ধু আগুনে আগুনে কথা।২২

• স্বাধীনতা হীনতায় কে বাঁচিতে চায় হে, 

কে বাঁচিতে চায়?২২

• এখনো খাদের পাশে রাত্তিরে দাঁড়ালে 

চাঁদ ডাকে আয় আয় আয়।২২


২) প্রতিবস্তূপমা ও দৃষ্টান্ত অলংকারের মধ্যে পার্থক্য উদাহরণসহ বুঝিয়ে দাও।২১

•পয়ার রূপবন্ধ বলতে কী বোঝায়? একটি দলবৃত্ত পয়ারের উদাহরণ দিয়ে ব্যাখ্যা করো।২১

• অপহ্নতি ও প্রতীপ অলংকারের মধ্যে পার্থক্য নির্ণয় করো।২২+২০

• অমিত্রাক্ষর ছন্দ সম্পর্কে উদাহরণসহ সংক্ষেপে আলোচনা করো।২০

• উপমা ও রূপক অলংকারের মধ্যে পার্থক্য উদাহরণসহ আলোচনা করো।১৯

• পয়ার ছন্দের শোষণ শক্তি সম্বন্ধে সংক্ষেপে আলোচনা করো।১৯ 

• সনেটের সংক্ষিপ্ত পরিচয় দাও।২২







                      একক-৩


√ স্বরবৃত্ত বা দলবৃত্ত ছন্দের সংজ্ঞা দাও। উপযুক্ত উদাহরণ সহযোগে এর বৈশিষ্ট্য গুলি ব্যাখ্যা করো।১৯

• মিশ্রকলাবৃত্ত বা অক্ষরবৃত্ত বা তানপ্রধান ছন্দের সংজ্ঞা ও বৈশিষ্ট্যগুলি উদাহরণসহ বুঝিয়ে দাও।২০

• অমিত্রাক্ষর ছন্দ সম্পর্কে উদাহরণসহ সংক্ষেপে আলোচনা করো।২০

√ • সরল কলাবৃত্ত বা মাত্রাবৃত্ত বা ধ্বনিপ্রধান ছন্দ রীতির সংজ্ঞা ও বৈশিষ্ট্য উদাহরণসহ বুঝিয়ে দাও। ২১

√• মিশ্রবৃত্ত ছন্দ (মিশ্রকলাবৃত্ত বা অক্ষরবৃত্ত বা তানপ্রধান) সুন্দরীতির সংজ্ঞা, বৈশিষ্ট্য উদাহরণসহ বুঝিয়ে দাও।২২,২১

                  •অথবা•

উদাহরণসহ সংজ্ঞা

পর্ব,মাত্রা,যতি, দল পংক্তি-১৯

• অক্ষর, কলা, চরণ, মুক্তক ছন্দ।২০

√ • প্রস্বর,যতি,পংক্তি,গদ্যছন্দ।২১

√ • অক্ষর, মাত্রা, পর্ব,মুক্তক ছন্দ।২২

                    একক-৪ 

  •ছন্দোলিপি প্রণয়ন যেকোনো দুটি উদ্ধৃতির



২) যেকোনো দুটি প্রশ্নের উত্তর দাও।৫×২=১০

√ *** প্রতিবস্তূপমা ও দৃষ্টান্ত অলংকারের মধ্যে পার্থক্য উদাহরণসহ বুঝিয়ে দাও।২১

√ *** •পয়ার রূপবন্ধ বলতে কী বোঝায়? একটি দলবৃত্ত পয়ারের উদাহরণ দিয়ে ব্যাখ্যা করো।২১

√ • অপহ্নতি ও প্রতীপ অলংকারের মধ্যে পার্থক্য নির্ণয় করো।২২+২০

• অমিত্রাক্ষর ছন্দ সম্পর্কে উদাহরণসহ সংক্ষেপে আলোচনা করো।২০,২১

*** • উপমা ও রূপক অলংকারের মধ্যে পার্থক্য উদাহরণসহ আলোচনা করো।১৯

*** • পয়ার ছন্দের শোষণ শক্তি সম্বন্ধে সংক্ষেপে আলোচনা করো।১৯ 

√ • সনেটের সংক্ষিপ্ত পরিচয় দাও।২২



Comments

Popular posts from this blog

একটি সার্থক গীতিকাব্যের পরিচয়।

  একটি সার্থক গীতিকাব্যের পরিচয়-সারদা মঙ্গল               গীতিকাব্য হলো এক ধরনের কবিতা, যার মধ্যে দিয়ে ব্যক্তির আবেগ, অনুভূতি এবং অভিজ্ঞতাগুলিকে ছন্দ ওর সংগীতের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়। তবে এখানে কবিতাগুলি খুবই ছোট আকারের হয়, আর সেখানে কবির ব্যক্তিগত অনুভূতির গভীরতা ও আন্তরিকতা প্রকাশ পায়। আর এই প্রেক্ষিতে আমরা বলতে পারি গীতি কবিতার সংকলন হলো গীতিকাব্য। ব্যঞ্জনাময় ও সংহত ।  গীতিকাব্যের বৈশিষ্ট্য  গীতিকাব্যের কিছু প্রধান বৈশিষ্ট্য নিচে আলোচনা করা হলো: ১. ব্যক্তিগত অনুভূতি ও আবেগ প্রকাশ: এটি গীতিকাব্যের প্রধান বৈশিষ্ট্য। এখানে কবি নিজের ব্যক্তিগত অনুভূতি, প্রেম, বিরহ, আনন্দ বা বিষাদের কথা তুলে ধরেন। ২. সংক্ষিপ্ততা: গীতিকাব্য সাধারণত দীর্ঘ হয় না। অল্প কয়েকটি স্তবকের মধ্যে কবি তাঁর ভাবনা সম্পূর্ণভাবে প্রকাশ করেন। ৩. সুর ও ছন্দের প্রাধান্য: গীতিকাব্য মূলত সুর করে আবৃত্তি করার জন্য রচিত হয়। তাই এতে সুর ও ছন্দের প্রতি বিশেষ মনোযোগ দেওয়া হয়। ৪. আত্মগতভাব: গীতিকাব্যে বাইরের জগতের বর্ণনা না দিয়ে কবির নিজের মনের ভেতরের জগতের প্রতি মনোযোগ ...

পঞ্চম সেমিস্টার ইতিহাস মাইনর সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর ।

পঞ্চম সেমিস্টার ইতিহাস মাইনর সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর  ১) শিল্প বিপ্লব কবে কোথায় প্রথম ঘটেছিল?         উত্তর - প্রথম শিল্প বিপ্লব শুরু হয়েছিল ইংল্যান্ডে (গ্রেট ব্রিটেন)। এটি প্রধানত অষ্টাদশ শতকের মাঝামাঝি সময়ে শুরু হয়ে প্রায় ১৭৬০ থেকে ১৮৪০ খ্রিস্টাব্দ-এর মধ্যে ঘটেছিল। ২) কৃষ্ণমৃত্যু কী?            • কৃষ্ণমৃত্যু (Black Death) হলো মানব ইতিহাসের এক ভয়াবহ মহামারি।এটি ছিল মূলত প্লেগ (Plague) রোগ, যা Yersinia pestis নামক ব্যাকটেরিয়ার কারণে সৃষ্টি হয়েছিল।এটি প্রধানত ১৩৪৬ থেকে ১৩৫৩ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে ইউরোপ, এশিয়া (ইউরেশিয়া) এবং উত্তর আফ্রিকাজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছিল। ৩) কে বলেছিলেন মানুষই সবকিছুর মানদণ্ড?        •এই বিখ্যাত উক্তিটি যিনি করেছিলেন তিনি হলেন প্রাচীন গ্রিসের একজন প্রখ্যাত দার্শনিক, যার নাম প্রোটাগোরাস (Protagoras)।তাঁর মূল বক্তব্যটি ছিল-"মানুষই সবকিছুর মানদণ্ড, যা আছে তারও, আর যা নেই তারও।” ৪) পেত্রাক কেন বিখ্যাত?         •পেত্রাক (Francesco Petrarca) ছিলেন ১৪ শতকের (১৩০৪-১৩৭৪) একজন ...

অবক্ষয় যুগ। অষ্টাদশ-ঊনবিংশ শতাব্দীর সন্ধিক্ষণে বাঙালির অবক্ষয় যুগের পরিচয় দাও। এই সময়ে টপ্পা ও আখড়াই গানের উদ্ভব ও জনপ্রিয়তার সামাজিক কারণগুলি আলোচনা করো।

অবক্ষয় যুগ। অষ্টাদশ-ঊনবিংশ শতাব্দীর সন্ধিক্ষণে বাঙালির অবক্ষয় যুগের পরিচয় দাও। এই সময়ে টপ্পা ও আখড়াই গানের উদ্ভব ও জনপ্রিয়তার সামাজিক কারণগুলি আলোচনা করো। পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রথম সেমিস্টার বাংলা মাইনর।ইউনিট ৪।   অবক্ষয় যুগের পরিচয় এবং টপ্পা ও আখড়াই গানের সামাজিক কারণ ও অবক্ষয় যুগের পরিচয়          আমরা জানি যে,১৭৫৭ খ্রিস্টাব্দে পলাশীর যুদ্ধের পর থেকে ঊনবিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধ (১৮৫০ খ্রি.) পর্যন্ত সময়কালকে বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে 'অবক্ষয় যুগ' বা 'সন্ধিযুগ' বলা হয়।আর এটি ছিল মধ্যযুগের দেবনির্ভরতার অবসান এবং আধুনিক যুগের মানবতাবোধের সূচনার মধ্যবর্তী এক ক্রান্তিকাল।যেখানে এই সময়কালের প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলি  নিম্নরূপে আলোচনা করা যেতে পারে-        •রাজনৈতিক অস্থিরতাঃ নবাবী শাসনের পতন এবং ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির দেওয়ানি লাভের ফলে বাংলার পুরনো শাসন ও অর্থনৈতিক কাঠামো ভেঙে পড়ে।      •'বাবু' সংস্কৃতির উদয়ঃ ছিয়াত্তরের মন্বন্তর (১১৭৬ বঙ্গাব্দ) এবং চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের (১৭৯৩ খ্রি.) ফলে গ্রামীণ বনেদি সমাজ ধ্...