Skip to main content

রাজা নাটকের প্রশ্ন

 রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'রাজা' নাটকটি একটি রূপক-সাংকেতিক নাটক (Symbolic and Allegorical play)। এই নাটকের পরীক্ষা উপযোগী গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নগুলি প্রধানত এর ভাববস্তু, চরিত্র বিশ্লেষণ, সাংকেতিক তাৎপর্য এবং নাট্যশৈলীর উপর ভিত্তি করে তৈরি হয়।

গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নগুলির একটি ধারণা নিচে দেওয়া হলো:

বিষয়বস্তু ও তাৎপর্যমূলক প্রশ্ন

 * 'রাজা' নাটকের মূল ভাববস্তু বা অরূপ-তত্ত্ব আলোচনা করো।

 * এই নাটকের নামকরণের সার্থকতা বিচার করো।

 * নাটকের 'অন্ধকার ঘর' কিসের প্রতীক? সুদর্শনার এই ঘরে রাজার সঙ্গে মিলনের তাৎপর্য বিশ্লেষণ করো।

 * নাটকটিতে রূপের মোহ এবং অরূপের উপলব্ধি কীভাবে দেখানো হয়েছে, তা আলোচনা করো।

চরিত্র বিশ্লেষণমূলক প্রশ্ন

 * সুদর্শনা চরিত্রটির বিকাশ বা মানসিক সংঘাত আলোচনা করো। এই চরিত্রের মাধ্যমে রবীন্দ্রনাথ কী ভাবনা প্রকাশ করেছেন?

 * রাজা চরিত্রটির স্বরূপ বিশ্লেষণ করো। তাঁকে কেন অদৃশ্য রাখা হয়েছে?

 * ঠাকুরদা এবং সুরঙ্গমা চরিত্র দুটি নাটকের ভাববস্তু ফুটিয়ে তুলতে কী ভূমিকা নিয়েছে, তা লেখো।

 * কাঞ্চীরাজ চরিত্রটি কীসের প্রতীক? নাটকে তার ভূমিকা আলোচনা করো।

সংলাপ ও দৃশ্যাংশ ভিত্তিক প্রশ্ন

 * প্রাসঙ্গিকতা সহ ব্যাখ্যা করো: "বেঁচেছি, বেঁচেছি সুরঙ্গমা! হার মেনে তবে বেঁচেছি।"

 * প্রাসঙ্গিকতা সহ ব্যাখ্যা করো: "তুমি সুন্দর নও, প্রভু, সুন্দর নও, তুমি অনুপম।"

 * বসন্ত উৎসবের দৃশ্যটি ('প্রাসাদশিখর' বা 'বসন্ত উৎসবের দৃশ্য') নাটকের অগ্রগতিতে কতটা গুরুত্বপূর্ণ, তা বিশ্লেষণ করো।

এই নাটকটি সম্পর্কে একটি সংক্ষিপ্ত আলোচনা পেতে, আপনি নিচের ভিডিওটি দেখতে পারেন:

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর-এর 'রাজা'- সংক্ষিপ্ত আলোচনা

এই ভিডিওটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'রাজা' নাটক সম্পর্কে একটি সংক্ষিপ্ত আলোচনা প্রদান করে, যা পরীক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় বিষয়গুলি বুঝতে সাহায্য করবে।


YouTube ইতিহাসে আপনার YouTube ভিডিওর ভিউ স্টোর হয়ে যাবে এবং YouTube আপনার ডেটা নিজের  পরিষেবার শর্তাবলী  অনুযায়ী স্টোর ও ব্যবহার করবে


Comments

Popular posts from this blog

একটি সার্থক গীতিকাব্যের পরিচয়।

  একটি সার্থক গীতিকাব্যের পরিচয়-সারদা মঙ্গল               গীতিকাব্য হলো এক ধরনের কবিতা, যার মধ্যে দিয়ে ব্যক্তির আবেগ, অনুভূতি এবং অভিজ্ঞতাগুলিকে ছন্দ ওর সংগীতের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়। তবে এখানে কবিতাগুলি খুবই ছোট আকারের হয়, আর সেখানে কবির ব্যক্তিগত অনুভূতির গভীরতা ও আন্তরিকতা প্রকাশ পায়। আর এই প্রেক্ষিতে আমরা বলতে পারি গীতি কবিতার সংকলন হলো গীতিকাব্য। ব্যঞ্জনাময় ও সংহত ।  গীতিকাব্যের বৈশিষ্ট্য  গীতিকাব্যের কিছু প্রধান বৈশিষ্ট্য নিচে আলোচনা করা হলো: ১. ব্যক্তিগত অনুভূতি ও আবেগ প্রকাশ: এটি গীতিকাব্যের প্রধান বৈশিষ্ট্য। এখানে কবি নিজের ব্যক্তিগত অনুভূতি, প্রেম, বিরহ, আনন্দ বা বিষাদের কথা তুলে ধরেন। ২. সংক্ষিপ্ততা: গীতিকাব্য সাধারণত দীর্ঘ হয় না। অল্প কয়েকটি স্তবকের মধ্যে কবি তাঁর ভাবনা সম্পূর্ণভাবে প্রকাশ করেন। ৩. সুর ও ছন্দের প্রাধান্য: গীতিকাব্য মূলত সুর করে আবৃত্তি করার জন্য রচিত হয়। তাই এতে সুর ও ছন্দের প্রতি বিশেষ মনোযোগ দেওয়া হয়। ৪. আত্মগতভাব: গীতিকাব্যে বাইরের জগতের বর্ণনা না দিয়ে কবির নিজের মনের ভেতরের জগতের প্রতি মনোযোগ ...

পঞ্চম সেমিস্টার ইতিহাস মাইনর সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর ।

পঞ্চম সেমিস্টার ইতিহাস মাইনর সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর  ১) শিল্প বিপ্লব কবে কোথায় প্রথম ঘটেছিল?         উত্তর - প্রথম শিল্প বিপ্লব শুরু হয়েছিল ইংল্যান্ডে (গ্রেট ব্রিটেন)। এটি প্রধানত অষ্টাদশ শতকের মাঝামাঝি সময়ে শুরু হয়ে প্রায় ১৭৬০ থেকে ১৮৪০ খ্রিস্টাব্দ-এর মধ্যে ঘটেছিল। ২) কৃষ্ণমৃত্যু কী?            • কৃষ্ণমৃত্যু (Black Death) হলো মানব ইতিহাসের এক ভয়াবহ মহামারি।এটি ছিল মূলত প্লেগ (Plague) রোগ, যা Yersinia pestis নামক ব্যাকটেরিয়ার কারণে সৃষ্টি হয়েছিল।এটি প্রধানত ১৩৪৬ থেকে ১৩৫৩ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে ইউরোপ, এশিয়া (ইউরেশিয়া) এবং উত্তর আফ্রিকাজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছিল। ৩) কে বলেছিলেন মানুষই সবকিছুর মানদণ্ড?        •এই বিখ্যাত উক্তিটি যিনি করেছিলেন তিনি হলেন প্রাচীন গ্রিসের একজন প্রখ্যাত দার্শনিক, যার নাম প্রোটাগোরাস (Protagoras)।তাঁর মূল বক্তব্যটি ছিল-"মানুষই সবকিছুর মানদণ্ড, যা আছে তারও, আর যা নেই তারও।” ৪) পেত্রাক কেন বিখ্যাত?         •পেত্রাক (Francesco Petrarca) ছিলেন ১৪ শতকের (১৩০৪-১৩৭৪) একজন ...

অবক্ষয় যুগ। অষ্টাদশ-ঊনবিংশ শতাব্দীর সন্ধিক্ষণে বাঙালির অবক্ষয় যুগের পরিচয় দাও। এই সময়ে টপ্পা ও আখড়াই গানের উদ্ভব ও জনপ্রিয়তার সামাজিক কারণগুলি আলোচনা করো।

অবক্ষয় যুগ। অষ্টাদশ-ঊনবিংশ শতাব্দীর সন্ধিক্ষণে বাঙালির অবক্ষয় যুগের পরিচয় দাও। এই সময়ে টপ্পা ও আখড়াই গানের উদ্ভব ও জনপ্রিয়তার সামাজিক কারণগুলি আলোচনা করো। পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রথম সেমিস্টার বাংলা মাইনর।ইউনিট ৪।   অবক্ষয় যুগের পরিচয় এবং টপ্পা ও আখড়াই গানের সামাজিক কারণ ও অবক্ষয় যুগের পরিচয়          আমরা জানি যে,১৭৫৭ খ্রিস্টাব্দে পলাশীর যুদ্ধের পর থেকে ঊনবিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধ (১৮৫০ খ্রি.) পর্যন্ত সময়কালকে বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে 'অবক্ষয় যুগ' বা 'সন্ধিযুগ' বলা হয়।আর এটি ছিল মধ্যযুগের দেবনির্ভরতার অবসান এবং আধুনিক যুগের মানবতাবোধের সূচনার মধ্যবর্তী এক ক্রান্তিকাল।যেখানে এই সময়কালের প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলি  নিম্নরূপে আলোচনা করা যেতে পারে-        •রাজনৈতিক অস্থিরতাঃ নবাবী শাসনের পতন এবং ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির দেওয়ানি লাভের ফলে বাংলার পুরনো শাসন ও অর্থনৈতিক কাঠামো ভেঙে পড়ে।      •'বাবু' সংস্কৃতির উদয়ঃ ছিয়াত্তরের মন্বন্তর (১১৭৬ বঙ্গাব্দ) এবং চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের (১৭৯৩ খ্রি.) ফলে গ্রামীণ বনেদি সমাজ ধ্...