Skip to main content

ইতিহাস প্রথম সেমিস্টার সংক্ষিপ্ত প্রশ্নাবলী

••রাজতরঙ্গিনী কে লিখেছিলেন? এটি কোন রাজ্যের সম্পর্কে আলোকপাত করেছিল?

•• হরপ্পা সভ্যতার এমন দুটি প্রত্নকেন্দ্রের নাম করো যেগুলি প্রমাণ করে যে,হরপ্পার অধিবাসীরা ধান উৎপন্ন করত।

• মহেঞ্জদারোর প্রাপ্ত ব্রঞ্জের নর্তকী মূর্তির তাৎপর্য কি?

•• ঋক বৈদিক যুগের দুটি মুদ্রার নাম লেখো।

••কৃষিকাজের উল্লেখ আছে এমন দুটি বৈদিক গ্রন্থের নাম উল্লেখ করো।

•• অষ্টাঙ্গিক মার্গ বলতে তুমি কি বোঝো?

•আলেকজান্ডার কখন ভারত আক্রমণ করেন? ভারত ইতিহাসে তার আক্রমণের তাৎপর্য কী?

••মেগাস্থিনিস কে ছিলেন? তার গ্রন্থের নাম কি?

••কোন পণ্ডিত ব্যক্তি সর্বপ্রথম অশোকের লেখ পাঠ করেন? অশোকের দুটি গুরুত্বপূর্ণ লেখ এর নাম উল্লেখ করো।

••জুনাগড় লিপিতে কার কৃতিত্বের কথা বর্ণনা রয়েছে?

• মহেঞ্জোদারোতে বৃহৎ স্নানাগারটি কি ছিল?

••ত্রিরত্ন বলতে কী বোঝায়?

••মৌর্যযুগে ধর্মমহামাত্রদের কাজ কি ছিল?

••বানভট্ট কে ছিলেন?তাঁর রচিত গ্রন্থের নাম উল্লেখ করো।

••কে কখন শক যুগের সূচনা করেছিলেন?

••সাতবাহন রাজবংশের প্রতিষ্ঠাতা কে?

*** ভারতবর্ষের দুটি প্রত্ন ক্ষেত্রের নাম কর যেখান থেকে পুরাপ্রস্তর যুগের প্রস্তরচিত্র পাওয়া গেছে।

•হরপ্পা সভ্যতার এমন দুটি প্রত্নক্ষেত্রের নাম লেখ যেগুলি প্রমাণ করে যে হরপ্পার অধিবাসীরা ধান উৎপাদন করত?

•চারটি আর্যসত্য বলতে তুমি কি বোঝো 

•প্রাচীন ভারতের অন্তত দুটি গণরাজ্যের নাম লেখো

 ••সর্বপ্রথম অশোকের লিপির পাঠোদ্ধার কে করেন 

••কে কখন মৌর্য সাম্রাজ্যের ধ্বংস সাধন করেছিলেন? শেষ মৌর্য সম্রাট কে ছিলেন?

•চতুর্থ বৌদ্ধ সংগীতি কোন রাজা কেন আহবান করেছিলেন 

 ••প্রাচীন ভারতের দুটি বন্দরের নাম লেখ 

•সাতবাহন বংশের প্রথম শাসক কে ছিলেন? সাতবাহনরা কি অন্ধ্র নামেও পরিচিত ছিলেন 

••জুনাগড় লিপিতে কার কৃতিত্বের কথা বর্ণিত হয়েছে?

••রাজতরঙ্গিনী কে রচনা করেছিলেন?এটি কোন রাজ্যের উপর আলোকপাত করেছিল?

Comments

Popular posts from this blog

একটি সার্থক গীতিকাব্যের পরিচয়।

  একটি সার্থক গীতিকাব্যের পরিচয়-সারদা মঙ্গল               গীতিকাব্য হলো এক ধরনের কবিতা, যার মধ্যে দিয়ে ব্যক্তির আবেগ, অনুভূতি এবং অভিজ্ঞতাগুলিকে ছন্দ ওর সংগীতের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়। তবে এখানে কবিতাগুলি খুবই ছোট আকারের হয়, আর সেখানে কবির ব্যক্তিগত অনুভূতির গভীরতা ও আন্তরিকতা প্রকাশ পায়। আর এই প্রেক্ষিতে আমরা বলতে পারি গীতি কবিতার সংকলন হলো গীতিকাব্য। ব্যঞ্জনাময় ও সংহত ।  গীতিকাব্যের বৈশিষ্ট্য  গীতিকাব্যের কিছু প্রধান বৈশিষ্ট্য নিচে আলোচনা করা হলো: ১. ব্যক্তিগত অনুভূতি ও আবেগ প্রকাশ: এটি গীতিকাব্যের প্রধান বৈশিষ্ট্য। এখানে কবি নিজের ব্যক্তিগত অনুভূতি, প্রেম, বিরহ, আনন্দ বা বিষাদের কথা তুলে ধরেন। ২. সংক্ষিপ্ততা: গীতিকাব্য সাধারণত দীর্ঘ হয় না। অল্প কয়েকটি স্তবকের মধ্যে কবি তাঁর ভাবনা সম্পূর্ণভাবে প্রকাশ করেন। ৩. সুর ও ছন্দের প্রাধান্য: গীতিকাব্য মূলত সুর করে আবৃত্তি করার জন্য রচিত হয়। তাই এতে সুর ও ছন্দের প্রতি বিশেষ মনোযোগ দেওয়া হয়। ৪. আত্মগতভাব: গীতিকাব্যে বাইরের জগতের বর্ণনা না দিয়ে কবির নিজের মনের ভেতরের জগতের প্রতি মনোযোগ ...

পঞ্চম সেমিস্টার ইতিহাস মাইনর সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর ।

পঞ্চম সেমিস্টার ইতিহাস মাইনর সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর  ১) শিল্প বিপ্লব কবে কোথায় প্রথম ঘটেছিল?         উত্তর - প্রথম শিল্প বিপ্লব শুরু হয়েছিল ইংল্যান্ডে (গ্রেট ব্রিটেন)। এটি প্রধানত অষ্টাদশ শতকের মাঝামাঝি সময়ে শুরু হয়ে প্রায় ১৭৬০ থেকে ১৮৪০ খ্রিস্টাব্দ-এর মধ্যে ঘটেছিল। ২) কৃষ্ণমৃত্যু কী?            • কৃষ্ণমৃত্যু (Black Death) হলো মানব ইতিহাসের এক ভয়াবহ মহামারি।এটি ছিল মূলত প্লেগ (Plague) রোগ, যা Yersinia pestis নামক ব্যাকটেরিয়ার কারণে সৃষ্টি হয়েছিল।এটি প্রধানত ১৩৪৬ থেকে ১৩৫৩ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে ইউরোপ, এশিয়া (ইউরেশিয়া) এবং উত্তর আফ্রিকাজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছিল। ৩) কে বলেছিলেন মানুষই সবকিছুর মানদণ্ড?        •এই বিখ্যাত উক্তিটি যিনি করেছিলেন তিনি হলেন প্রাচীন গ্রিসের একজন প্রখ্যাত দার্শনিক, যার নাম প্রোটাগোরাস (Protagoras)।তাঁর মূল বক্তব্যটি ছিল-"মানুষই সবকিছুর মানদণ্ড, যা আছে তারও, আর যা নেই তারও।” ৪) পেত্রাক কেন বিখ্যাত?         •পেত্রাক (Francesco Petrarca) ছিলেন ১৪ শতকের (১৩০৪-১৩৭৪) একজন ...

অবক্ষয় যুগ। অষ্টাদশ-ঊনবিংশ শতাব্দীর সন্ধিক্ষণে বাঙালির অবক্ষয় যুগের পরিচয় দাও। এই সময়ে টপ্পা ও আখড়াই গানের উদ্ভব ও জনপ্রিয়তার সামাজিক কারণগুলি আলোচনা করো।

অবক্ষয় যুগ। অষ্টাদশ-ঊনবিংশ শতাব্দীর সন্ধিক্ষণে বাঙালির অবক্ষয় যুগের পরিচয় দাও। এই সময়ে টপ্পা ও আখড়াই গানের উদ্ভব ও জনপ্রিয়তার সামাজিক কারণগুলি আলোচনা করো। পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রথম সেমিস্টার বাংলা মাইনর।ইউনিট ৪।   অবক্ষয় যুগের পরিচয় এবং টপ্পা ও আখড়াই গানের সামাজিক কারণ ও অবক্ষয় যুগের পরিচয়          আমরা জানি যে,১৭৫৭ খ্রিস্টাব্দে পলাশীর যুদ্ধের পর থেকে ঊনবিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধ (১৮৫০ খ্রি.) পর্যন্ত সময়কালকে বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে 'অবক্ষয় যুগ' বা 'সন্ধিযুগ' বলা হয়।আর এটি ছিল মধ্যযুগের দেবনির্ভরতার অবসান এবং আধুনিক যুগের মানবতাবোধের সূচনার মধ্যবর্তী এক ক্রান্তিকাল।যেখানে এই সময়কালের প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলি  নিম্নরূপে আলোচনা করা যেতে পারে-        •রাজনৈতিক অস্থিরতাঃ নবাবী শাসনের পতন এবং ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির দেওয়ানি লাভের ফলে বাংলার পুরনো শাসন ও অর্থনৈতিক কাঠামো ভেঙে পড়ে।      •'বাবু' সংস্কৃতির উদয়ঃ ছিয়াত্তরের মন্বন্তর (১১৭৬ বঙ্গাব্দ) এবং চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের (১৭৯৩ খ্রি.) ফলে গ্রামীণ বনেদি সমাজ ধ্...