Skip to main content

 **পিএম যশস্বী স্কলারশিপ (PM YASASVI Scholarship)** হলো 

ভারত সরকারের সামাজিক ন্যায়বিচার ও ক্ষমতায়ন মন্ত্রক (Ministry of Social Justice and Empowerment) দ্বারা প্রবর্তিত একটি অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ জাতীয় স্কলারশিপ স্কিম। 

এই প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য হলো আর্থিক ও সামাজিকভাবে অনগ্রসর শ্রেণীর মেধাবী শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার পথ সুগম করা।


        •পিএম যশস্বী স্কলারশিপ কী?

"YASASVI" শব্দের পূর্ণরূপ হলো -PM Young Achievers Scholarship Award Scheme for Vibrant India**।

এই স্কিমের আওতায় প্রতি বছর স্কুল স্তরের (নবম এবং একাদশ শ্রেণী) যোগ্য শিক্ষার্থীদের চিহ্নিত করে তাদের পড়াশোনার খরচ চালানোর জন্য আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়। এটি মূলত একটি সেন্ট্রাল সেক্টর স্কিম, যার সম্পূর্ণ খরচ বহন করে কেন্দ্র সরকার।

           •আর্থিক সহায়তার পরিমাণ•

 নবম শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের জন্য:** প্রতি বছর সর্বোচ্চ **৭৫,০০০ টাকা।

 একাদশ শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের জন্য- প্রতি বছর সর্বোচ্চ ১,২৫,০০০ টাকা।

*(এই টাকা দিয়ে শিক্ষার্থীরা তাদের স্কুলের টিউশন ফি, হোস্টেল ফি এবং অন্যান্য শিক্ষাগত খরচ মেটাতে পারে।)*

কারা এই স্কলারশিপ পেতে পারে? (যোগ্যতার মাপকাঠি)

যশস্বী স্কলারশিপ পাওয়ার জন্য আবেদনকারীকে অবশ্যই নির্দিষ্ট কিছু শর্ত পূরণ করতে হবে:

১. সামাজিক ও অর্থনৈতিক শ্রেণী (Category)

আবেদনকারী শিক্ষার্থীকে অবশ্যই নিম্নলিখিত অনগ্রসর শ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত হতে হবে:

 * **OBC** (Other Backward Classes)

 * **EBC** (Economically Backward Classes)

 * **DNT** (Denotified, Nomadic, and Semi-Nomadic Tribes)

### ২. পারিবারিক আয় (Family Income)

 * শিক্ষার্থীর পরিবারের বার্ষিক আয় সমস্ত উৎস মিলিয়ে **২.৫০ লক্ষ (২,৫০,০০০) টাকার বেশি হওয়া চলবে না**।

### ৩. শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং শ্রেণী (Academic Class)

 * শিক্ষার্থীকে অবশ্যই সরকার অনুমোদিত কোনো নামী বিদ্যালয় (Top Class School)-এর **নবম (Class 9)** অথবা **একাদশ (Class 11)** শ্রেণীর নিয়মিত (Regular) ছাত্র বা ছাত্রী হতে হবে।

 * পূর্ববর্তী পরীক্ষায় (যেমন ৮ম বা ১০ম শ্রেণীতে) ভালো শিক্ষাগত রেকর্ড থাকা বাঞ্ছনীয়।

### ৪. অন্যান্য শর্তাবলী

 * আবেদনকারীকে অবশ্যই ভারতের স্থায়ী নাগরিক হতে হবে।

 * একজন শিক্ষার্থী কেবল একটি নির্দিষ্ট শ্রেণীর জন্যই এই সুবিধার আবেদন করতে পারবে।

## নির্বাচন প্রক্রিয়া (Selection Process)

পূর্বে এই স্কলারশিপের জন্য ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি (NTA) একটি প্রবেশিকা পরীক্ষা (YET) নিত। তবে সাম্প্রতিক নিয়ম অনুযায়ী, অনেক ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের **অষ্টম ও দশম শ্রেণীর প্রাপ্ত নম্বরের মেধার (Merit) ভিত্তিতে** এবং **National Scholarship Portal (NSP)**-এর মাধ্যমে সরাসরি নির্বাচন করা হয়ে থাকে।

> **বিশেষ দ্রষ্টব্য:** প্রতি বছর আবেদনের নির্দিষ্ট সময়সীমা এবং নিয়মে সামান্য পরিবর্তন হতে পারে। বিস্তারিত ও পুঙ্খানুপুঙ্খ তথ্যের জন্য ভারত সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট **scholarships.gov.in** ফলো করা জরুরি।

আপনার এই খসড়াটিতে কোনো নির্দিষ্ট বিষয় (যেমন আবেদনের নথিপত্র বা পরীক্ষার সিলেবাস) আরও বিস্তারিত যুক্ত করতে হবে কি?


Comments

Popular posts from this blog

একটি সার্থক গীতিকাব্যের পরিচয়।

  একটি সার্থক গীতিকাব্যের পরিচয়-সারদা মঙ্গল               গীতিকাব্য হলো এক ধরনের কবিতা, যার মধ্যে দিয়ে ব্যক্তির আবেগ, অনুভূতি এবং অভিজ্ঞতাগুলিকে ছন্দ ওর সংগীতের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়। তবে এখানে কবিতাগুলি খুবই ছোট আকারের হয়, আর সেখানে কবির ব্যক্তিগত অনুভূতির গভীরতা ও আন্তরিকতা প্রকাশ পায়। আর এই প্রেক্ষিতে আমরা বলতে পারি গীতি কবিতার সংকলন হলো গীতিকাব্য। ব্যঞ্জনাময় ও সংহত ।  গীতিকাব্যের বৈশিষ্ট্য  গীতিকাব্যের কিছু প্রধান বৈশিষ্ট্য নিচে আলোচনা করা হলো: ১. ব্যক্তিগত অনুভূতি ও আবেগ প্রকাশ: এটি গীতিকাব্যের প্রধান বৈশিষ্ট্য। এখানে কবি নিজের ব্যক্তিগত অনুভূতি, প্রেম, বিরহ, আনন্দ বা বিষাদের কথা তুলে ধরেন। ২. সংক্ষিপ্ততা: গীতিকাব্য সাধারণত দীর্ঘ হয় না। অল্প কয়েকটি স্তবকের মধ্যে কবি তাঁর ভাবনা সম্পূর্ণভাবে প্রকাশ করেন। ৩. সুর ও ছন্দের প্রাধান্য: গীতিকাব্য মূলত সুর করে আবৃত্তি করার জন্য রচিত হয়। তাই এতে সুর ও ছন্দের প্রতি বিশেষ মনোযোগ দেওয়া হয়। ৪. আত্মগতভাব: গীতিকাব্যে বাইরের জগতের বর্ণনা না দিয়ে কবির নিজের মনের ভেতরের জগতের প্রতি মনোযোগ ...

পঞ্চম সেমিস্টার ইতিহাস মাইনর সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর ।

পঞ্চম সেমিস্টার ইতিহাস মাইনর সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর  ১) শিল্প বিপ্লব কবে কোথায় প্রথম ঘটেছিল?         উত্তর - প্রথম শিল্প বিপ্লব শুরু হয়েছিল ইংল্যান্ডে (গ্রেট ব্রিটেন)। এটি প্রধানত অষ্টাদশ শতকের মাঝামাঝি সময়ে শুরু হয়ে প্রায় ১৭৬০ থেকে ১৮৪০ খ্রিস্টাব্দ-এর মধ্যে ঘটেছিল। ২) কৃষ্ণমৃত্যু কী?            • কৃষ্ণমৃত্যু (Black Death) হলো মানব ইতিহাসের এক ভয়াবহ মহামারি।এটি ছিল মূলত প্লেগ (Plague) রোগ, যা Yersinia pestis নামক ব্যাকটেরিয়ার কারণে সৃষ্টি হয়েছিল।এটি প্রধানত ১৩৪৬ থেকে ১৩৫৩ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে ইউরোপ, এশিয়া (ইউরেশিয়া) এবং উত্তর আফ্রিকাজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছিল। ৩) কে বলেছিলেন মানুষই সবকিছুর মানদণ্ড?        •এই বিখ্যাত উক্তিটি যিনি করেছিলেন তিনি হলেন প্রাচীন গ্রিসের একজন প্রখ্যাত দার্শনিক, যার নাম প্রোটাগোরাস (Protagoras)।তাঁর মূল বক্তব্যটি ছিল-"মানুষই সবকিছুর মানদণ্ড, যা আছে তারও, আর যা নেই তারও।” ৪) পেত্রাক কেন বিখ্যাত?         •পেত্রাক (Francesco Petrarca) ছিলেন ১৪ শতকের (১৩০৪-১৩৭৪) একজন ...

অবক্ষয় যুগ। অষ্টাদশ-ঊনবিংশ শতাব্দীর সন্ধিক্ষণে বাঙালির অবক্ষয় যুগের পরিচয় দাও। এই সময়ে টপ্পা ও আখড়াই গানের উদ্ভব ও জনপ্রিয়তার সামাজিক কারণগুলি আলোচনা করো।

অবক্ষয় যুগ। অষ্টাদশ-ঊনবিংশ শতাব্দীর সন্ধিক্ষণে বাঙালির অবক্ষয় যুগের পরিচয় দাও। এই সময়ে টপ্পা ও আখড়াই গানের উদ্ভব ও জনপ্রিয়তার সামাজিক কারণগুলি আলোচনা করো। পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রথম সেমিস্টার বাংলা মাইনর।ইউনিট ৪।   অবক্ষয় যুগের পরিচয় এবং টপ্পা ও আখড়াই গানের সামাজিক কারণ ও অবক্ষয় যুগের পরিচয়          আমরা জানি যে,১৭৫৭ খ্রিস্টাব্দে পলাশীর যুদ্ধের পর থেকে ঊনবিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধ (১৮৫০ খ্রি.) পর্যন্ত সময়কালকে বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে 'অবক্ষয় যুগ' বা 'সন্ধিযুগ' বলা হয়।আর এটি ছিল মধ্যযুগের দেবনির্ভরতার অবসান এবং আধুনিক যুগের মানবতাবোধের সূচনার মধ্যবর্তী এক ক্রান্তিকাল।যেখানে এই সময়কালের প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলি  নিম্নরূপে আলোচনা করা যেতে পারে-        •রাজনৈতিক অস্থিরতাঃ নবাবী শাসনের পতন এবং ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির দেওয়ানি লাভের ফলে বাংলার পুরনো শাসন ও অর্থনৈতিক কাঠামো ভেঙে পড়ে।      •'বাবু' সংস্কৃতির উদয়ঃ ছিয়াত্তরের মন্বন্তর (১১৭৬ বঙ্গাব্দ) এবং চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের (১৭৯৩ খ্রি.) ফলে গ্রামীণ বনেদি সমাজ ধ্...