Skip to main content

দর্শন চতুর্থ সেমিস্টার সাজেশন ২০২৬

 West Bengal State University                                          4th. Semester                                                    Philosophy Minor                                                   Suggestion2026 

2.Answer any two question from the following ( নিম্নলিখিত যেকোনো দুটি প্রশ্নের উত্তর দাও)।

**• নৈতিক ও অনৈতিক ক্রিয়ার মধ্যে পার্থক্য লেখো।

**• কান্টের নিঃশর্ত আদেশ তত্ত্বটি সংক্ষিপ্ত টীকা লেখো।

•বৌদ্ধ দর্শনে নির্বাণ বলতে কী বোঝায়?

**• জৈন দর্শনে যে অনুব্রত ও মহাব্রত-র মধ্যে পার্থক্য নির্দেশ করা হয়েছে তা লেখো।

**• মনস্তাত্ত্বিক ও নৈতিক সুখবাদের মধ্যে পার্থক্য লেখো।

**• বৌদ্ধ দর্শন প্রবর্তিত পঞ্চশীল নীতির লক্ষ্য কী?

•মিল ও বেন্থামের উপযোগবাদের মধ্যে পার্থক্যটি লেখো।

• বৌদ্ধ দর্শনে নির্বাণ বলতে কী বোঝায়? 

**•বৌদ্ধ দর্শন প্রবর্তিত পঞ্চশীলের লক্ষ্য কী?

**• অকাম ও সকাম কর্মের পার্থক্য লেখো।

**•চার্বাক মতে 'কাম'-কে কেন পরম পুরুষার্থ বলা হয়েছে?

**• নৈতিক বিচারের বিষয়বস্তু (Object of Moral Judgment) কী—উদ্দেশ্য (Intention) নাকি অভিপ্রায় (Motive) পার্থক্য লেখো।

• উদ্দেশ্যমূলক নীতি তত্ত্ব (Teleological) এবং কর্তব্যমূলক নীতি তত্ত্বের (Deontological) মধ্যে প্রধান পার্থক্যগুলি কী কী?

• চোখের বদলে চোখ এবং দাঁতের বদলে দাঁত"— এই উক্তিটি শাস্তির কোন্ তত্ত্বকে সমর্থন করে? তত্ত্বটি সংক্ষেপে ব্যাখ্যা করো।

3. Answer any two questions from the following( নিম্নলিখিত যে-কোনো দুটি প্রশ্নের উত্তর দাও )

**√৩) পুরুষার্থ কাকে বলে? বিভিন্ন প্রকার পুরুষার্থ ও তাদের পারস্পরিক সম্বন্ধ আলোচনা কর। এই প্রসঙ্গে মোক্ষকে পরম পুরুষার্থ বলা হয় কেন, আলোচনা করো।২০

***√• পঞ্চশীল নীতির বিস্তৃত বিবরণ দাও। বৌদ্ধদের প্রবর্তিত পঞ্চশীলের লক্ষ্য কী?বৌদ্ধ দর্শন অবলম্বনে ব্যাখ্যা করো।২

√•নৈতিক বিচার বলতে কি বুঝায়? নৈতিক বিচারের প্রকৃত বিষয়বস্তু কি? বিচারমূলকভাবে তা আলোচনা করো।২০

• মনস্তাত্ত্বিক সুখবাদ ও নৈতিক সুখবাদের মধ্যে পার্থক্য লেখো। প্রথমটিতে থেকে কি দ্বিতীয়টিতে আসা যায়? আলোচনা করো।২০

***✓• শাস্তি সম্বন্ধে প্রতিশোধাত্মক মতবাদ ব্যাখ্যা ও বিচার করো।২০

**•শাস্তি সম্পর্কে বিভিন্ন তত্ত্বগুলি সংক্ষিপ্ত আলোচনা করো।কোন তত্ত্বটিকে তুমি সন্তোষজনক বলে মনে করো এবং কেন

***• শর্তহীন আদেশ বা অনুজ্ঞা কাকে বলে? কান্ট কেন নৈতিক নিয়মকে শর্তহীন আদেশ বা অনুজ্ঞা বলেছেন, তা ব্যাখ্যা করো।২০

√••• ভারতীয় নীতিতত্ত্বে কোনটিকে পরম পুরুষার্থ বলে মনে করা হয় এবং কেন? ২১

• কান্ট প্রবর্তিত কর্তব্যমুখী নীতি তত্ত্বটি ব্যাখ্যা ও বিচার করো।

•কান্টের নীতিবিদ্যার মূল ভিত্তি 'সদিচ্ছা' (Good will) ধারণাটি ব্যাখ্যা করো। কান্ট কেন সদিচ্ছাকে একমাত্র শর্তহীন কল্যাণ বা পরম বস্তু বলেছেন?।

**•তুমি কি মনে করো যে কর্মবাদ মুক্তির অন্তরায়? নিজের উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দাও।২৩

**•বেন্থামের সুখবাদী কলন বা সুখের পরিমাপক পদ্ধতিটি (Hedonistic Calculus) ব্যাখ্যা করো। এই তত্ত্বটি কেন ত্রুটিপূর্ণ?




Comments

Popular posts from this blog

একটি সার্থক গীতিকাব্যের পরিচয়।

  একটি সার্থক গীতিকাব্যের পরিচয়-সারদা মঙ্গল               গীতিকাব্য হলো এক ধরনের কবিতা, যার মধ্যে দিয়ে ব্যক্তির আবেগ, অনুভূতি এবং অভিজ্ঞতাগুলিকে ছন্দ ওর সংগীতের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়। তবে এখানে কবিতাগুলি খুবই ছোট আকারের হয়, আর সেখানে কবির ব্যক্তিগত অনুভূতির গভীরতা ও আন্তরিকতা প্রকাশ পায়। আর এই প্রেক্ষিতে আমরা বলতে পারি গীতি কবিতার সংকলন হলো গীতিকাব্য। ব্যঞ্জনাময় ও সংহত ।  গীতিকাব্যের বৈশিষ্ট্য  গীতিকাব্যের কিছু প্রধান বৈশিষ্ট্য নিচে আলোচনা করা হলো: ১. ব্যক্তিগত অনুভূতি ও আবেগ প্রকাশ: এটি গীতিকাব্যের প্রধান বৈশিষ্ট্য। এখানে কবি নিজের ব্যক্তিগত অনুভূতি, প্রেম, বিরহ, আনন্দ বা বিষাদের কথা তুলে ধরেন। ২. সংক্ষিপ্ততা: গীতিকাব্য সাধারণত দীর্ঘ হয় না। অল্প কয়েকটি স্তবকের মধ্যে কবি তাঁর ভাবনা সম্পূর্ণভাবে প্রকাশ করেন। ৩. সুর ও ছন্দের প্রাধান্য: গীতিকাব্য মূলত সুর করে আবৃত্তি করার জন্য রচিত হয়। তাই এতে সুর ও ছন্দের প্রতি বিশেষ মনোযোগ দেওয়া হয়। ৪. আত্মগতভাব: গীতিকাব্যে বাইরের জগতের বর্ণনা না দিয়ে কবির নিজের মনের ভেতরের জগতের প্রতি মনোযোগ ...

পঞ্চম সেমিস্টার ইতিহাস মাইনর সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর ।

পঞ্চম সেমিস্টার ইতিহাস মাইনর সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর  ১) শিল্প বিপ্লব কবে কোথায় প্রথম ঘটেছিল?         উত্তর - প্রথম শিল্প বিপ্লব শুরু হয়েছিল ইংল্যান্ডে (গ্রেট ব্রিটেন)। এটি প্রধানত অষ্টাদশ শতকের মাঝামাঝি সময়ে শুরু হয়ে প্রায় ১৭৬০ থেকে ১৮৪০ খ্রিস্টাব্দ-এর মধ্যে ঘটেছিল। ২) কৃষ্ণমৃত্যু কী?            • কৃষ্ণমৃত্যু (Black Death) হলো মানব ইতিহাসের এক ভয়াবহ মহামারি।এটি ছিল মূলত প্লেগ (Plague) রোগ, যা Yersinia pestis নামক ব্যাকটেরিয়ার কারণে সৃষ্টি হয়েছিল।এটি প্রধানত ১৩৪৬ থেকে ১৩৫৩ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে ইউরোপ, এশিয়া (ইউরেশিয়া) এবং উত্তর আফ্রিকাজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছিল। ৩) কে বলেছিলেন মানুষই সবকিছুর মানদণ্ড?        •এই বিখ্যাত উক্তিটি যিনি করেছিলেন তিনি হলেন প্রাচীন গ্রিসের একজন প্রখ্যাত দার্শনিক, যার নাম প্রোটাগোরাস (Protagoras)।তাঁর মূল বক্তব্যটি ছিল-"মানুষই সবকিছুর মানদণ্ড, যা আছে তারও, আর যা নেই তারও।” ৪) পেত্রাক কেন বিখ্যাত?         •পেত্রাক (Francesco Petrarca) ছিলেন ১৪ শতকের (১৩০৪-১৩৭৪) একজন ...

অবক্ষয় যুগ। অষ্টাদশ-ঊনবিংশ শতাব্দীর সন্ধিক্ষণে বাঙালির অবক্ষয় যুগের পরিচয় দাও। এই সময়ে টপ্পা ও আখড়াই গানের উদ্ভব ও জনপ্রিয়তার সামাজিক কারণগুলি আলোচনা করো।

অবক্ষয় যুগ। অষ্টাদশ-ঊনবিংশ শতাব্দীর সন্ধিক্ষণে বাঙালির অবক্ষয় যুগের পরিচয় দাও। এই সময়ে টপ্পা ও আখড়াই গানের উদ্ভব ও জনপ্রিয়তার সামাজিক কারণগুলি আলোচনা করো। পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রথম সেমিস্টার বাংলা মাইনর।ইউনিট ৪।   অবক্ষয় যুগের পরিচয় এবং টপ্পা ও আখড়াই গানের সামাজিক কারণ ও অবক্ষয় যুগের পরিচয়          আমরা জানি যে,১৭৫৭ খ্রিস্টাব্দে পলাশীর যুদ্ধের পর থেকে ঊনবিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধ (১৮৫০ খ্রি.) পর্যন্ত সময়কালকে বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে 'অবক্ষয় যুগ' বা 'সন্ধিযুগ' বলা হয়।আর এটি ছিল মধ্যযুগের দেবনির্ভরতার অবসান এবং আধুনিক যুগের মানবতাবোধের সূচনার মধ্যবর্তী এক ক্রান্তিকাল।যেখানে এই সময়কালের প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলি  নিম্নরূপে আলোচনা করা যেতে পারে-        •রাজনৈতিক অস্থিরতাঃ নবাবী শাসনের পতন এবং ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির দেওয়ানি লাভের ফলে বাংলার পুরনো শাসন ও অর্থনৈতিক কাঠামো ভেঙে পড়ে।      •'বাবু' সংস্কৃতির উদয়ঃ ছিয়াত্তরের মন্বন্তর (১১৭৬ বঙ্গাব্দ) এবং চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের (১৭৯৩ খ্রি.) ফলে গ্রামীণ বনেদি সমাজ ধ্...