Skip to main content

 বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে **শাক্ত পদাবলী** একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও জনপ্রিয় অধ্যায়। স্নাতক (BA), স্নাতকোত্তর (MA) এবং বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক ও বোর্ড পরীক্ষার জন্য উপযোগী ১০ এবং ৫ নম্বরের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নাবলি নিচে দেওয়া হলো:

## ১০ নম্বরের প্রশ্নাবলি (রচনাধর্মী প্রশ্ন)

১. **রামপ্রসাদ সেনের শাক্ত পদাবলীর সাধারণ বৈশিষ্ট্য ও কৃতিত্ব আলোচনা করো।**

*(বা, "বাংলা শাক্ত পদাবলীতে রামপ্রসাদ সেনের অবদান আলোচনা করো।")*

২. **শাক্ত পদাবলীর ধারায় কবি কমলাকান্ত ভট্টাচার্যের কবিপ্রতিভা ও বিশিষ্টতা আলোচনা করো।**

৩. **আগমনী ও বিজয়ার পদের সামাজিক প্রেক্ষাপট ও গুরুত্ব আলোচনা করো। এখানে কীভাবে তৎকালীন বঙ্গজীবনের পারিবারিক চিত্র ফুটে উঠেছে?**

৪. **শাক্ত পদাবলীকে কেন ‘বাঙালির প্রাণের কাব্য’ বা ‘পারিবারিক গীতি’ বলা হয়? উপযুক্ত উদাহরণসহ বুঝিয়ে দাও।**

৫. **বৈষ্ণব পদাবলী ও শাক্ত পদাবলীর তুলনামূলক আলোচনা করো। উভয় সাহিত্যের মূল সুরের পার্থক্য কোথায়?**

৬. **‘সাধনসংক্রান্ত পদ’ বা ‘তত্ত্বকথা’ কীভাবে রামপ্রসাদ ও অন্যান্য শাক্ত কবিদের পদে কাব্যরসে রূপান্তরিত হয়েছে, তা উদাহরণসহ আলোচনা করো।**

## ৫ নম্বরের প্রশ্নাবলি (সংক্ষিপ্ত/ব্যাখ্যাধর্মী প্রশ্ন)

১. **শাক্ত পদাবলীতে ‘আগমনী’ ও ‘বিজয়া’ পর্যায় বলতে কী বোঝায়? সংক্ষেপে লেখো।**

২. **“মা আমায় ঘুরাবি কত / অন্ধচোখে বলদ যথ” — চরণটির তাৎপর্য বা কাব্য সৌন্দর্য বিশ্লেষণ করো।**

৩. **রামপ্রসাদ সেন ও কমলাকান্ত ভট্টাচার্যের পদের মধ্যে সুর ও মেজাজের মূল পার্থক্য কী?**

৪. **‘মনপ্রসাদ’ বা আত্মবোধমূলক পদের সংক্ষিপ্ত পরিচয় দাও।**

৫. **শাক্ত পদাবলীতে মাতৃত্ব ও বাৎসল্য রসের প্রকাশ কীভাবে ঘটেছে?**

৬. **“কখনও পুরুষ কখনও নারী” — শাক্ত পদাবলীতে অভেদ তত্ত্বের যে সংকেত পাওয়া যায়, তা সংক্ষেপে বুঝিয়ে দাও।**

৭. **শাক্ত পদাবলীর প্রধান কবিদের নাম এবং তাঁদের আবির্ভাবের আনুমানিক সময় সংক্ষেপে উল্লেখ করো।**

### 💡 পরীক্ষার জন্য কয়েকটি প্রয়োজনীয় টিপস:

 * **উদ্ধৃতি (Quotes):** উত্তর লেখার সময় রামপ্রসাদ বা কমলাকান্তের অন্তত ২-৩টি জনপ্রিয় পদের চরণ উদ্ধৃত করলে উত্তরে ভালো নম্বর পাওয়া যায়।

 * **সামাজিক দিক:** ‘আগমনী-বিজয়া’র উত্তর লেখার সময় অষ্টাদশ শতকের বাংলার বাল্যবিবাহ, কন্যার দুঃখ এবং বাঙালি মায়ের বাৎসল্য রসের মানবিক দিকটি বিশেষভাবে ফুটিয়ে তুলবে।


Comments

Popular posts from this blog

একটি সার্থক গীতিকাব্যের পরিচয়।

  একটি সার্থক গীতিকাব্যের পরিচয়-সারদা মঙ্গল               গীতিকাব্য হলো এক ধরনের কবিতা, যার মধ্যে দিয়ে ব্যক্তির আবেগ, অনুভূতি এবং অভিজ্ঞতাগুলিকে ছন্দ ওর সংগীতের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়। তবে এখানে কবিতাগুলি খুবই ছোট আকারের হয়, আর সেখানে কবির ব্যক্তিগত অনুভূতির গভীরতা ও আন্তরিকতা প্রকাশ পায়। আর এই প্রেক্ষিতে আমরা বলতে পারি গীতি কবিতার সংকলন হলো গীতিকাব্য। ব্যঞ্জনাময় ও সংহত ।  গীতিকাব্যের বৈশিষ্ট্য  গীতিকাব্যের কিছু প্রধান বৈশিষ্ট্য নিচে আলোচনা করা হলো: ১. ব্যক্তিগত অনুভূতি ও আবেগ প্রকাশ: এটি গীতিকাব্যের প্রধান বৈশিষ্ট্য। এখানে কবি নিজের ব্যক্তিগত অনুভূতি, প্রেম, বিরহ, আনন্দ বা বিষাদের কথা তুলে ধরেন। ২. সংক্ষিপ্ততা: গীতিকাব্য সাধারণত দীর্ঘ হয় না। অল্প কয়েকটি স্তবকের মধ্যে কবি তাঁর ভাবনা সম্পূর্ণভাবে প্রকাশ করেন। ৩. সুর ও ছন্দের প্রাধান্য: গীতিকাব্য মূলত সুর করে আবৃত্তি করার জন্য রচিত হয়। তাই এতে সুর ও ছন্দের প্রতি বিশেষ মনোযোগ দেওয়া হয়। ৪. আত্মগতভাব: গীতিকাব্যে বাইরের জগতের বর্ণনা না দিয়ে কবির নিজের মনের ভেতরের জগতের প্রতি মনোযোগ ...

পঞ্চম সেমিস্টার ইতিহাস মাইনর সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর ।

পঞ্চম সেমিস্টার ইতিহাস মাইনর সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর  ১) শিল্প বিপ্লব কবে কোথায় প্রথম ঘটেছিল?         উত্তর - প্রথম শিল্প বিপ্লব শুরু হয়েছিল ইংল্যান্ডে (গ্রেট ব্রিটেন)। এটি প্রধানত অষ্টাদশ শতকের মাঝামাঝি সময়ে শুরু হয়ে প্রায় ১৭৬০ থেকে ১৮৪০ খ্রিস্টাব্দ-এর মধ্যে ঘটেছিল। ২) কৃষ্ণমৃত্যু কী?            • কৃষ্ণমৃত্যু (Black Death) হলো মানব ইতিহাসের এক ভয়াবহ মহামারি।এটি ছিল মূলত প্লেগ (Plague) রোগ, যা Yersinia pestis নামক ব্যাকটেরিয়ার কারণে সৃষ্টি হয়েছিল।এটি প্রধানত ১৩৪৬ থেকে ১৩৫৩ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে ইউরোপ, এশিয়া (ইউরেশিয়া) এবং উত্তর আফ্রিকাজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছিল। ৩) কে বলেছিলেন মানুষই সবকিছুর মানদণ্ড?        •এই বিখ্যাত উক্তিটি যিনি করেছিলেন তিনি হলেন প্রাচীন গ্রিসের একজন প্রখ্যাত দার্শনিক, যার নাম প্রোটাগোরাস (Protagoras)।তাঁর মূল বক্তব্যটি ছিল-"মানুষই সবকিছুর মানদণ্ড, যা আছে তারও, আর যা নেই তারও।” ৪) পেত্রাক কেন বিখ্যাত?         •পেত্রাক (Francesco Petrarca) ছিলেন ১৪ শতকের (১৩০৪-১৩৭৪) একজন ...

চতুর্থ সেমিস্টার জেনারেল ইতিহাস ছোট প্রশ্ন ২০২১

 *১) সুজাউদ্দৌলা কে ছিলেন বা মুর্শিদকুলি খাঁর মৃত্যুর পর কে বাংলার নবাব হন?  উত্তর - সুজা উদ্দৌলা আয়ুধের সুবেদার নবাব ছিলেন। মুর্শিদকুলি খাঁর মৃত্যুর পর তার জামাতা বাংলার নবাব  হন ১৭৫৪-১৭৭৫ খ্রীস্টাব্দ পর্যন্ত। নবাব থাকাকালীন তিনি বক্সারের যুদ্ধ এবং পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছিলেন। *২) কোন সালে রেগুলেটিং আইন জারি করা হয়েছিল? উত্তর - ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির দুর্নীতি দূরীকরণ, গঠন বিন্যাস ও নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্রিটিশ সরকার ১৭৭৩ খ্রিস্টাব্দে রেগুলেটিং আইন প্রণয়ন করেন। আর সেই আইনে বলা হয় বাংলা বোম্বাই ও মাদ্রাজে ১ করে কাউন্সিল থাকবে। *৩) শ্রী রঙ্গপত্তমের সন্ধিতে স্বাক্ষরকারী কারা কারা ছিলেন ?কখন এই সন্ধিটি স্বাক্ষরিত হয়েছিল? উত্তর - তৃতীয় ইঙ্গ মহীশূর যুদ্ধের অবসান হয়েছিল শ্রীরঙ্গপত্তমের সন্ধির দ্বারা। আর এই সন্ধিতে ঠিক হয় টিপু সুলতান ইংরেজদের তিন কোটি টাকা এবং জামিন স্বরূপ তার দুই পুত্রকে দিতে বাধ্য হবেন। এছাড়া বিজিত অঞ্চল ইংরাজ, মারাঠা ও নিজামের মধ্যে বন্টিত হল। যে সন্ধির দুটি পক্ষ ছিল একদিকে ছিলেন টিপু সুলতান এবং অপরদিকে ছিলেন ইংরেজ। সময়কালটি ছি...