Skip to main content

চতুর্থ সেমিস্টার বাংলা মেজর ডি এস ৫ টিক।

 পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের (WBSU) চতুর্থ সেমিস্টার বাংলা মেজরের 'কাব্য ও নাটকের রূপভেদ' অধ্যায় থেকে পরীক্ষায় ৫ নম্বরের জন্য **সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ৬টি সম্ভাব্য প্রশ্ন** নিচে দেওয়া হলো:

CBCS     CC10

কাব্যের রূপভেদ থেকে ৩টি প্রশ্ন

 1. **সাহিত্যিক মহাকাব্য বা প্রথাগত মহাকাব্যের বৈশিষ্ট্য আলোচনা করো।**

   * *পরীক্ষায় আসার কারণ:* মহাকাব্যের রূপভেদ থেকে প্রতি বছরই প্রশ্ন থাকে। সাহিত্যিক juমহাকাব্যের উদাহরণ হিসেবে মাইকেল মধুসূদন দত্তের *'মেঘনাদবধ কাব্য'*—এর উল্লেখ উল্লেখসহ বৈশিষ্ট্যগুলো রেডি রাখবেন।

 2. **গীতিকাব্যের সংজ্ঞা দাও এবং এর প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলো সংক্ষেপে লেখো।**

   * *পরীক্ষায় আসার কারণ:* বাংলা কাব্যের অন্যতম প্রধান রূপভেদ গীতিকাব্য। কবি আত্মনিষ্ঠতা, সুরধর্মিতা ও সংক্ষিপ্ততার কথা উল্লেখ করে উত্তর সাজাতে হবে।

 3. **সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতার গঠনরীতি (অষ্টক ও ষট্ক) উদাহরণসহ আলোচনা করো।**

   * *পরীক্ষায় আসার কারণ:* সনেটের মিলবিন্যাস (ইতালীয় ও শেক্সপীয়রীয়) এবং ভাব পরিবর্তনের কেন্দ্রবিন্দু নিয়ে ৫ নম্বরের টেকনিক্যাল প্রশ্ন প্রায়ই আসে।

মহাকাব্য ও গীতিকাব্যের পার্থক্য: ৫টি মূল পার্থক্যের পয়েন্ট তৈরি করে রাখুন।




### 🎭 নাটকের রূপভেদ থেকে ৩টি প্রশ্ন

 4. **ট্র্যাজেডি নাটকের মূল লক্ষণ বা বৈশিষ্ট্যগুলো সংক্ষেপে ব্যাখ্যা করো।**

   * *পরীক্ষায় আসার কারণ:* এরিস্টটলের নাট্যতত্ত্বের আলোকে 'ক্যাথারসিস', 'হ্যামারশিয়া' বা নায়কের পতন সম্পর্কিত সংজ্ঞাসহ ৫ নম্বরের উত্তর অত্যন্ত কমন।

 5. **প্রহসন (Farce) কাকে বলে? সমাজসংস্কারে প্রহসনের ভূমিকা উদাহরণসহ আলোচনা করো।**

   * *পরীক্ষায় আসার কারণ:* বাংলা নাটকের বিকাশে প্রহসনের ভূমিকা অপরিসীম। মধুসূদন ও দিনবন্ধু মিত্রের প্রহসনের উদাহরণ দিয়ে উত্তরটি তৈরি রাখবেন।

 6. **রূপক-সাংকেতিক নাটক বা একাঙ্ক নাটকের সংক্ষিপ্ত পরিচয় দাও।**

   * *পরীক্ষায় আসার কারণ:* আধুনিক নাট্যরীতির মধ্যে রবীন্দ্রনাথের রূপক-সাংকেতিক নাটক (*ডাকঘর*, *রক্তকরবী*) কিংবা একাঙ্ক নাটকের সময়সীমা ও একমুখী কাহিনী প্রবাহ থেকে একটি সংক্ষিপ্ত টীকাধর্মী প্রশ্ন আসার সম্ভাবনা প্রবল।


ট্র্যাজেডি (Tragedy): ট্র্যাজেডি নাটকের মূল উপাদান ও লক্ষণগুলো ব্যাখ্যা করুন।

​কমেডি (Comedy): কমেডির প্রকারভেদ ও প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলো লিখুন।

​ট্র্যাজেডি ও কমেডির পার্থক্য: তুলনামূলক পার্থক্যগুলো পয়েন্ট আকারে রেডি রাখুন।



💡 **পরামর্শ:** ৫ নম্বরের উত্তরের জন্য সংজ্ঞার সাথে সাথে অন্তত **২-৩টি বাংলা সাহিত্য থেকে উপযুক্ত উদাহরণ** দেবেন। এতে পূর্ণ নম্বর পাওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যায়।


      •বাংলা প্রবন্ধ-নিবন্ধ ও কথা সাহিত্যের রূপভেদ• 


পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের (WBSU) চতুর্থ সেমিস্টার বাংলা মেজরের সাহিত্যতত্ত্ব/রূপভেদ অংশ থেকে **'প্রবন্ধ-নিবন্ধ'** এবং **'কথাসাহিত্য' (উপন্যাস ও ছোটগল্প)** অংশ থেকে পরীক্ষায় ৫ নম্বরের সংক্ষিপ্ত উত্তরধর্মী প্রশ্নের জন্য **সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ৬টি সম্ভাব্য প্রশ্ন** নিচে দেওয়া হলো:

### 📝 ১. প্রবন্ধ ও নিবন্ধের রূপভেদ থেকে ৩টি প্রশ্ন

 1. **তন্ময় (বস্তুনিষ্ঠ/বস্তুমুখী) ও মন্ময় (আত্মনিষ্ঠ/ব্যক্তিপ্রধান) প্রবন্ধের মূল পার্থক্য সংক্ষেপে আলোচনা করো।**

   * *পরীক্ষায় আসার কারণ:* প্রবন্ধের প্রাথমিক ও প্রধান শ্রেণীবিভাগ এটি। রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী, বঙ্কিমচন্দ্র বা রবীন্দ্রনাথের প্রবন্ধের উদাহরণ যুক্ত করে পার্থক্যের মূল পয়েন্টগুলো সাজাতে হবে।

 2. **ব্যক্তিপ্রধান বা রম্যরচনার প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলো কী কী? বাংলা সাহিত্যে রম্যরচনার স্থান সংক্ষেপে লেখো।**

   * *পরীক্ষায় আসার কারণ:* 'Personal Essay' বা রম্যরচনা (যেমন: পারশুরাম বা সৈয়দ মুজতবা আলীর রচনা) থেকে ৫ নম্বরের প্রশ্ন খুব কমন। এর হালকা চালের রসিকতা, ব্যক্তিগত দৃষ্টিভঙ্গি ও নমনীয় গঠনশৈলী উল্লেখ করতে হবে।

 3. **গবেষণামূলক/তথ্যভিত্তিক প্রবন্ধ বা সাহিত্য সমালোচনাধর্মী নিবন্ধের সংজ্ঞা ও মূল লক্ষণগুলো লেখো।**

   * *পরীক্ষায় আসার কারণ:* বস্তুনিষ্ঠ প্রবন্ধের অধীনে একাডেমিক বা সমালোচনামূলক নিবন্ধের গঠনরীতি ও ভাষাভঙ্গি নিয়ে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।

### 📖 ২. কথাসাহিত্যের রূপভেদ থেকে ৩টি প্রশ্ন

 4. **ছোটগল্পের প্রধান বৈশিষ্ট্য বা লক্ষণগুলো সংক্ষেপে ব্যাখ্যা করো।**

   * *পরীক্ষায় আসার কারণ:* কথাসাহিত্যের রূপভেদের মধ্যে ছোটগল্পের "একমুখী ভাবনা", "একনিবিষ্টতা" এবং রবীন্দ্রনাথের ভাষায় *"শেষ হয়ে হইলো না শেষ"*—এই নাট্যমুহূর্ত বা ক্লাইম্যাক্সের ধারণা থেকে ৫ নম্বরের প্রশ্ন আসার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি।

 5. **ছোটগল্প ও উপন্যাসের মূল গঠনগত ও বিষয়গত পার্থক্য আলোচনা করো।**

   * *পরীক্ষায় আসার কারণ:* আয়তন, চরিত্রসংখ্যা, জীবনের আংশিক প্রকাশ বনাম সমগ্রতার বৈপরীত্য তুলে ধরে এই তুলনামূলক প্রশ্নটি প্রায় প্রতি বছরই ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে দেওয়া হয়।

 6. **ঐতিহাসিক উপন্যাস বা সামাজিক উপন্যাসের বৈশিষ্ট্য ও সীমানা সংক্ষেপে লেখো।**

   * *পরীক্ষায় আসার কারণ:* উপন্যাসের বিভিন্ন প্রকারভেদের মধ্যে ঐতিহাসিক উপন্যাস (ইতিহাস ও কল্পনার মিশ্রণ) অথবা সামাজিক/আঞ্চালিক উপন্যাসের লক্ষণ সম্পর্কিত ৫ নম্বরের প্রশ্ন আসার সম্ভাবনা প্রবল। (বঙ্কিমচন্দ্রের *রাজসিংহ* বা রবীন্দ্রনাথের নাট্য-উপন্যাসের প্রসঙ্গ টেনে লেখা যেতে পারে)।

💡 **উত্তর সাজানোর কৌশল:**

 * প্রবন্ধ বা উপন্যাসের ক্ষেত্রে স্পষ্ট সংজ্ঞা দিয়ে শুরু করবেন।

 * অন্তত ৩ থেকে ৪টি পয়েন্টে বৈশিষ্ট্যসমূহ লিখবেন।

 * বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বা প্রমথ চৌধুরীর বিখ্যাত রচনা থেকে **২-৩টি যথার্থ উদাহরণ** অবশ্যই যুক্ত করবেন।


       • কাব্য জিজ্ঞাসা অতুল চন্দ্র গুপ্ত ইউনিট ৩

অতুলচন্দ্র গুপ্তের বিখ্যাত গ্রন্থ **‘কাব্যজিজ্ঞাসা’** (মূলত অলংকারশাস্ত্র, ধ্বনিবাদ ও রসবাদ) থেকে পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় (WBSU) সহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সেমিস্টার পরীক্ষায় ৫ নম্বরের জন্য **সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ৩টি সম্ভাব্য প্রশ্ন** নিচে দেওয়া হলো:

### 📌 'কাব্যজিজ্ঞাসা' থেকে ৫ নম্বরের উপযোগী ৩টি প্রধান প্রশ্ন

 1. **অতুলচন্দ্র গুপ্তের 'কাব্যজিজ্ঞাসা' গ্রন্থ অবলম্বনে 'কাব্যলক্ষন' বা কাব্যের সংজ্ঞা সংক্ষেপে আলোচনা করো।**

   * *কেন গুরুত্বপূর্ণ:* গ্রন্থের প্রারম্ভিক অধ্যায়ে কবি ও আলংকারিকদের মতামত বিশ্লেষণ করে কাব্যের যে মৌলিক লক্ষণ নির্দেশ করা হয়েছে, তা ৫ নম্বরের জন্য অত্যন্ত কমন ও গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।

   * *উত্তরের মূল দিক:* বিশ্বনাথ কবিরাজের *"বাক্যং রসাত্মকং কাব্যম্"* এবং ভামহ ও আনন্দবর্ধনের মতবাদ উল্লেখ করে অতুলচন্দ্র কীভাবে শব্দ, অর্থ ও রসের সম্পর্ককে ব্যাখ্যা করেছেন তা পয়েন্ট আকারে লিখতে হবে।

 2. **অতুলচন্দ্র গুপ্ত কীভাবে 'ধ্বনি' ও 'রস'-এর পারস্পরিক সম্পর্ক ব্যাখ্যা করেছেন? সংক্ষেপে লেখো।**

   * *কেন গুরুত্বপূর্ণ:* 'কাব্যজিজ্ঞাসা' মূলত আনন্দবর্ধনের 'ধ্বন্যালোক' ও অভিনবগুপ্তের 'লোচন' টীকার ওপর ভিত্তি করে রচিত। তাই কাব্যে 'ধ্বনি' (ব্যঞ্জনা) কীভাবে 'রস' নিষ্পত্তিতে সাহায্য করে, তা এই অধ্যায়ের কেন্দ্রীয় বিষয়।

   * *উত্তরের মূল দিক:* বাচ্যার্থ ও ব্যঙ্গ্যাংশের পার্থক্য, এবং ধ্বনি কীভাবে কাব্যের আত্মা হিসেবে রসোদ্বোধ ঘটায়—তা সংক্ষেপে উপস্থাপন করতে হবে।

 3. **'কাব্যজিজ্ঞাসা' অনুসরণে 'রসাস্বাদ' বা 'রস নিষ্পত্তি' বলতে কী বোঝায়?**

   * *কেন গুরুত্বপূর্ণ:* ভারতীয় নান্দনিকতায় এবং অতুলচন্দ্র গুপ্তের বিশ্লেষণে সাধারণ লৌকিক অনুভূতি কীভাবে অলৌকিক ‘রসে’ রূপান্তরিত হয়, তা ৫ নম্বরের সংক্ষিপ্ত প্রশ্নের জন্য অত্যন্ত সম্ভাব্য।

   * *উত্তরের মূল দিক:* স্থায়ী ভাব (রতি, শোক ইত্যাদি), বিভাব, অনুভাব ও ব্যভিচারী ভাবের মেলবন্ধনে পাঠকের মনে কীভাবে ব্রহ্মানন্দ সহোদর রসাস্বাদ ঘটে—তার মূল কথাটি সংক্ষেপে লিখতে হবে।

💡 **উত্তর লেখার টিপস:**

অতুলচন্দ্র গুপ্ত সংস্কৃত অলংকারশাস্ত্রের জটিল তত্ত্বগুলোকে খুব সহজ ও স্পষ্ট বাংলায় উপস্থাপন করেছেন। তাই উত্তর লেখার সময় সংস্কৃত শ্লোক/সূত্র (যেমন: *বাক্যং রসাত্মকং কাব্যম্*) উদ্ধৃত করে অতুলচন্দ্র সেটিকে কীভাবে ব্যাখ্যা করেছেন, তা ২-৩টি অনুচ্ছেদে গুছিয়ে লিখলে পাঁচে ভালো নম্বর পাওয়া যাবে।


 নির্বাচিত প্রবন্ধ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ইউনিট ৪ 

আপনার সিলেবাসে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের **‘সাহিত্য’ (১৩১৪)** গ্রন্থের বিশেষ এই ৫টি নির্দিষ্ট প্রবন্ধ পাঠ্য রয়েছে:

 1. **সাহিত্যের তাৎপর্য**

 2. **সাহিত্যের সামগ্রী**

 3. **সাহিত্যের বিচারক**

 4. **সাহিত্যের উদ্দেশ্য**

 5. **সাহিত্য ও সৌন্দর্য**

এই নির্দিষ্ট পাঠ্য প্রবন্ধগুলোর ওপর ভিত্তি করে পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের (WBSU) চতুর্থ সেমিস্টার বাংলা মেজরের পরীক্ষায় **৫ নম্বরের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ৪টি সম্ভাব্য প্রশ্ন** নিচে দেওয়া হলো:

### 📌 পাঠ্য প্রবন্ধসমূহ থেকে ৫ নম্বরের ৪টি প্রধান প্রশ্ন

 1. **‘সাহিত্যের তাৎপর্য’ প্রবন্ধ অবলম্বনে ‘মানুষের হৃদয়ের প্রকাশ ব্যাকুলতা’ কীভাবে সাহিত্যের জন্ম দেয়—তা সংক্ষেপে লেখো।**

   * *কেন গুরুত্বপূর্ণ:* রবীন্দ্রনাথ এই প্রবন্ধে দেখিয়েছেন যে, মানুষ প্রয়োজনের তাগিদে বিজ্ঞানের চর্চা করে, কিন্তু হৃদয়ের অনুভূতি ও আনন্দকে অন্যের কাছে ব্যক্ত করার আকুলতা থেকেই সাহিত্যের উৎপত্তি। ৫ নম্বরের জন্য এটি অন্যতম প্রধান মৌলিক প্রশ্ন।

 2. **রবীন্দ্রনাথের ‘সাহিত্যের সামগ্রী’ প্রবন্ধ অনুসরণে সাহিত্যের বিষয়বস্তু বা উপাদান কী হওয়া উচিত—তা ব্যাখ্যা করো।**

   * *কেন গুরুত্বপূর্ণ:* জগৎ ও জীবনের সাধারণ বা অসাধারণ সব কিছুই কীভাবে সাহিত্যিকের হৃদয়ে রঞ্জিত হয়ে সাহিত্যের ‘সামগ্রী’ বা উপাদানে পরিণত হয়, তা এই প্রশ্নের মূল আলোচ্য বিষয়।

 3. **‘সাহিত্যের বিচারক’ প্রবন্ধে রবীন্দ্রনাথ সাহিত্যের বিচারপদ্ধতি বা একজন প্রকৃত বিচারকের ভূমিকা কীভাবে নির্দেশ করেছেন?**

   * *কেন গুরুত্বপূর্ণ:* বিচারক কেবল ব্যাকরণ বা বাহ্যিক নিয়ম দিয়ে সাহিত্য বিচার করেন না; হৃদয়ের সহানুভূতি ও নান্দনিক দৃষ্টিভঙ্গি দিয়ে সাহিত্যের বিচার কীভাবে করা উচিত—তা নিয়ে এটি খুব সম্ভাবনাময় প্রশ্ন।

 4. **‘সাহিত্যের উদ্দেশ্য’ অথবা ‘সাহিত্য ও সৌন্দর্য’ প্রবন্ধের আলোকে রবীন্দ্রনাথ কীভাবে সাহিত্য ও সৌন্দর্যের অবিনাশী সম্পর্ক ব্যাখ্যা করেছেন?**

   * *কেন গুরুত্বপূর্ণ:* সাহিত্যে সৌন্দর্যের স্থান কেবল রূপ বর্ণনায় নয়, বরং সত্য ও আনন্দের উপলব্ধিতে—এই দার্শনিক ধারণাটি ৫ নম্বরের সংক্ষিপ্ত প্রশ্নের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

💡 **পরীক্ষার প্রস্তুতির টিপস:**

 * প্রতিটি প্রশ্নের উত্তরে প্রবন্ধের মূল তত্ত্বটি স্পষ্ট করে লিখবেন।

 * রবীন্দ্রনাথের মূল বক্তব্য বোঝাতে প্রবন্ধের ১-২টি গুরুত্বপূর্ণ লাইন উদ্ধৃতি (Quotation) হিসেবে ব্যবহার করলে পাঁচে খুব ভালো নম্বর পাওয়া যায়।



হ্যাঁ, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের **‘সাহিত্য’ (১৩১৪)** গ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত এই ৫টি নির্ধারিত প্রবন্ধ থেকে ৫ নম্বরের জন্য আরও কয়েকটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও কৌশলী প্রশ্ন আসার সম্ভাবনা রয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষায় অনেক সময় মূল বক্তব্যটি সরাসরি না দিয়ে **প্রবন্ধের বিখ্যাত কিছু চরণ বা উদ্ধৃতি তুলে** প্রশ্ন করা হয়। নিচে এমন **৪টি সম্ভাব্য অতিরিক্ত প্রশ্ন** দেওয়া হলো:

### 📌 উদ্ধৃতিভিত্তিক ও অতিরিক্ত সম্ভাব্য প্রশ্নাবলী (৫ নম্বর)

 1. **"মানুষ আপনার অভাব দূর করিবার জন্য একটা কারখানা খুলিয়াছে, আর আপনার আনন্দ প্রকাশ করিবার জন্য সাহিত্যকে জন্ম দিয়াছে।"**

   * **প্রশ্ন:** ‘সাহিত্যের তাৎপর্য’ প্রবন্ধ অনুসরণে উক্তিটির অন্তর্নিহিত অর্থ সংক্ষেপে ব্যাখ্যা করো।

   * *কেন গুরুত্বপূর্ণ:* রবীন্দ্রনাথের সাহিত্যতত্ত্বের মূল কথা—‘প্রয়োজন’ ও ‘প্রচ্ছন্দ/আনন্দ’-এর পার্থক্যটি বুঝতে এই উক্তিভিত্তিক প্রশ্নটি ভীষণ কমন।

 2. **"বিশ্বজগতের যাহা কিছু মানুষের হৃদয়কে স্পর্শ করে, তাহাই সাহিত্যের সামগ্রী।"**

   * **প্রশ্ন:** ‘সাহিত্যের সামগ্রী’ প্রবন্ধের আলোকে উক্তিটির তাৎপর্য বিশ্লেষণ করো।

   * *কেন গুরুত্বপূর্ণ:* সাহিত্যের উপাদান কোনো নির্দিষ্ট বা বিশেষ বস্তুর মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, মানুষের অনুভূতির সংস্পর্শে যা আসে তা-ই সাহিত্য—এই ধারণাটি ব্যাখ্যা করতে হবে।

 3. **‘সাহিত্যের বিচারক’ প্রবন্ধ অবলম্বনে ‘সাময়িক বিচারক’ এবং ‘সর্বকালের বিচারক’ বা ‘কাল’-এর মধ্যে পার্থক্য আলোচনা করো।**

   * *কেন গুরুত্বপূর্ণ:* রবীন্দ্রনাথ দেখিয়েছেন, সমকালীন সমালোচক বা বিচারক ভুল করতে পারেন, কিন্তু চূড়ান্ত বিচার করে ‘কাল’ বা সময়। এই তুলনামূলক আলোচনাটি ৫ নম্বরের রূপরেখায় প্রায়ই আসে।

 4. **‘সাহিত্য ও সৌন্দর্য’ প্রবন্ধে রবীন্দ্রনাথ কীভাবে ‘সত্য’ ও ‘সুন্দর’-এর অভেদ সম্পর্ক তুলে ধরেছেন?**

   * *কেন গুরুত্বপূর্ণ:* "সত্যই সুন্দর, আর সুন্দরই সত্য"—এই নান্দনিক ভাবনাটি রবীন্দ্রনাথের সাহিত্যদর্শনের প্রাণ। সাহিত্যে সৌন্দর্যের পরিমাপ কীভাবে সত্যের উপলব্ধির সাথে যুক্ত, তা সংক্ষেপে রেডি রাখবেন।

### 💡 পরীক্ষায় ভালো নম্বর পাওয়ার টিপস:

এই উত্তরগুলোতে **রবীন্দ্রনাথের মূল প্রবন্ধের ভাষা ও পারিভাষিক শব্দ** (যেমন: *অপ্রয়োজনের আনন্দ, হৃদয়-সংবেদনশীলতা, সৌন্দর্যচেতনা*) ব্যবহার করলে এবং উত্তরটি পয়েন্ট আকারে ৩-৪টি অনুচ্ছেদে সাজালে পুরো ৫ নম্বর পাওয়ার সুযোগ থাকে।




২) ক)• গাথা কাব্য২৫, প্রহসন, সাহিত্যিক মহাকাব্য, পৌরাণিক নাটক,মেলোড্রামা ২৫,

 একাঙ্ক নাটক,

খ)• জীবনী সাহিত্য,রোমান্স, রম্য রচনা25, অনুগল্প২৫, সামাজিক উপন্যাস, পত্রসাহিত্য আঞ্চলিক উপন্যাস,


গ)• কাব্যং গ্রাহ্যম অলংকারৎ আলোচনা করো। •সাধারণীকরণ বলতে কী বোঝো২০২৫.

•রীতি আত্মা কাব্যস্য আলোচনা করো।


ঘ) • হৃদয়ের ভাব উদ্রেক করিতে সাজসরঞ্জাম অনেক লাগে ব্যাখ্যা করো।

•..... চিত্র এবং সংগীতই সাহিত্যের প্রধান উপকরণ ব্যাখ্যা করো।

• অনেক পন্ডিত ভবিষ্যৎবাণী প্রচার করেন যে, সভ্যতা বিস্তারের সঙ্গে সঙ্গে সাহিত্যের বিনাশ হয়ে গিয়ে যদি হয় তবে সভ্যতারও বিনাশ হইবে সভ্যতা ও সাহিত্যের মধ্যে সম্পর্কের স্বরূপটি পরিচয় দাও।

• "সৃষ্টির ন্যায়, সাহিত্য সাহিত্যের উদ্দেশ্য"-ব্যাখ্যা করো। ২০২৫.



Comments

Popular posts from this blog

একটি সার্থক গীতিকাব্যের পরিচয়।

  একটি সার্থক গীতিকাব্যের পরিচয়-সারদা মঙ্গল               গীতিকাব্য হলো এক ধরনের কবিতা, যার মধ্যে দিয়ে ব্যক্তির আবেগ, অনুভূতি এবং অভিজ্ঞতাগুলিকে ছন্দ ওর সংগীতের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়। তবে এখানে কবিতাগুলি খুবই ছোট আকারের হয়, আর সেখানে কবির ব্যক্তিগত অনুভূতির গভীরতা ও আন্তরিকতা প্রকাশ পায়। আর এই প্রেক্ষিতে আমরা বলতে পারি গীতি কবিতার সংকলন হলো গীতিকাব্য। ব্যঞ্জনাময় ও সংহত ।  গীতিকাব্যের বৈশিষ্ট্য  গীতিকাব্যের কিছু প্রধান বৈশিষ্ট্য নিচে আলোচনা করা হলো: ১. ব্যক্তিগত অনুভূতি ও আবেগ প্রকাশ: এটি গীতিকাব্যের প্রধান বৈশিষ্ট্য। এখানে কবি নিজের ব্যক্তিগত অনুভূতি, প্রেম, বিরহ, আনন্দ বা বিষাদের কথা তুলে ধরেন। ২. সংক্ষিপ্ততা: গীতিকাব্য সাধারণত দীর্ঘ হয় না। অল্প কয়েকটি স্তবকের মধ্যে কবি তাঁর ভাবনা সম্পূর্ণভাবে প্রকাশ করেন। ৩. সুর ও ছন্দের প্রাধান্য: গীতিকাব্য মূলত সুর করে আবৃত্তি করার জন্য রচিত হয়। তাই এতে সুর ও ছন্দের প্রতি বিশেষ মনোযোগ দেওয়া হয়। ৪. আত্মগতভাব: গীতিকাব্যে বাইরের জগতের বর্ণনা না দিয়ে কবির নিজের মনের ভেতরের জগতের প্রতি মনোযোগ ...

পঞ্চম সেমিস্টার ইতিহাস মাইনর সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর ।

পঞ্চম সেমিস্টার ইতিহাস মাইনর সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর  ১) শিল্প বিপ্লব কবে কোথায় প্রথম ঘটেছিল?         উত্তর - প্রথম শিল্প বিপ্লব শুরু হয়েছিল ইংল্যান্ডে (গ্রেট ব্রিটেন)। এটি প্রধানত অষ্টাদশ শতকের মাঝামাঝি সময়ে শুরু হয়ে প্রায় ১৭৬০ থেকে ১৮৪০ খ্রিস্টাব্দ-এর মধ্যে ঘটেছিল। ২) কৃষ্ণমৃত্যু কী?            • কৃষ্ণমৃত্যু (Black Death) হলো মানব ইতিহাসের এক ভয়াবহ মহামারি।এটি ছিল মূলত প্লেগ (Plague) রোগ, যা Yersinia pestis নামক ব্যাকটেরিয়ার কারণে সৃষ্টি হয়েছিল।এটি প্রধানত ১৩৪৬ থেকে ১৩৫৩ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে ইউরোপ, এশিয়া (ইউরেশিয়া) এবং উত্তর আফ্রিকাজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছিল। ৩) কে বলেছিলেন মানুষই সবকিছুর মানদণ্ড?        •এই বিখ্যাত উক্তিটি যিনি করেছিলেন তিনি হলেন প্রাচীন গ্রিসের একজন প্রখ্যাত দার্শনিক, যার নাম প্রোটাগোরাস (Protagoras)।তাঁর মূল বক্তব্যটি ছিল-"মানুষই সবকিছুর মানদণ্ড, যা আছে তারও, আর যা নেই তারও।” ৪) পেত্রাক কেন বিখ্যাত?         •পেত্রাক (Francesco Petrarca) ছিলেন ১৪ শতকের (১৩০৪-১৩৭৪) একজন ...

অবক্ষয় যুগ। অষ্টাদশ-ঊনবিংশ শতাব্দীর সন্ধিক্ষণে বাঙালির অবক্ষয় যুগের পরিচয় দাও। এই সময়ে টপ্পা ও আখড়াই গানের উদ্ভব ও জনপ্রিয়তার সামাজিক কারণগুলি আলোচনা করো।

অবক্ষয় যুগ। অষ্টাদশ-ঊনবিংশ শতাব্দীর সন্ধিক্ষণে বাঙালির অবক্ষয় যুগের পরিচয় দাও। এই সময়ে টপ্পা ও আখড়াই গানের উদ্ভব ও জনপ্রিয়তার সামাজিক কারণগুলি আলোচনা করো। পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রথম সেমিস্টার বাংলা মাইনর।ইউনিট ৪।   অবক্ষয় যুগের পরিচয় এবং টপ্পা ও আখড়াই গানের সামাজিক কারণ ও অবক্ষয় যুগের পরিচয়          আমরা জানি যে,১৭৫৭ খ্রিস্টাব্দে পলাশীর যুদ্ধের পর থেকে ঊনবিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধ (১৮৫০ খ্রি.) পর্যন্ত সময়কালকে বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে 'অবক্ষয় যুগ' বা 'সন্ধিযুগ' বলা হয়।আর এটি ছিল মধ্যযুগের দেবনির্ভরতার অবসান এবং আধুনিক যুগের মানবতাবোধের সূচনার মধ্যবর্তী এক ক্রান্তিকাল।যেখানে এই সময়কালের প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলি  নিম্নরূপে আলোচনা করা যেতে পারে-        •রাজনৈতিক অস্থিরতাঃ নবাবী শাসনের পতন এবং ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির দেওয়ানি লাভের ফলে বাংলার পুরনো শাসন ও অর্থনৈতিক কাঠামো ভেঙে পড়ে।      •'বাবু' সংস্কৃতির উদয়ঃ ছিয়াত্তরের মন্বন্তর (১১৭৬ বঙ্গাব্দ) এবং চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের (১৭৯৩ খ্রি.) ফলে গ্রামীণ বনেদি সমাজ ধ্...