Skip to main content

প্রতি,                                                                    অধ্যক্ষ,                                                              হিঙ্গলগঞ্জ মহাবিদ্যালয়,                                        হিঙ্গলগঞ্জ, উত্তর ২৪ পরগনা                                   ৭৪৩৪৩৫

বিষয়ঃ সেপ্টেম্বর ২০২৬ মাসের সাম্মানিক ভাতার সাথে দুর্গাপূজার প্রীতি বোনাস মঞ্জুরের আবেদন পত্র।

মাননীয় অধ্যক্ষ মহাশয় সমীপে,

         শ্রদ্ধানিবেদনপূর্বক বিনীত নিবেদন এই যে, আমরা আপনার প্রিয় হিঙ্গলগঞ্জ মহাবিদ্যালয়ের নিষ্ঠাবান অস্থায়ী শিক্ষাকর্মী।আর সেখানে প্রতিষ্ঠানের উন্নতি, সেবায় ও কর্মে নিজেকে প্রতিনিয়ত যুক্ত রাখতে পেরে আমরা গর্বিত।সামনে বাঙালির সর্বশ্রেষ্ঠ আনন্দ উৎসব দুর্গাপূজা। বর্তমানের কঠিন আর্থিক পরিস্থিতিতে উৎসবের দিনগুলিতে পরিবার ও সন্তানদের মুখে একটু আনন্দের হাসি ফোটাতে আপনার স্নেহাশিস,সহায়তাও    সহৃয়তা একান্ত্য কাম্য। সেপ্টেম্বর ২০২৬ মাসের সাম্মানিক ভাতার সাথে বিগত বছর গুলির ন্যায় সরকারের নিয়ম অনুসারে শারদীয় বোনাস মঞ্জুর করা হলে আমরা অশেষ উপকৃত হব।তবে হ্যাঁ,আপনার এই সহমর্মিতা আমাদের উৎসবে যেমন আলো জ্বালাবে, তেমনই কর্মপ্রেরণাও বহুগুণ বাড়িয়ে তুলবে।

        অতএব, আপনার সুগভীর মানবিক বিবেচনার ওপর পূর্ণ আস্থা রেখে প্রার্থনা করছি, উক্ত বিষয়ে সহানুভূতিশীল সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে আমাদের কৃতজ্ঞ করবেন।

                             ধন্যবাদান্তে ও সশ্রদ্ধ প্রণামান্তে,                                                            বিনীত,

হিঙ্গলগঞ্জ মহাবিদ্যালয়

তারিখ-১১-০৯-২০২৬


      













 শ্রদ্ধানিবেদনপূর্বক বিনীত নিবেদন এই যে, আমরা আপনার স্নেহধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিঙ্গলগঞ্জ মহাবিদ্যালয়ের নিষ্ঠাবান অস্থায়ী শিক্ষাকর্মী। প্রতিষ্ঠাতা-লগ্ন থেকে বা অতঃপরে আজ অবধি এই মহাবিদ্যালয়ের সুনাম ও পবিত্রতা রক্ষা করা আমাদের কেবল কর্মদায়িত্ব নয়, হৃদয়ের ব্রত বলে মনে করে এসেছি। গ্রামীণ পরিবেশের এই দীপশিখাটিকে প্রজ্বলিত রাখার ক্ষুদ্রতম প্রয়াসে আমাদের ঘাম ও শ্রমটুকু অকাতরে বিলিয়ে দিয়ে নিজেকে ধন্য মনে করি। আগামী অক্টোবর মাসে বাঙালি জাতির সর্বশ্রেষ্ঠ আনন্দ উৎসব—পবিত্র দুর্গাপূজা। কিন্তু বর্তমানের সামাজিক ও অর্থনৈতিক কঠিন বাস্তবতার সম্মুখীন হয়ে সংসারের নিত্যপ্রয়োজন মেটাতে গিয়ে আমাদের প্রাণ হাসফাঁস করে ওঠে। উৎসবের আলো যখন প্রতিটি ঘরে আনন্দের বার্তা নিয়ে আসে, তখন নিজের পরিবার ও সন্তানের মুখে একটি ফুটফুটে হাসি ফোটানোর আকাঙ্ক্ষা জাগা তো স্বাভাবিক মানবিক দুর্বলতা।

এমতাবস্থায়, সেপ্টেম্বর ২০২৬ মাসের নিয়মিত সাম্মানিক ভাতার সাথে যদি আমাদের জন্য একটি সামান্য শারদীয় উৎসব ভাতা (বোনাস) মঞ্জুর করার অনুকূল সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন, তবে এই শারদোৎসবে আমাদের কুঁড়েঘরেও আনন্দের প্রদীপ জ্বলে উঠবে। এই অর্থ কেবল আর্থিক সাহায্য নয়, আপনার পিতৃসুলভ অভিভাবকত্বের এক অপার আশিস হয়ে আমাদের উৎসাহ ও কর্ম উদ্দীপনাকে দ্বিগুণ করে তুলবে।

অতএব, আপনার সুগভীর সহমর্মিতা ও সদয় বিবেচনার প্রতি পূর্ণ আস্থা রেখে প্রার্থনা করছি, উক্ত বিষয়ে সহানুভূতিশীল সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে আমাদের কৃতজ্ঞতাপাশে আবদ্ধ করবেন।

ধন্যবাদান্তে ও সশ্রদ্ধ প্রণামান্তে,

বিনীত,

[আপনার নাম]

[আপনার পদবী/বিভাগ]

হিঙ্গলগঞ্জ মহাবিদ্যালয়

তারিখ: [তারিখ উল্লেখ করুন]


Comments

Popular posts from this blog

একটি সার্থক গীতিকাব্যের পরিচয়।

  একটি সার্থক গীতিকাব্যের পরিচয়-সারদা মঙ্গল               গীতিকাব্য হলো এক ধরনের কবিতা, যার মধ্যে দিয়ে ব্যক্তির আবেগ, অনুভূতি এবং অভিজ্ঞতাগুলিকে ছন্দ ওর সংগীতের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়। তবে এখানে কবিতাগুলি খুবই ছোট আকারের হয়, আর সেখানে কবির ব্যক্তিগত অনুভূতির গভীরতা ও আন্তরিকতা প্রকাশ পায়। আর এই প্রেক্ষিতে আমরা বলতে পারি গীতি কবিতার সংকলন হলো গীতিকাব্য। ব্যঞ্জনাময় ও সংহত ।  গীতিকাব্যের বৈশিষ্ট্য  গীতিকাব্যের কিছু প্রধান বৈশিষ্ট্য নিচে আলোচনা করা হলো: ১. ব্যক্তিগত অনুভূতি ও আবেগ প্রকাশ: এটি গীতিকাব্যের প্রধান বৈশিষ্ট্য। এখানে কবি নিজের ব্যক্তিগত অনুভূতি, প্রেম, বিরহ, আনন্দ বা বিষাদের কথা তুলে ধরেন। ২. সংক্ষিপ্ততা: গীতিকাব্য সাধারণত দীর্ঘ হয় না। অল্প কয়েকটি স্তবকের মধ্যে কবি তাঁর ভাবনা সম্পূর্ণভাবে প্রকাশ করেন। ৩. সুর ও ছন্দের প্রাধান্য: গীতিকাব্য মূলত সুর করে আবৃত্তি করার জন্য রচিত হয়। তাই এতে সুর ও ছন্দের প্রতি বিশেষ মনোযোগ দেওয়া হয়। ৪. আত্মগতভাব: গীতিকাব্যে বাইরের জগতের বর্ণনা না দিয়ে কবির নিজের মনের ভেতরের জগতের প্রতি মনোযোগ ...

পঞ্চম সেমিস্টার ইতিহাস মাইনর সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর ।

পঞ্চম সেমিস্টার ইতিহাস মাইনর সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর  ১) শিল্প বিপ্লব কবে কোথায় প্রথম ঘটেছিল?         উত্তর - প্রথম শিল্প বিপ্লব শুরু হয়েছিল ইংল্যান্ডে (গ্রেট ব্রিটেন)। এটি প্রধানত অষ্টাদশ শতকের মাঝামাঝি সময়ে শুরু হয়ে প্রায় ১৭৬০ থেকে ১৮৪০ খ্রিস্টাব্দ-এর মধ্যে ঘটেছিল। ২) কৃষ্ণমৃত্যু কী?            • কৃষ্ণমৃত্যু (Black Death) হলো মানব ইতিহাসের এক ভয়াবহ মহামারি।এটি ছিল মূলত প্লেগ (Plague) রোগ, যা Yersinia pestis নামক ব্যাকটেরিয়ার কারণে সৃষ্টি হয়েছিল।এটি প্রধানত ১৩৪৬ থেকে ১৩৫৩ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে ইউরোপ, এশিয়া (ইউরেশিয়া) এবং উত্তর আফ্রিকাজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছিল। ৩) কে বলেছিলেন মানুষই সবকিছুর মানদণ্ড?        •এই বিখ্যাত উক্তিটি যিনি করেছিলেন তিনি হলেন প্রাচীন গ্রিসের একজন প্রখ্যাত দার্শনিক, যার নাম প্রোটাগোরাস (Protagoras)।তাঁর মূল বক্তব্যটি ছিল-"মানুষই সবকিছুর মানদণ্ড, যা আছে তারও, আর যা নেই তারও।” ৪) পেত্রাক কেন বিখ্যাত?         •পেত্রাক (Francesco Petrarca) ছিলেন ১৪ শতকের (১৩০৪-১৩৭৪) একজন ...

অবক্ষয় যুগ। অষ্টাদশ-ঊনবিংশ শতাব্দীর সন্ধিক্ষণে বাঙালির অবক্ষয় যুগের পরিচয় দাও। এই সময়ে টপ্পা ও আখড়াই গানের উদ্ভব ও জনপ্রিয়তার সামাজিক কারণগুলি আলোচনা করো।

অবক্ষয় যুগ। অষ্টাদশ-ঊনবিংশ শতাব্দীর সন্ধিক্ষণে বাঙালির অবক্ষয় যুগের পরিচয় দাও। এই সময়ে টপ্পা ও আখড়াই গানের উদ্ভব ও জনপ্রিয়তার সামাজিক কারণগুলি আলোচনা করো। পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রথম সেমিস্টার বাংলা মাইনর।ইউনিট ৪।   অবক্ষয় যুগের পরিচয় এবং টপ্পা ও আখড়াই গানের সামাজিক কারণ ও অবক্ষয় যুগের পরিচয়          আমরা জানি যে,১৭৫৭ খ্রিস্টাব্দে পলাশীর যুদ্ধের পর থেকে ঊনবিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধ (১৮৫০ খ্রি.) পর্যন্ত সময়কালকে বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে 'অবক্ষয় যুগ' বা 'সন্ধিযুগ' বলা হয়।আর এটি ছিল মধ্যযুগের দেবনির্ভরতার অবসান এবং আধুনিক যুগের মানবতাবোধের সূচনার মধ্যবর্তী এক ক্রান্তিকাল।যেখানে এই সময়কালের প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলি  নিম্নরূপে আলোচনা করা যেতে পারে-        •রাজনৈতিক অস্থিরতাঃ নবাবী শাসনের পতন এবং ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির দেওয়ানি লাভের ফলে বাংলার পুরনো শাসন ও অর্থনৈতিক কাঠামো ভেঙে পড়ে।      •'বাবু' সংস্কৃতির উদয়ঃ ছিয়াত্তরের মন্বন্তর (১১৭৬ বঙ্গাব্দ) এবং চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের (১৭৯৩ খ্রি.) ফলে গ্রামীণ বনেদি সমাজ ধ্...