Skip to main content

 প্রাপক,                                                                        মাননীয় শুভেন্দু অধিকারী                                          মুখ্যমন্ত্রী,                                                                  পশ্চিমবঙ্গ সরকার।

দ্বারা-                                                                        সভাপতি,                                                                    ভারতীয় জনতা পার্টি,                                                বসিরহাট সাংগঠনিক জেলা,উত্তর ২৪ পরগনা।

বিষয়ঃ হিঙ্গলগঞ্জ টাইগার্স ক্লাবের ৬৫তম শারদোৎসবের পুণ্য উদ্বোধনে প্রধান উদ্বোধক হিসেবে যোগদানের আমন্ত্রণ পত্র।

মহাশয়,

      শরতের স্নিগ্ধ আলো আর শিউলির গন্ধে সুবাসিত বাতাসে যখন মা দুর্গার মর্ত্যে আগমনের আগমনী সুর বেজে ওঠে, তখন বসিরহাট সাংগঠনিক জেলার সীমান্তঘেঁষা হিঙ্গলগঞ্জ টাইগার্স ক্লাবের পক্ষ থেকে আপনাকে জানাই আন্তরিক শারদীয় প্রীতি, শুভেচ্ছা ও শ্রদ্ধাঞ্জলি।আমাদের জানাতে আনন্দ হচ্ছে যে, ঐতিহ্যবাহী 'হিঙ্গলগঞ্জ টাইগার্স ক্লাব' চলতি বছরে তার গৌরবময় আলোকের ঝর্ণাধারায় ৬৫ তম বর্ষে পদার্পণ করতে চলেছে। দীর্ঘ সাড়ে ছয় দশকের এই পথচলায় আমাদের এই সার্বজনীন দুর্গোৎসব কেবল ধর্মীয় আচারেই সীমাবদ্ধ থাকেনি, বরং ইছামতী ও কালিন্দীর তীরবর্তী প্রান্তিক মানুষের আবেগ, মেলবন্ধন এবং এক মহামিলনের মিলনমেলায় পরিণত হয়েছে।

            এই ঐতিহাসিক বর্ষে আমাদের শারদ-অর্ঘ্যকে আরো মহিমান্বিত করে তুলতে এবং মণ্ডপে আনন্দের প্রদীপ প্রজ্জ্বলন করে পুণ্য সূচনা ঘটাতে আপনার শুভ উপস্থিতি আমাদের পরম কাম্য। আপনি আপনার সশ্রদ্ধ উপস্থিতিতে আমাদের মণ্ডপ প্রাঙ্গণ আলোকিত করে উৎসবের শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করলে হিঙ্গলগঞ্জের সর্বস্তরের মানুষ গভীরভাবে সম্মানিত ও আপ্লুত বোধ করব।শুধু তাই নয়,আপনার ব্যস্ততম সময়সূচির মধ্য থেকে একটি শুভ লগ্ন আমাদের দান করলে আমরা কৃতজ্ঞ থাকব। আপনার সদয় সম্মতি ও পদধূলি আমাদের এই উৎসবকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যাবে-এই বিশ্বাস আমাদের সুদৃঢ়।আশা করি, সীমান্তবাসীদের এই আন্তরিক ও সশ্রদ্ধ আহ্বান গ্রহণ করে আমাদের ধন্য করবেন।

ধন্যবাদ ও নিবেদনে-                                                    সম্পাদক, সভাপতি ও মণ্ডলী                                     হিঙ্গলগঞ্জ টাইগার্স ক্লাব,                                             হিঙ্গলগঞ্জ, উত্তর ২৪ পরগনা

যোগাযোগঃ                                                                তারিখঃ


Comments

Popular posts from this blog

একটি সার্থক গীতিকাব্যের পরিচয়।

  একটি সার্থক গীতিকাব্যের পরিচয়-সারদা মঙ্গল               গীতিকাব্য হলো এক ধরনের কবিতা, যার মধ্যে দিয়ে ব্যক্তির আবেগ, অনুভূতি এবং অভিজ্ঞতাগুলিকে ছন্দ ওর সংগীতের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়। তবে এখানে কবিতাগুলি খুবই ছোট আকারের হয়, আর সেখানে কবির ব্যক্তিগত অনুভূতির গভীরতা ও আন্তরিকতা প্রকাশ পায়। আর এই প্রেক্ষিতে আমরা বলতে পারি গীতি কবিতার সংকলন হলো গীতিকাব্য। ব্যঞ্জনাময় ও সংহত ।  গীতিকাব্যের বৈশিষ্ট্য  গীতিকাব্যের কিছু প্রধান বৈশিষ্ট্য নিচে আলোচনা করা হলো: ১. ব্যক্তিগত অনুভূতি ও আবেগ প্রকাশ: এটি গীতিকাব্যের প্রধান বৈশিষ্ট্য। এখানে কবি নিজের ব্যক্তিগত অনুভূতি, প্রেম, বিরহ, আনন্দ বা বিষাদের কথা তুলে ধরেন। ২. সংক্ষিপ্ততা: গীতিকাব্য সাধারণত দীর্ঘ হয় না। অল্প কয়েকটি স্তবকের মধ্যে কবি তাঁর ভাবনা সম্পূর্ণভাবে প্রকাশ করেন। ৩. সুর ও ছন্দের প্রাধান্য: গীতিকাব্য মূলত সুর করে আবৃত্তি করার জন্য রচিত হয়। তাই এতে সুর ও ছন্দের প্রতি বিশেষ মনোযোগ দেওয়া হয়। ৪. আত্মগতভাব: গীতিকাব্যে বাইরের জগতের বর্ণনা না দিয়ে কবির নিজের মনের ভেতরের জগতের প্রতি মনোযোগ ...

পঞ্চম সেমিস্টার ইতিহাস মাইনর সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর ।

পঞ্চম সেমিস্টার ইতিহাস মাইনর সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর  ১) শিল্প বিপ্লব কবে কোথায় প্রথম ঘটেছিল?         উত্তর - প্রথম শিল্প বিপ্লব শুরু হয়েছিল ইংল্যান্ডে (গ্রেট ব্রিটেন)। এটি প্রধানত অষ্টাদশ শতকের মাঝামাঝি সময়ে শুরু হয়ে প্রায় ১৭৬০ থেকে ১৮৪০ খ্রিস্টাব্দ-এর মধ্যে ঘটেছিল। ২) কৃষ্ণমৃত্যু কী?            • কৃষ্ণমৃত্যু (Black Death) হলো মানব ইতিহাসের এক ভয়াবহ মহামারি।এটি ছিল মূলত প্লেগ (Plague) রোগ, যা Yersinia pestis নামক ব্যাকটেরিয়ার কারণে সৃষ্টি হয়েছিল।এটি প্রধানত ১৩৪৬ থেকে ১৩৫৩ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে ইউরোপ, এশিয়া (ইউরেশিয়া) এবং উত্তর আফ্রিকাজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছিল। ৩) কে বলেছিলেন মানুষই সবকিছুর মানদণ্ড?        •এই বিখ্যাত উক্তিটি যিনি করেছিলেন তিনি হলেন প্রাচীন গ্রিসের একজন প্রখ্যাত দার্শনিক, যার নাম প্রোটাগোরাস (Protagoras)।তাঁর মূল বক্তব্যটি ছিল-"মানুষই সবকিছুর মানদণ্ড, যা আছে তারও, আর যা নেই তারও।” ৪) পেত্রাক কেন বিখ্যাত?         •পেত্রাক (Francesco Petrarca) ছিলেন ১৪ শতকের (১৩০৪-১৩৭৪) একজন ...

অবক্ষয় যুগ। অষ্টাদশ-ঊনবিংশ শতাব্দীর সন্ধিক্ষণে বাঙালির অবক্ষয় যুগের পরিচয় দাও। এই সময়ে টপ্পা ও আখড়াই গানের উদ্ভব ও জনপ্রিয়তার সামাজিক কারণগুলি আলোচনা করো।

অবক্ষয় যুগ। অষ্টাদশ-ঊনবিংশ শতাব্দীর সন্ধিক্ষণে বাঙালির অবক্ষয় যুগের পরিচয় দাও। এই সময়ে টপ্পা ও আখড়াই গানের উদ্ভব ও জনপ্রিয়তার সামাজিক কারণগুলি আলোচনা করো। পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রথম সেমিস্টার বাংলা মাইনর।ইউনিট ৪।   অবক্ষয় যুগের পরিচয় এবং টপ্পা ও আখড়াই গানের সামাজিক কারণ ও অবক্ষয় যুগের পরিচয়          আমরা জানি যে,১৭৫৭ খ্রিস্টাব্দে পলাশীর যুদ্ধের পর থেকে ঊনবিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধ (১৮৫০ খ্রি.) পর্যন্ত সময়কালকে বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে 'অবক্ষয় যুগ' বা 'সন্ধিযুগ' বলা হয়।আর এটি ছিল মধ্যযুগের দেবনির্ভরতার অবসান এবং আধুনিক যুগের মানবতাবোধের সূচনার মধ্যবর্তী এক ক্রান্তিকাল।যেখানে এই সময়কালের প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলি  নিম্নরূপে আলোচনা করা যেতে পারে-        •রাজনৈতিক অস্থিরতাঃ নবাবী শাসনের পতন এবং ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির দেওয়ানি লাভের ফলে বাংলার পুরনো শাসন ও অর্থনৈতিক কাঠামো ভেঙে পড়ে।      •'বাবু' সংস্কৃতির উদয়ঃ ছিয়াত্তরের মন্বন্তর (১১৭৬ বঙ্গাব্দ) এবং চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের (১৭৯৩ খ্রি.) ফলে গ্রামীণ বনেদি সমাজ ধ্...