Skip to main content

জীবনানন্দ দাশ-কবিতার কথা।।

জীবনানন্দ দাশ-কবিতার কথা।।  পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের (WBSU) সপ্তম সেমিস্টারের বাংলা মাইনর।

 

জীবনানন্দের কাব্যদর্শন ও প্রবান্ধিক চিন্তাধারা:

​‘কবিতার কথা’ প্রবন্ধ অবলম্বনে জীবনানন্দ দাশের কবিতা সম্পর্কিত মূল বক্তব্য ও কাব্যদর্শন বিস্তারিত আলোচনা করো।

​কবির সংজ্ঞা ও বৈশিষ্ট্য:

​“সকলেই কবি নয়। কেউ কেউ কবি” — কবি জীবনানন্দ দাশ কাকে এবং কেন ‘প্রকৃত কবি’ বলেছেন? তাঁর মতে একজন প্রকৃত কবির কী কী গুণাবলী থাকা আবশ্যক?

​কবিতার উপাদান ও সমকাল চেতনা:

​জীবনানন্দের মতে কবিতার মূল উপাদাদ বা উৎসগুলি কী কী? একজন কবির জীবনে ইতিহাসচেতনায় ও সমকালভাবনার গুরুত্ব প্রবন্ধ অনুসরণে আলোচনা করো।

​২. মাঝারি ও ব্যাখ্যাভিত্তিক প্রশ্ন (৫ নম্বর)

​কল্পনা ও চিত্ররূপময়তা:

​জীবনানন্দ দাশের মতে কবিমানসে 'কল্পনা' এবং 'চিত্ররূপময়তা'র (Imagery) গুরুত্ব ব্যাখ্যা করো।

​কবিতা ও অন্যান্য শিল্পমাধ্যম:

​কবিতা ও দর্শনের বা কবিতা ও বিজ্ঞানের সম্পর্ক বিষয়ে জীবনানন্দ দাশ ‘কবিতার কথা’ প্রবন্ধে কী মতামত ব্যক্ত করেছেন?

​উক্তিভিত্তিক ব্যাখ্যা:

​“কবিতা অনেক রকমের আছে” — বক্তব্যটির তাৎপর্য বিশ্লেষণ করো।

​“কবিতা লিখে সকলেই কবি হতে পারে না” — প্রবান্ধিকের এই মন্তব্যের অন্তর্নিহিত অর্থ লেখো।




১. রচনাধর্মী প্রশ্ন (১০ নম্বর)

 * জীবনানন্দের কাব্যদর্শন:

   * ‘কাব্যভাবনা’ প্রবন্ধ অবলম্বনে জীবনানন্দ দাশের নিজস্ব কাব্যচিন্তা ও কবিতা বিষয়ক মৌলিক ধারণাগুলি আলোচনা করো।

 * কবিতা ও কবির পরিচয়:

   * “সকলেই কবি নয়। কেউ কেউ কবি” — জীবনানন্দ দাশ কাকে প্রকৃত ‘কবি’ বলেছেন এবং কবি হওয়ার জন্য কী কী গুণের প্রয়োজন বলে মনে করেছেন, তা ‘কাব্যভাবনা’ অনুসরণে লেখো।

 * কবিতার উপাদান ও আধুনিকতা:

   * জীবনানন্দ দাশের মতে কবিতার মূল উপাদানগুলি কী কী? ঐতিহাসিক সচেতনতা ও সমকাল চেতনা কীভাবে তাঁর কাব্যভাবনাকে প্রভাবিত করেছে?

২. মাঝারি ও সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যাভিত্তিক প্রশ্ন (৫ নম্বর)

 * কল্পনাশক্তি ও রূপায়ন:

   * জীবনানন্দের মতে কবিমানসে 'কল্পনা' (Imagination) এবং 'চিত্ররূপময়তা'র ভূমিকা আলোচনা করো।

 * ভাবনা ও ছন্দ-রীতি:

   * কবিতার ছন্দ, শব্দচয়ন এবং কাব্যের অন্তর্নিরহিত সুর সম্পর্কে জীবনানন্দ দাশের মতামত 'কাব্যভাবনা' অনুসরণে বিশ্লেষণ করো।

 * জীবনবোধ ও সমাজভাবনা:

   * কবিতা কি কেবল সৌন্দর্যের উপাসনা নাকি জীবনের গভীর সত্যের প্রকাশ? ‘কাব্যভাবনা’ অংশ অবলম্বনে সংক্ষেপে বুঝিয়ে দাও।

 * তাৎপর্য বিশ্লেষণ:

   * “কবিতা লিখে সকলেই কবি হতে পারে না” অথবা “কবিতা অনেক রকমের আছে” — উদ্ধৃতিটির আলোক কবি কী বোঝাতে চেয়েছেন?

৩. অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন (২ নম্বর)

 * উক্তি ও ধারণামূলক:

   * “সকলেই কবি নয়। কেউ কেউ কবি” — উক্তিটি কার? কোন প্রবন্ধের অন্তর্গত?

   * জীবনানন্দ দাশের মতে একজন প্রকৃত কবির প্রধান দুটি গুণ বা বৈশিষ্ট্য কী কী?

   * জীবনানন্দের কাছে 'চিত্ররূপময়তা' বা 'কল্পনা' বলতে কী বোঝায়?

   * ‘কবিতার কথা’ গ্রন্থটি প্রথম কবে প্রকাশিত হয়?

   * জীবনানন্দ দাশের মতে কবিতার ভাষা ও গদ্যের ভাষার মধ্যে মূল পার্থক্য কী?


Comments

Popular posts from this blog

একটি সার্থক গীতিকাব্যের পরিচয়।

  একটি সার্থক গীতিকাব্যের পরিচয়-সারদা মঙ্গল               গীতিকাব্য হলো এক ধরনের কবিতা, যার মধ্যে দিয়ে ব্যক্তির আবেগ, অনুভূতি এবং অভিজ্ঞতাগুলিকে ছন্দ ওর সংগীতের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়। তবে এখানে কবিতাগুলি খুবই ছোট আকারের হয়, আর সেখানে কবির ব্যক্তিগত অনুভূতির গভীরতা ও আন্তরিকতা প্রকাশ পায়। আর এই প্রেক্ষিতে আমরা বলতে পারি গীতি কবিতার সংকলন হলো গীতিকাব্য। ব্যঞ্জনাময় ও সংহত ।  গীতিকাব্যের বৈশিষ্ট্য  গীতিকাব্যের কিছু প্রধান বৈশিষ্ট্য নিচে আলোচনা করা হলো: ১. ব্যক্তিগত অনুভূতি ও আবেগ প্রকাশ: এটি গীতিকাব্যের প্রধান বৈশিষ্ট্য। এখানে কবি নিজের ব্যক্তিগত অনুভূতি, প্রেম, বিরহ, আনন্দ বা বিষাদের কথা তুলে ধরেন। ২. সংক্ষিপ্ততা: গীতিকাব্য সাধারণত দীর্ঘ হয় না। অল্প কয়েকটি স্তবকের মধ্যে কবি তাঁর ভাবনা সম্পূর্ণভাবে প্রকাশ করেন। ৩. সুর ও ছন্দের প্রাধান্য: গীতিকাব্য মূলত সুর করে আবৃত্তি করার জন্য রচিত হয়। তাই এতে সুর ও ছন্দের প্রতি বিশেষ মনোযোগ দেওয়া হয়। ৪. আত্মগতভাব: গীতিকাব্যে বাইরের জগতের বর্ণনা না দিয়ে কবির নিজের মনের ভেতরের জগতের প্রতি মনোযোগ ...

পঞ্চম সেমিস্টার ইতিহাস মাইনর সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর ।

পঞ্চম সেমিস্টার ইতিহাস মাইনর সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর  ১) শিল্প বিপ্লব কবে কোথায় প্রথম ঘটেছিল?         উত্তর - প্রথম শিল্প বিপ্লব শুরু হয়েছিল ইংল্যান্ডে (গ্রেট ব্রিটেন)। এটি প্রধানত অষ্টাদশ শতকের মাঝামাঝি সময়ে শুরু হয়ে প্রায় ১৭৬০ থেকে ১৮৪০ খ্রিস্টাব্দ-এর মধ্যে ঘটেছিল। ২) কৃষ্ণমৃত্যু কী?            • কৃষ্ণমৃত্যু (Black Death) হলো মানব ইতিহাসের এক ভয়াবহ মহামারি।এটি ছিল মূলত প্লেগ (Plague) রোগ, যা Yersinia pestis নামক ব্যাকটেরিয়ার কারণে সৃষ্টি হয়েছিল।এটি প্রধানত ১৩৪৬ থেকে ১৩৫৩ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে ইউরোপ, এশিয়া (ইউরেশিয়া) এবং উত্তর আফ্রিকাজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছিল। ৩) কে বলেছিলেন মানুষই সবকিছুর মানদণ্ড?        •এই বিখ্যাত উক্তিটি যিনি করেছিলেন তিনি হলেন প্রাচীন গ্রিসের একজন প্রখ্যাত দার্শনিক, যার নাম প্রোটাগোরাস (Protagoras)।তাঁর মূল বক্তব্যটি ছিল-"মানুষই সবকিছুর মানদণ্ড, যা আছে তারও, আর যা নেই তারও।” ৪) পেত্রাক কেন বিখ্যাত?         •পেত্রাক (Francesco Petrarca) ছিলেন ১৪ শতকের (১৩০৪-১৩৭৪) একজন ...

অবক্ষয় যুগ। অষ্টাদশ-ঊনবিংশ শতাব্দীর সন্ধিক্ষণে বাঙালির অবক্ষয় যুগের পরিচয় দাও। এই সময়ে টপ্পা ও আখড়াই গানের উদ্ভব ও জনপ্রিয়তার সামাজিক কারণগুলি আলোচনা করো।

অবক্ষয় যুগ। অষ্টাদশ-ঊনবিংশ শতাব্দীর সন্ধিক্ষণে বাঙালির অবক্ষয় যুগের পরিচয় দাও। এই সময়ে টপ্পা ও আখড়াই গানের উদ্ভব ও জনপ্রিয়তার সামাজিক কারণগুলি আলোচনা করো। পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রথম সেমিস্টার বাংলা মাইনর।ইউনিট ৪।   অবক্ষয় যুগের পরিচয় এবং টপ্পা ও আখড়াই গানের সামাজিক কারণ ও অবক্ষয় যুগের পরিচয়          আমরা জানি যে,১৭৫৭ খ্রিস্টাব্দে পলাশীর যুদ্ধের পর থেকে ঊনবিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধ (১৮৫০ খ্রি.) পর্যন্ত সময়কালকে বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে 'অবক্ষয় যুগ' বা 'সন্ধিযুগ' বলা হয়।আর এটি ছিল মধ্যযুগের দেবনির্ভরতার অবসান এবং আধুনিক যুগের মানবতাবোধের সূচনার মধ্যবর্তী এক ক্রান্তিকাল।যেখানে এই সময়কালের প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলি  নিম্নরূপে আলোচনা করা যেতে পারে-        •রাজনৈতিক অস্থিরতাঃ নবাবী শাসনের পতন এবং ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির দেওয়ানি লাভের ফলে বাংলার পুরনো শাসন ও অর্থনৈতিক কাঠামো ভেঙে পড়ে।      •'বাবু' সংস্কৃতির উদয়ঃ ছিয়াত্তরের মন্বন্তর (১১৭৬ বঙ্গাব্দ) এবং চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের (১৭৯৩ খ্রি.) ফলে গ্রামীণ বনেদি সমাজ ধ্...