Skip to main content

     •একক-১. 

ক)​*** বাংলা নাট্য সাহিত্যের ইতিহাসে গিরীশচন্দ্র ঘোষের অবদান আলোচনা করো। (বিশেষ করে তাঁর পৌরাণিক বা সামাজিক নাটক)

*** আধুনিক বাংলা নাট্য সাহিত্যের ধারায় বিজন ভট্টাচার্যের (অথবা গণনাট্য আন্দোলনের) স্থান ও অবদান মূল্যায়ন করো।

*** বাংলা একাঙ্ক নাটক বা রাজনৈতিক/পৌরাণিক নাটকের ধারায় মন্মথ রায়ের অবদান আলোচনা করো।

**আধুনিক বাংলা নাটকের ধারায় নাট্যকার বাদল সরকারের কৃতিত্ব বিচার করো। ২৪




*** নুরজাহান’ নাটকের ঘটনাক্রম পরিচালনা ও নাট্যদ্বন্দ্ব তীব্র করে তোলার ক্ষেত্রে মহাবৎ খাঁ চরিত্রের ভূমিকা  ও গুরুত্ব বিশ্লেষণ করো।

*** নুরজাহান/লয়লা চরিত্র নির্মাণে দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের বিশিষ্টতার পরিচয় দাও।

*** মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্ব ও ট্র্যাজেডিঃ‘নুরজাহান’ নাটকে বাহ্যিক ক্ষমতার লড়াই অপেক্ষা চরিত্রগুলোর অভ্যন্তরীণ বা মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্ব কীভাবে প্রাধান্য পেয়েছে? নাটকের ট্র্যাজেডি বিচারে এই দ্বন্দ্বের ভূমিকা আলোচনা করো।

*** নাট্যরীতি ও রাজনৈতিক ঐতিহাসিকতাঃএকটি ঐতিহাসিক পটভূমিতে রচিত হওয়া সত্ত্বেও ‘নুরজাহান’ নাটকটি কতখানি সার্থক রাজনৈতিক ও ঐতিহাসিক নাট্যগুণ অর্জন করতে পেরেছে— যুক্তিসহ আলোচনা করো।

একক-৩

​*** বাংলা উপন্যাসের সূচনাপর্বে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের কৃতিত্ব আলোচনা করো।

​** অথবা, বাংলা উপন্যাসের ধারায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অবদান বিচার করো (বিশেষত মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস গঠনে)।

​শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়:

​*** বাংলা উপন্যাসের ধারায় সামাজিক ও মধ্যবিত্ত জীবনের রূপকার হিসেবে শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের অবদান আলোচনা করো।

​মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় / বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়:

​বাংলা উপন্যাসে মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ফ্রয়েডীয় বা বাস্তববাদী দৃষ্টিভঙ্গির পরিচয় দাও।

​*** অথবা, আঞ্চলিক বা প্রকৃতিঘেঁষা উপন্যাসে বিভূতিভূষণ/ বন্দ্যোপাধ্যায়ের / আশাপূর্ণা দেবীর স্থান নিরূপণ করো।


বাংলা ছোটগল্পের জনক হিসেবে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কৃতিত্ব ও ছোটগল্পের বৈশিষ্ট্য আলোচনা করো। (ছোটগল্পের ধারায় এটি অত্যন্ত মৌলিক প্রশ্ন)

​শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় / মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়:

​ছোটগল্পকার হিসেবে শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সীমাবদ্ধতা ও সার্থকতা বিচার করো।

​অথবা, বাংলা ছোটগল্পের ধারায় মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের রিয়েলিজম ও মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণের পরিচয় দাও।



*** ঠাকুরঝি চরিত্র:

‘কবি’ উপন্যাসে ঠাকুরঝি চরিত্রটি বিশ্লেষণ করো। নিতাইয়ের জীবনে ঠাকুরঝির প্রেম ও তার প্রভাব কতখানি— তা আলোচনা করো।

​*** নিতাইচরণ (নায়ক) চরিত্র:

‘কবি’ উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র নিতাইচরণ-এর জীবনদর্শন ও চরিত্রগত বৈশিষ্ট্য আলোচনা করো। কবি হিসেবে তার আত্মপ্রকাশ ও উত্তরণের কাহিনী সংক্ষেপে লেখো।

​*** উপন্যাসের মূল সুর ও ট্র্যাজেডি/জীবনদর্শন:

“জীবন এত ছোট কেনে?”— ‘কবি’ উপন্যাসের মূল ভাববস্তু বা জীবনদর্শন ও ট্র্যাজেডি বিচারে এই মন্তব্যটির গুরুত্ব আলোচনা করো।

​২. বিকল্প ও অতিরিক্ত সম্ভাব্য প্রশ্ন

​আঞ্চলিকতা ও লোকসংস্কৃতি:

‘কবি’ উপন্যাসে রাঢ় অঞ্চলের লোকজীবন, কবিগান ও লোকসংস্কৃতি কীভাবে রূপায়িত হয়েছে তা লেখো।

​*** বসন ও ঠাকুরঝি চরিত্রের বৈপরীত্য:

নিতাইয়ের জীবনে ‘ঠাকুরঝি’ ও ‘বসন’— এই দুই নারীর ভূমিকা এবং তাদের মধ্যস্থ বৈপরীত্য আলোচনা করো। (বসন চরিত্র এককভাবে এসেছে, কিন্তু ঠাকুরঝির সাথে তুলনামূলক প্রশ্ন আসতে পারে)।





Comments

Popular posts from this blog

একটি সার্থক গীতিকাব্যের পরিচয়।

  একটি সার্থক গীতিকাব্যের পরিচয়-সারদা মঙ্গল               গীতিকাব্য হলো এক ধরনের কবিতা, যার মধ্যে দিয়ে ব্যক্তির আবেগ, অনুভূতি এবং অভিজ্ঞতাগুলিকে ছন্দ ওর সংগীতের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়। তবে এখানে কবিতাগুলি খুবই ছোট আকারের হয়, আর সেখানে কবির ব্যক্তিগত অনুভূতির গভীরতা ও আন্তরিকতা প্রকাশ পায়। আর এই প্রেক্ষিতে আমরা বলতে পারি গীতি কবিতার সংকলন হলো গীতিকাব্য। ব্যঞ্জনাময় ও সংহত ।  গীতিকাব্যের বৈশিষ্ট্য  গীতিকাব্যের কিছু প্রধান বৈশিষ্ট্য নিচে আলোচনা করা হলো: ১. ব্যক্তিগত অনুভূতি ও আবেগ প্রকাশ: এটি গীতিকাব্যের প্রধান বৈশিষ্ট্য। এখানে কবি নিজের ব্যক্তিগত অনুভূতি, প্রেম, বিরহ, আনন্দ বা বিষাদের কথা তুলে ধরেন। ২. সংক্ষিপ্ততা: গীতিকাব্য সাধারণত দীর্ঘ হয় না। অল্প কয়েকটি স্তবকের মধ্যে কবি তাঁর ভাবনা সম্পূর্ণভাবে প্রকাশ করেন। ৩. সুর ও ছন্দের প্রাধান্য: গীতিকাব্য মূলত সুর করে আবৃত্তি করার জন্য রচিত হয়। তাই এতে সুর ও ছন্দের প্রতি বিশেষ মনোযোগ দেওয়া হয়। ৪. আত্মগতভাব: গীতিকাব্যে বাইরের জগতের বর্ণনা না দিয়ে কবির নিজের মনের ভেতরের জগতের প্রতি মনোযোগ ...

পঞ্চম সেমিস্টার ইতিহাস মাইনর সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর ।

পঞ্চম সেমিস্টার ইতিহাস মাইনর সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর  ১) শিল্প বিপ্লব কবে কোথায় প্রথম ঘটেছিল?         উত্তর - প্রথম শিল্প বিপ্লব শুরু হয়েছিল ইংল্যান্ডে (গ্রেট ব্রিটেন)। এটি প্রধানত অষ্টাদশ শতকের মাঝামাঝি সময়ে শুরু হয়ে প্রায় ১৭৬০ থেকে ১৮৪০ খ্রিস্টাব্দ-এর মধ্যে ঘটেছিল। ২) কৃষ্ণমৃত্যু কী?            • কৃষ্ণমৃত্যু (Black Death) হলো মানব ইতিহাসের এক ভয়াবহ মহামারি।এটি ছিল মূলত প্লেগ (Plague) রোগ, যা Yersinia pestis নামক ব্যাকটেরিয়ার কারণে সৃষ্টি হয়েছিল।এটি প্রধানত ১৩৪৬ থেকে ১৩৫৩ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে ইউরোপ, এশিয়া (ইউরেশিয়া) এবং উত্তর আফ্রিকাজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছিল। ৩) কে বলেছিলেন মানুষই সবকিছুর মানদণ্ড?        •এই বিখ্যাত উক্তিটি যিনি করেছিলেন তিনি হলেন প্রাচীন গ্রিসের একজন প্রখ্যাত দার্শনিক, যার নাম প্রোটাগোরাস (Protagoras)।তাঁর মূল বক্তব্যটি ছিল-"মানুষই সবকিছুর মানদণ্ড, যা আছে তারও, আর যা নেই তারও।” ৪) পেত্রাক কেন বিখ্যাত?         •পেত্রাক (Francesco Petrarca) ছিলেন ১৪ শতকের (১৩০৪-১৩৭৪) একজন ...

অবক্ষয় যুগ। অষ্টাদশ-ঊনবিংশ শতাব্দীর সন্ধিক্ষণে বাঙালির অবক্ষয় যুগের পরিচয় দাও। এই সময়ে টপ্পা ও আখড়াই গানের উদ্ভব ও জনপ্রিয়তার সামাজিক কারণগুলি আলোচনা করো।

অবক্ষয় যুগ। অষ্টাদশ-ঊনবিংশ শতাব্দীর সন্ধিক্ষণে বাঙালির অবক্ষয় যুগের পরিচয় দাও। এই সময়ে টপ্পা ও আখড়াই গানের উদ্ভব ও জনপ্রিয়তার সামাজিক কারণগুলি আলোচনা করো। পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রথম সেমিস্টার বাংলা মাইনর।ইউনিট ৪।   অবক্ষয় যুগের পরিচয় এবং টপ্পা ও আখড়াই গানের সামাজিক কারণ ও অবক্ষয় যুগের পরিচয়          আমরা জানি যে,১৭৫৭ খ্রিস্টাব্দে পলাশীর যুদ্ধের পর থেকে ঊনবিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধ (১৮৫০ খ্রি.) পর্যন্ত সময়কালকে বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে 'অবক্ষয় যুগ' বা 'সন্ধিযুগ' বলা হয়।আর এটি ছিল মধ্যযুগের দেবনির্ভরতার অবসান এবং আধুনিক যুগের মানবতাবোধের সূচনার মধ্যবর্তী এক ক্রান্তিকাল।যেখানে এই সময়কালের প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলি  নিম্নরূপে আলোচনা করা যেতে পারে-        •রাজনৈতিক অস্থিরতাঃ নবাবী শাসনের পতন এবং ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির দেওয়ানি লাভের ফলে বাংলার পুরনো শাসন ও অর্থনৈতিক কাঠামো ভেঙে পড়ে।      •'বাবু' সংস্কৃতির উদয়ঃ ছিয়াত্তরের মন্বন্তর (১১৭৬ বঙ্গাব্দ) এবং চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের (১৭৯৩ খ্রি.) ফলে গ্রামীণ বনেদি সমাজ ধ্...