Skip to main content

প্রাক-ঔপনিবেশিক লিখিত নথিপত্র ও লিপির ইতিহাস/রীতি প্রশ্ন (Precolonial History of Written Records and Modalities")।

প্রাক-ঔপনিবেশিক লিখিত নথিপত্র ও লিপির ইতিহাস/রীতি প্রশ্ন  (Precolonial History of Written Records and Modalities")।ইউনিট-১.

     Advent of Print Media: Imperialist Ideologies" (মুদ্রণ মাধ্যমের আবির্ভাব: সাম্রাজ্যবাদী মতাদর্শ) ইউনিট-২

        পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের (WBSU) সপ্তম সেমিস্টার ইতিহাস মাইনর (History Minor) সিলেবাসের "Precolonial History of Written Records and Modalities" (প্রাক-ঔপনিবেশিক লিখিত নথিপত্র ও লিপির ইতিহাস/রীতি) অধ্যায়টি মূলত ভারতের প্রাচীন ও মধ্যযুগীয় লিখিত উপাদানের বিবর্তন, লিপির ইতিহাস, নথিপত্র সংরক্ষণের পদ্ধতি এবং প্রাক-ঔপনিবেশিক প্রশাসনিক ও সামাজিক রেকর্ড সংক্রান্ত আলোচনার ওপর ভিত্তি করে গঠিত।

১. অবজেক্টিভ ও সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন (SAQ - ২ বা ৫ নম্বরের)

 * লিপি ও অভিলেখবিদ্যা (Epigraphy & Paleography):

   * ভারতের প্রাচীনতম পঠিত লিপি কোনটি? (ব্রাহ্মী লিপি)

   * ব্রাহ্মী ও খরোষ্ঠী লিপির মধ্যে প্রধান দুটি পার্থক্য উল্লেখ করো।

   * স্যার উইলিয়াম জোন্স বা জেমস প্রিন্সেপ-এর লিপি পাঠোদ্ধারে কী ভূমিকা ছিল?

   * 'পালিগ্রাফি' (Paleography) বা লিপিবিদ্যা বলতে কী বোঝায়?

 * নথি ও সংরক্ষণের উপাদান (Materials & Modalities):

   * প্রাক-ঔপনিবেশিক ভারতে নথি লেখার প্রধান উপাদানগুলো কী কী ছিল? (যেমন: তালপাতা, ভোজপত্র, তাম্রশাসন, কাগজ)।

   * 'তাম্রশাসন' (Copper-plate Inscriptions) বলতে কী বোঝায়? এর ঐতিহাসিক গুরুত্ব কী?

   * প্রাক-ঔপনিবেশিক ভারতে 'ফারমান' (Farman) ও 'সনদ' (Sanad)-এর মধ্যে পার্থক্য কী?

   * 'আর্কাইভ' বা মহাফেজখানার প্রাক-ঔপনিবেশিক রূপ বা চিত্র কেমন ছিল?

২. মাঝারি মানের প্রশ্ন (৫ নম্বরের)

 * লিপির বিবর্তন:

   * প্রাচীন ভারতে ব্রাহ্মী লিপির বিকাশ ও বিবর্তনের সংক্ষিপ্ত রূপরেখা দাও।

   * অশোকের শিলালিপি প্রাক-ঔপনিবেশিক ভারতের লিখিত উপাদানের ইতিহাসে কতটা গুরুত্বপূর্ণ?

 * নথিপত্রের ধরণ ও প্রশাসনিক রূপ:

   * মধ্যযুগীয় ভারতে (বিশেষত সুলতানি ও মুঘল আমলে) প্রশাসনিক নথিপত্র লিপিবদ্ধ করার পদ্ধতি কেমন ছিল?

   * প্রাক-ঔপনিবেশিক বাংলা বা ভারতের নথিপত্রে ব্যবহৃত স্থানীয় লিপি ও ভাষার ব্যবহার আলোচনা করো।

 * সংরক্ষণ ও সংস্কৃতি:

   * প্রাক-ঔপনিবেশিক যুগে নথিপত্র এবং পান্ডুলিপি (Manuscripts) সংরক্ষণের প্রধান উপায়গুলো কী ছিল?

৩. রচনাভিত্তিক বড় প্রশ্ন (১০ বা ১২ নম্বরের)

প্রশ্ন ১:প্রাক-ঔপনিবেশিক ভারতে লিখিত নথিপত্রের ইতিহাস ও নানা মাধ্যম/উপাদান (Modalities) সম্পর্কে বিশদ আলোচনা করো।

প্রশ্ন ২: প্রাচীন ও মধ্যযুগীয় ভারতের ইতিহাস পুনর্গঠনে লিপির গুরুত্ব আলোচনা করো। ব্রাহ্মী ও খরোষ্ঠী লিপির বৈশিষ্ট্য সংক্ষেপে উল্লেখ করো।

প্রশ্ন ৩: মুঘল বা প্রাক-ঔপনিবেশিক প্রশাসনিক নথিপত্র (যেমন: নথি, ফারমান, দস্তুর-উল-আমল) তৈরির প্রক্রিয়া এবং সেগুলোর রূপরেখা বিশ্লেষণ করো।

প্রশ্ন ৪: প্রাক-ঔপনিবেশিক আমলে পান্ডুলিপি (Manuscripts) ও নথিপত্র সংগ্রহের সংস্কৃতি এবং সংরক্ষণ ব্যবস্থার বিবর্তন সংক্ষেপে আলোচনা করো।

২) Advent of Print MediaঃImperialist Ideolgies (মুদ্রণ মাধ্যমের আবির্ভাবঃ সাম্রাজ্যবাদী মতাদর্শ।

প্রশ্ন ১ঃ ভারতে মুদ্রণ মাধ্যমের আবির্ভাব কীভাবে সাম্রাজ্যবাদী ভাবাদর্শ (Imperialist Ideologies) ও ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনকে সুদৃঢ় করতে সাহায্য করেছিল?

প্রশ্ন ২:ঔপনিবেশিক সরকার এবং দেশীয় প্রেসের মধ্যকার সম্পর্ক আলোচনা করো। সাম্রাজ্যবাদী স্বার্থ রক্ষায় ব্রিটিশরা মুদ্রণ মাধ্যমের ওপর কী ধরনের আইনি নিয়ন্ত্রণ বা সেন্সরশিপ আরোপ করেছিল?

প্রশ্ন ৩:প্রাক-ঔপনিবেশিক হস্তলিখিত নথির সংস্কৃতি থেকে আধুনিক ঔপনিবেশিক মুদ্রণ সংস্কৃতিতে উত্তরণ ভারতের সমাজ ও রাজনীতিতে কী প্রভাব ফেলেছিল?

প্রশ্ন ৪:"মুদ্রণ প্রযুক্তি ঔপনিবেশিক জ্ঞানচর্চা ও নিয়ন্ত্রণের একটি প্রধান হাতিয়ার ছিল" — উপযুক্ত উদাহরণসহ উক্তিটি বিশ্লেষণ করো।


পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নেওয়ার দিকনির্দেশনা:

১. উপাদানভিত্তিক ভাগ: উত্তর লেখার সময় উপাদানগুলোকে আলাদা আলাদা পয়েন্টে ভাগ করবে (যেমন: পাথর/শিলালিপি, ধাতু/তাম্রশাসন, তালপাতা/ভোজপত্র এবং কাগজ)।

২. কালানুক্রম: প্রাচীন যুগ (অশোকের আমল ও গুপ্তযুগ) থেকে শুরু করে মধ্যযুগ (সুলতানি ও মুঘল আমল) পর্যন্ত লিখিত রূপের পরিবর্তন কীভাবে ঘটেছিল তা স্পষ্ট করবে।


Comments

Popular posts from this blog

একটি সার্থক গীতিকাব্যের পরিচয়।

  একটি সার্থক গীতিকাব্যের পরিচয়-সারদা মঙ্গল               গীতিকাব্য হলো এক ধরনের কবিতা, যার মধ্যে দিয়ে ব্যক্তির আবেগ, অনুভূতি এবং অভিজ্ঞতাগুলিকে ছন্দ ওর সংগীতের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়। তবে এখানে কবিতাগুলি খুবই ছোট আকারের হয়, আর সেখানে কবির ব্যক্তিগত অনুভূতির গভীরতা ও আন্তরিকতা প্রকাশ পায়। আর এই প্রেক্ষিতে আমরা বলতে পারি গীতি কবিতার সংকলন হলো গীতিকাব্য। ব্যঞ্জনাময় ও সংহত ।  গীতিকাব্যের বৈশিষ্ট্য  গীতিকাব্যের কিছু প্রধান বৈশিষ্ট্য নিচে আলোচনা করা হলো: ১. ব্যক্তিগত অনুভূতি ও আবেগ প্রকাশ: এটি গীতিকাব্যের প্রধান বৈশিষ্ট্য। এখানে কবি নিজের ব্যক্তিগত অনুভূতি, প্রেম, বিরহ, আনন্দ বা বিষাদের কথা তুলে ধরেন। ২. সংক্ষিপ্ততা: গীতিকাব্য সাধারণত দীর্ঘ হয় না। অল্প কয়েকটি স্তবকের মধ্যে কবি তাঁর ভাবনা সম্পূর্ণভাবে প্রকাশ করেন। ৩. সুর ও ছন্দের প্রাধান্য: গীতিকাব্য মূলত সুর করে আবৃত্তি করার জন্য রচিত হয়। তাই এতে সুর ও ছন্দের প্রতি বিশেষ মনোযোগ দেওয়া হয়। ৪. আত্মগতভাব: গীতিকাব্যে বাইরের জগতের বর্ণনা না দিয়ে কবির নিজের মনের ভেতরের জগতের প্রতি মনোযোগ ...

পঞ্চম সেমিস্টার ইতিহাস মাইনর সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর ।

পঞ্চম সেমিস্টার ইতিহাস মাইনর সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর  ১) শিল্প বিপ্লব কবে কোথায় প্রথম ঘটেছিল?         উত্তর - প্রথম শিল্প বিপ্লব শুরু হয়েছিল ইংল্যান্ডে (গ্রেট ব্রিটেন)। এটি প্রধানত অষ্টাদশ শতকের মাঝামাঝি সময়ে শুরু হয়ে প্রায় ১৭৬০ থেকে ১৮৪০ খ্রিস্টাব্দ-এর মধ্যে ঘটেছিল। ২) কৃষ্ণমৃত্যু কী?            • কৃষ্ণমৃত্যু (Black Death) হলো মানব ইতিহাসের এক ভয়াবহ মহামারি।এটি ছিল মূলত প্লেগ (Plague) রোগ, যা Yersinia pestis নামক ব্যাকটেরিয়ার কারণে সৃষ্টি হয়েছিল।এটি প্রধানত ১৩৪৬ থেকে ১৩৫৩ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে ইউরোপ, এশিয়া (ইউরেশিয়া) এবং উত্তর আফ্রিকাজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছিল। ৩) কে বলেছিলেন মানুষই সবকিছুর মানদণ্ড?        •এই বিখ্যাত উক্তিটি যিনি করেছিলেন তিনি হলেন প্রাচীন গ্রিসের একজন প্রখ্যাত দার্শনিক, যার নাম প্রোটাগোরাস (Protagoras)।তাঁর মূল বক্তব্যটি ছিল-"মানুষই সবকিছুর মানদণ্ড, যা আছে তারও, আর যা নেই তারও।” ৪) পেত্রাক কেন বিখ্যাত?         •পেত্রাক (Francesco Petrarca) ছিলেন ১৪ শতকের (১৩০৪-১৩৭৪) একজন ...

অবক্ষয় যুগ। অষ্টাদশ-ঊনবিংশ শতাব্দীর সন্ধিক্ষণে বাঙালির অবক্ষয় যুগের পরিচয় দাও। এই সময়ে টপ্পা ও আখড়াই গানের উদ্ভব ও জনপ্রিয়তার সামাজিক কারণগুলি আলোচনা করো।

অবক্ষয় যুগ। অষ্টাদশ-ঊনবিংশ শতাব্দীর সন্ধিক্ষণে বাঙালির অবক্ষয় যুগের পরিচয় দাও। এই সময়ে টপ্পা ও আখড়াই গানের উদ্ভব ও জনপ্রিয়তার সামাজিক কারণগুলি আলোচনা করো। পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রথম সেমিস্টার বাংলা মাইনর।ইউনিট ৪।   অবক্ষয় যুগের পরিচয় এবং টপ্পা ও আখড়াই গানের সামাজিক কারণ ও অবক্ষয় যুগের পরিচয়          আমরা জানি যে,১৭৫৭ খ্রিস্টাব্দে পলাশীর যুদ্ধের পর থেকে ঊনবিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধ (১৮৫০ খ্রি.) পর্যন্ত সময়কালকে বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে 'অবক্ষয় যুগ' বা 'সন্ধিযুগ' বলা হয়।আর এটি ছিল মধ্যযুগের দেবনির্ভরতার অবসান এবং আধুনিক যুগের মানবতাবোধের সূচনার মধ্যবর্তী এক ক্রান্তিকাল।যেখানে এই সময়কালের প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলি  নিম্নরূপে আলোচনা করা যেতে পারে-        •রাজনৈতিক অস্থিরতাঃ নবাবী শাসনের পতন এবং ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির দেওয়ানি লাভের ফলে বাংলার পুরনো শাসন ও অর্থনৈতিক কাঠামো ভেঙে পড়ে।      •'বাবু' সংস্কৃতির উদয়ঃ ছিয়াত্তরের মন্বন্তর (১১৭৬ বঙ্গাব্দ) এবং চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের (১৭৯৩ খ্রি.) ফলে গ্রামীণ বনেদি সমাজ ধ্...