Skip to main content

Electoral process in india 

এই অধ্যায় থেকে কি ধরনের প্রশ্ন আসে? বিগত পরীক্ষার প্রশ্নপত্র অনুসরণ করে প্রশ্ন দিন


 পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় (WBSU)-এর রাষ্ট্রবিজ্ঞান কোর্সের প্রশ্নপত্রের ধারা অনুযায়ী "Electoral Process in India" (ভারতের নির্বাচনী প্রক্রিয়া) অধ্যায়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই অধ্যায় থেকে প্রধানত তিনটি বিভাগে প্রশ্ন আসে: ২ নম্বরের অতি-সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন, ৫ নম্বরের সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন, এবং ১০ বা ১৫ নম্বরের দীর্ঘ প্রশ্ন।

বিগত পরীক্ষা এবং WBSU-এর নতুন সিলেবাসের প্রশ্নপদ্ধতি অনুসরণ করে প্রতিটি বিভাগের প্রশ্ন নিচে দেওয়া হলো:

১. ২ নম্বরের প্রশ্ন (Short Answer Questions)

১. ভারতের নির্বাচন কমিশনের গঠন কীভাবে হয়? (সংবিধানের কত নম্বর ধারায় এর উল্লেখ আছে?) ২. মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে (CEC) পদচ্যুত করার পদ্ধতি কী? ৩. ভারতের নির্বাচনী ব্যবস্থার দুটি প্রধান বৈশিষ্ট্য লেখো। ৪. 'FPTP System' বা 'ফার্স্ট-পাস্ট-দ্য-পোস্ট' ব্যবস্থা বলতে কী বোঝায়? ৫. ভারতের নির্বাচনী রাজনীতিতে EVM এবং VVPAT-এর পূর্ণরূপ কী? ৬. 'নির্বাচনী আচরণবিধি' (Model Code of Conduct) বলতে কী বোঝায়? ৭. ভারতের নির্বাচন সংস্কার সংক্রান্ত দুটি গুরুত্বপূর্ণ কমিটির নাম লেখো (যেমন: তারকুন্ডে কমিটি, দিনেশ গোস্বামী কমিটি)। ৮. রাজনৈতিক দলগুলির নির্বাচনী ইশতেহার (Election Manifesto) বলতে কী বোঝায়?

২. ৫ নম্বরের প্রশ্ন (Medium/Short Notes)

১. ভারতীয় নির্বাচন কমিশনের প্রধান কাজ ও ক্ষমতা সংক্ষেপে আলোচনা করো। ২. নির্বাচন কমিশনারদের নিরপেক্ষতা রক্ষায় সংবিধানে কী কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে? ৩. ভারতের নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় 'নির্বাচনী আচরণবিধি' (Model Code of Conduct)-এর ভূমিকা আলোচনা করো। ৪. ভারতীয় রাজনীতিতে অর্থবল ও পেশীবলের (Money & Muscle Power) প্রভাব সংক্ষেপে মূল্যায়ন করো। ৫. ভারতের নির্বাচনী সংস্কারের প্রধান দাবিগুলি কী কী?

৩. ১০/১৫ নম্বরের বড় প্রশ্ন (Long Essay Type Questions)

১. ভারতের নির্বাচন কমিশনের গঠন, ক্ষমতা ও ভূমিকা বিস্তারিত আলোচনা করো। অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন পরিচালনায় এর সাফল্য কতখানি? (এই প্রশ্নটি পরীক্ষায় সবচেয়ে বেশিবার আসে)

২. ভারতের নির্বাচনী ব্যবস্থার প্রধান ত্রুটিগুলি কী কী? ভারতের নির্বাচনী ব্যবস্থার সংস্কারের জন্য কী কী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে বা নেওয়া প্রয়োজন?

৩. ভারতের নির্বাচনী ব্যবস্থার প্রধান বৈশিষ্ট্যসমূহ আলোচনা করো। এই ব্যবস্থার প্রধান গুণ ও দোষগুলি মূল্যায়ন করো।

💡 প্রস্তুতির জন্য বিশেষ টিপস:

  • সংবিধানের ধারা: উত্তর লেখার সময় নির্বাচন কমিশন সংক্রান্ত সংবিধানের ধারা ৩২৪ (Article 324) এবং নির্বাচন সংক্রান্ত অন্যান্য ধারা উল্লেখ করলে নম্বর ভালো পাওয়া যাবে।
  • সাম্প্রতিক উদাহরণ: নির্বাচন সংস্কার বা সাম্প্রতিক সময়ে নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা ও প্রযুক্তি ব্যবহারের (যেমন VVPAT) বিষয়টি উত্তরের সাথে যুক্ত করলে লেখাটি অনেক মানসম্মত হবে।

Comments

Popular posts from this blog

একটি সার্থক গীতিকাব্যের পরিচয়।

  একটি সার্থক গীতিকাব্যের পরিচয়-সারদা মঙ্গল               গীতিকাব্য হলো এক ধরনের কবিতা, যার মধ্যে দিয়ে ব্যক্তির আবেগ, অনুভূতি এবং অভিজ্ঞতাগুলিকে ছন্দ ওর সংগীতের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়। তবে এখানে কবিতাগুলি খুবই ছোট আকারের হয়, আর সেখানে কবির ব্যক্তিগত অনুভূতির গভীরতা ও আন্তরিকতা প্রকাশ পায়। আর এই প্রেক্ষিতে আমরা বলতে পারি গীতি কবিতার সংকলন হলো গীতিকাব্য। ব্যঞ্জনাময় ও সংহত ।  গীতিকাব্যের বৈশিষ্ট্য  গীতিকাব্যের কিছু প্রধান বৈশিষ্ট্য নিচে আলোচনা করা হলো: ১. ব্যক্তিগত অনুভূতি ও আবেগ প্রকাশ: এটি গীতিকাব্যের প্রধান বৈশিষ্ট্য। এখানে কবি নিজের ব্যক্তিগত অনুভূতি, প্রেম, বিরহ, আনন্দ বা বিষাদের কথা তুলে ধরেন। ২. সংক্ষিপ্ততা: গীতিকাব্য সাধারণত দীর্ঘ হয় না। অল্প কয়েকটি স্তবকের মধ্যে কবি তাঁর ভাবনা সম্পূর্ণভাবে প্রকাশ করেন। ৩. সুর ও ছন্দের প্রাধান্য: গীতিকাব্য মূলত সুর করে আবৃত্তি করার জন্য রচিত হয়। তাই এতে সুর ও ছন্দের প্রতি বিশেষ মনোযোগ দেওয়া হয়। ৪. আত্মগতভাব: গীতিকাব্যে বাইরের জগতের বর্ণনা না দিয়ে কবির নিজের মনের ভেতরের জগতের প্রতি মনোযোগ ...

পঞ্চম সেমিস্টার ইতিহাস মাইনর সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর ।

পঞ্চম সেমিস্টার ইতিহাস মাইনর সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর  ১) শিল্প বিপ্লব কবে কোথায় প্রথম ঘটেছিল?         উত্তর - প্রথম শিল্প বিপ্লব শুরু হয়েছিল ইংল্যান্ডে (গ্রেট ব্রিটেন)। এটি প্রধানত অষ্টাদশ শতকের মাঝামাঝি সময়ে শুরু হয়ে প্রায় ১৭৬০ থেকে ১৮৪০ খ্রিস্টাব্দ-এর মধ্যে ঘটেছিল। ২) কৃষ্ণমৃত্যু কী?            • কৃষ্ণমৃত্যু (Black Death) হলো মানব ইতিহাসের এক ভয়াবহ মহামারি।এটি ছিল মূলত প্লেগ (Plague) রোগ, যা Yersinia pestis নামক ব্যাকটেরিয়ার কারণে সৃষ্টি হয়েছিল।এটি প্রধানত ১৩৪৬ থেকে ১৩৫৩ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে ইউরোপ, এশিয়া (ইউরেশিয়া) এবং উত্তর আফ্রিকাজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছিল। ৩) কে বলেছিলেন মানুষই সবকিছুর মানদণ্ড?        •এই বিখ্যাত উক্তিটি যিনি করেছিলেন তিনি হলেন প্রাচীন গ্রিসের একজন প্রখ্যাত দার্শনিক, যার নাম প্রোটাগোরাস (Protagoras)।তাঁর মূল বক্তব্যটি ছিল-"মানুষই সবকিছুর মানদণ্ড, যা আছে তারও, আর যা নেই তারও।” ৪) পেত্রাক কেন বিখ্যাত?         •পেত্রাক (Francesco Petrarca) ছিলেন ১৪ শতকের (১৩০৪-১৩৭৪) একজন ...

টপ্পা গান। বাংলা টপ্পা গানের বৈশিষ্ট্য আলোচনা করে এই ধারায় নিধুবাবু (রামনিধি গুপ্ত)-র অবদান সংক্ষেপে আলোচনা করো।

টপ্পা গান। বাংলা টপ্পা গানের বৈশিষ্ট্য আলোচনা করে এই ধারায় নিধুবাবু (রামনিধি গুপ্ত)-র অবদান সংক্ষেপে আলোচনা করো। পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় বাংলা মাইনর প্রথম সেমিস্টার ইউনিট ৩।            আমরা জানি যে,অষ্টাদশ শতাব্দীর শেষার্ধ এবং ঊনবিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধ ছিল বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে এক 'যুগসন্ধিকাল'। এই সময়ে মধ্যযুগীয় দেব-নির্ভরতা কাটিয়ে বাংলা সাহিত্য ও সংগীতে প্রথম নাগরিক ও মানবীয় চেতনার উন্মেষ ঘটে। এই ধারার অন্যতম শ্রেষ্ঠ ফসল হলো 'টপ্পা গান'। মূলত পাঞ্জাবের উটচালকদের লোকগীতি থেকে উৎপন্ন এই ধারাটিকে বাংলা মার্গসংগীত বা উচ্চাঙ্গসংগীতের আঙিনায় জনপ্রিয় করে তোলেন রামনিধি গুপ্ত, যিনি বাঙালির কাছে আদর করে 'নিধুবাবু' নামে পরিচিত ছিলেন।     ১. টপ্পা গানের উৎপত্তি ও স্বরূপঃ  'টপ্পা' শব্দটির মূল উৎস হিন্দি 'তপনা' বা 'টপকা' শব্দ থেকে, যার অর্থ 'লাফ দেওয়া' বা 'সংক্ষিপ্ত'। রাধামোহন সেন তাঁর 'সঙ্গীততরঙ্গ' গ্রন্থে লিখেছেন- "পাঞ্জাব হইতে হইল টপ্পার জনম / দুই চরণের মধ্যে তাহার নিয়ম।"       আসলে জনশ্রুতি অনুযায়...