Skip to main content

 পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের (WBSU) সমাজবিদ্যা প্রথম সেমিস্টার (Minor) পাঠ্যক্রমের ৪টি ইউনিট থেকে বেছে নেওয়া ৩০টি অতি-সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও নির্ভুল উত্তর (মান: ২) নিচে দেওয়া হলো।

ইউনিট ১: সমাজতত্ত্বের পরিচিতি ও অন্যান্য সমাজবিজ্ঞান

১. প্রশ্ন: 'Sociology' বা সমাজতত্ত্ব শব্দটি প্রথম কে এবং কবে ব্যবহার করেন?

উত্তর: ফরাসি দার্শনিক ওগাস্ট কোঁৎ (Auguste Comte) ১৮৩৮ সালে 'Sociology' শব্দটি প্রথম ব্যবহার করেন।

২. প্রশ্ন: সমাজতত্ত্বের উদ্ভাবক বা জনক কাকে বলা হয়?

উত্তর: ওগাস্ট কোঁৎ-কে সমাজতত্ত্বের জনক বলা হয়।

৩. প্রশ্ন: 'Sociology' শব্দটি কোন দুটি শব্দ থেকে এসেছে?

উত্তর: লাতিন শব্দ 'Socius' (যার অর্থ সঙ্গী বা সমাজ) এবং গ্রিক শব্দ 'Logos' (যার অর্থ জ্ঞান বা অধ্যয়ন) থেকে এসেছে।

৪. প্রশ্ন: সমাজতত্ত্বের স্বরূপাভিমুখী বা বিশিষ্টতাবাদী (Formalistic School) গোষ্ঠীর দুজন প্রবক্তার নাম লেখো।

উত্তর: জর্জ সিমেল (Georg Simmel) এবং ফার্দিনান্দ টেনিস (Ferdinand Tönnies)।

৫. প্রশ্ন: সমাজতত্ত্বের সমন্বয়বাদী (Synthetic School) গোষ্ঠীর দুজন প্রবক্তার নাম লেখো।

উত্তর: এমিল দুর্খেম (Émile Durkheim) এবং পিটিریم সো রোকিন (Pitirim Sorokin)।

৬. প্রশ্ন: সমাজতত্ত্ব ও সামাজিক নৃবিজ্ঞানের (Social Anthropology) মধ্যকার একটি প্রধান পার্থক্য কী?

উত্তর: সমাজতত্ত্ব মূলত জটিল ও আধুনিক শিল্পভিত্তিক সমাজ নিয়ে কাজ করে; অন্যদিকে সামাজিক নৃবিজ্ঞান মূলত আদিম ও সরল সমাজ নিয়ে গবেষণা করে।

৭. প্রশ্ন: "Sociology is the study of social action"—উক্তিটি কার?

উত্তর: জার্মান সমাজবিজ্ঞানী ম্যাক্স ওয়েবার (Max Weber)।

ইউনিট ২: সমাজ ও সংস্কৃতির ভিত্তি

৮. প্রশ্ন: সংস্কৃতি (Culture) বলতে কী বোঝায়?

উত্তর: মানুষের অর্জিত জ্ঞান, বিশ্বাস, শিল্পকলা, নীতি, আইন, প্রথা এবং সমাজ সদস্য হিসেবে অর্জিত অন্যান্য সমস্ত ক্ষমতার সমষ্টিই হলো সংস্কৃতি।

৯. প্রশ্ন: বস্তুগতো ও অবস্তুগত সংস্কৃতির প্রধান পার্থক্য কী?

উত্তর: গৃহ সামগ্রী, যন্ত্রপাতি বা প্রযুক্তি হলো বস্তুগতো সংস্কৃতি (যা স্পর্শ করা যায়); অন্যদিকে ধারণা, মূল্যবোধ, বিশ্বাস বা প্রথা হলো অবস্তুগত সংস্কৃতি।

১০. প্রশ্ন: 'সংস্কৃতিক পশ্চাদপদতা' বা 'Cultural Lag' ধারণাটি কার এবং এটি কী?

উত্তর: উইলিয়াম ওগবার্ন (William Ogburn)-এর ধারণা। অবস্তুগত সংস্কৃতির তুলনায় বস্তুগতো সংস্কৃতি দ্রুত পরিবর্তিত হলে যে ব্যবধান তৈরি হয়, তাকে সাংস্কৃতিক পশ্চাদপদতা বলে।

১১. প্রশ্ন: 'প্রকৃতি বনাম প্রতিপালন' (Nature vs. Nurture) বিতর্কের মূল বিষয় কী?

উত্তর: মানব আচরণের বিকাশে জিনগত বা বংশগত উপাদান (Nature) বেশি গুরুত্বপূর্ণ নাকি পরিবেশ ও সামাজিকীকরণের ভূমিকা (Nurture) বেশি গুরুত্বপূর্ণ—এই দ্বন্দ্বই হলো প্রকৃতি বনাম প্রতিপালন বিতর্ক।

১২. প্রশ্ন: সামাজিকীকরণ (Socialization) কাকে বলে?

উত্তর: যে সামাজিক পদ্ধতির মাধ্যমে একজন শিশু সমাজের রীতিনীতি, মূল্যবোধ ও সংস্কৃতি শেখে এবং সমাজের উপযোগী ব্যক্তিতে পরিণত হয়, তাকে সামাজিকীকরণ বলে।

১৩. প্রশ্ন: সামাজিকীকরণের দুটি প্রাথমিক/অপ্রাতিষ্ঠানিক মাধ্যমের নাম লেখো।

উত্তর: (১) পরিবার এবং (২) সমবয়সী দল (Peer Group)।

১৪. প্রশ্ন: 'Looking-glass Self' বা 'আয়নাসম আত্মসত্তা' তত্ত্বটি কার?

উত্তর: মার্কিন সমাজবিজ্ঞানী সি. এইচ. কুলি (C. H. Cooley)।

১৫. প্রশ্ন: জৈবিক অবধারিতবাদ (Biological Determinism) কী?

উত্তর: মানব আচরণ, সামাজিক ভূমিকা ও সক্ষমতা সামাজিক পরিবেশের চেয়ে জিনগত ও শারীরিক বৈশিষ্ট্যের ওপর নির্ভরশীল—এই মতবাদই হলো জৈবিক অবধারিতবাদ।

ইউনিট ৩: সামাজিক প্রক্রিয়া

১৬. প্রশ্ন: সামাজিক প্রক্রিয়া (Social Process) বলতে কী বোঝায়?

উত্তর: যে নির্দিষ্ট উপায়ে বা মিথস্ক্রিয়ার মাধ্যমে ব্যক্তি বা গোষ্ঠী একত্রিত হয় বা পৃথক হয় এবং সামাজিক সম্পর্ক গড়ে তোলে, তাকে সামাজিক প্রক্রিয়া বলে।

১৭. প্রশ্ন: সংযোজনমুখী বা সহযোগী সামাজিক প্রক্রিয়া (Associative Process) কাকে বলে? দুটি উদাহরণ দাও।

উত্তর: যে প্রক্রিয়াগুলি সামাজিক সংহতি, ঐক্য ও সহযোগিতায় সাহায্য করে। উদাহরণ: সহযোগিতা (Cooperation) এবং সংমিশ্রণ (Assimilation)।

১৮. প্রশ্ন: বিয়োগাত্মক বা দ্বান্দ্বিক সামাজিক প্রক্রিয়া (Dissociative Process) কাকে বলে? দুটি উদাহরণ দাও।

উত্তর: যে প্রক্রিয়াগুলি সমাজের মধ্যে বিভাজন, দ্বন্দ্ব বা দূরত্ব তৈরি করে। উদাহরণ: প্রতিযোগিতা (Competition) এবং দ্বন্দ্ব (Conflict)।

১৯. প্রশ্ন: সংমিশ্রণ বা আত্মসাৎকরণ (Assimilation) কী?

উত্তর: এমন একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে কোনো ব্যক্তি বা ভিন্ন সংস্কৃতির গোষ্ঠী তাদের নিজস্ব সংস্কৃতি ভুলে নতুন সংস্কৃতির সাথে সম্পূর্ণ মিশে যায়।

২০. প্রশ্ন: সমন্বয়সাধন বা উপযোজন (Accommodation) কাকে বলে?

উত্তর: সাময়িক সমঝোতা বা বোঝাপড়ার মাধ্যমে দ্বন্দ্ব কমিয়ে একসঙ্গে শান্তিতে বসবাস করার প্রক্রিয়াকে সমন্বয়সাধন বলে।

২১. প্রশ্ন: প্রতিযোগিতা ও দ্বন্দ্বের মধ্যে মূল পার্থক্য কী?

উত্তর: প্রতিযোগিতা হলো একটি নৈর্ব্যক্তিক ও অহিংস প্রক্রিয়া; অন্যদিকে দ্বন্দ্ব হলো একটি ব্যক্তিভিত্তিক ও সহিংস/হুমকিযুক্ত প্রক্রিয়া।

ইউনিট ৪: সামাজিক স্তরবিন্যাস, গতিশীলতা ও সামাজিক নিয়ন্ত্রণ

২২. প্রশ্ন: সামাজিক স্তরবিন্যাস (Social Stratification) কাকে বলে?

উত্তর: ধন-সম্পদ, ক্ষমতা ও মর্যাদার ভিত্তিতে সমাজকে উচ্চ-নিম্ন বিভিন্ন স্তরে বা শ্রেণিতে বিভক্ত করার প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়াকে সামাজিক স্তরবিন্যাস বলে।

২৩. প্রশ্ন: বন্ধ স্তরবিন্যাস (Closed Stratification) ও মুক্ত স্তরবিন্যাসের (Open Stratification) একটি করে উদাহরণ দাও।

উত্তর: বন্ধ স্তরবিন্যাস: জাতিভেদ ব্যবস্থা (Caste System); মুক্ত স্তরবিন্যাস: শ্রেণি ব্যবস্থা (Class System)।

২৪. প্রশ্ন: সামাজিক গতিশীলতা (Social Mobility) কী?

উত্তর: সমাজকাঠামোর মধ্যে ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর এক সামাজিক অবস্থান থেকে অন্য সামাজিক অবস্থানে পদার্পণ বা পরিবর্তনকে সামাজিক গতিশীলতা বলে।

২৫. প্রশ্ন: অনুভূমিক গতিশীলতা (Horizontal Mobility) বলতে কী বোঝায়?

উত্তর: সামাজিক মর্যাদার কোনো পরিবর্তন না ঘটিয়ে স্থান বা পেশার রূপান্তরকে অনুভূমিক গতিশীলতা বলে (যেমন: একজন প্রাথমিক শিক্ষক হাইস্কুলের শিক্ষক হলে)।

২৬. প্রশ্ন: উল্লম্ব গতিশীলতা (Vertical Mobility) বলতে কী বোঝায়?

উত্তর: ব্যক্তির সামাজিক স্তর বা মর্যাদার ঊর্ধ্বমুখী (Promotion) বা নিম্নমুখী (Demotion) পরিবর্তনকে উল্লম্ব গতিশীলতা বলে।

২৭. প্রশ্ন: সামাজিক নিয়ন্ত্রণ (Social Control) বলতে কী বোঝায়?

উত্তর: সমাজকে সুশৃঙ্খল রাখতে এবং ব্যক্তিসত্ত্বাকে সামাজিক আদর্শের অনুগামী করতে ব্যবহৃত সমস্ত কৌশল ও মাধ্যমকে সামাজিক নিয়ন্ত্রণ বলে।

২৮. প্রশ্ন: সামাজিক নিয়ন্ত্রণের দুটি প্রাতিষ্ঠানিক/আনুষ্ঠানিক (Formal) মাধ্যমের নাম লেখো।

উত্তর: (১) আইন এবং (২) পুলিশ/আদালত।

২৯. প্রশ্ন: সামাজিক নিয়ন্ত্রণের দুটি অপ্রাতিষ্ঠানিক (Informal) মাধ্যমের নাম লেখো।

উত্তর: (১) ধর্ম এবং (২) লোকরীতি (Folkways) ও প্রথা।

৩০. প্রশ্ন: সামাজিক মূল্যবোধ (Social Values) কাকে বলে?

উত্তর: সমাজে ভালো-মন্দ, কাম্য-অকাম্য বা গ্রহণীয়-বর্জনীয় সম্পর্কিত যে সার্বজনীন ধারণা তৈরি হয়, তাকে সামাজিক মূল্যবোধ বলে।


Comments

Popular posts from this blog

একটি সার্থক গীতিকাব্যের পরিচয়।

  একটি সার্থক গীতিকাব্যের পরিচয়-সারদা মঙ্গল               গীতিকাব্য হলো এক ধরনের কবিতা, যার মধ্যে দিয়ে ব্যক্তির আবেগ, অনুভূতি এবং অভিজ্ঞতাগুলিকে ছন্দ ওর সংগীতের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়। তবে এখানে কবিতাগুলি খুবই ছোট আকারের হয়, আর সেখানে কবির ব্যক্তিগত অনুভূতির গভীরতা ও আন্তরিকতা প্রকাশ পায়। আর এই প্রেক্ষিতে আমরা বলতে পারি গীতি কবিতার সংকলন হলো গীতিকাব্য। ব্যঞ্জনাময় ও সংহত ।  গীতিকাব্যের বৈশিষ্ট্য  গীতিকাব্যের কিছু প্রধান বৈশিষ্ট্য নিচে আলোচনা করা হলো: ১. ব্যক্তিগত অনুভূতি ও আবেগ প্রকাশ: এটি গীতিকাব্যের প্রধান বৈশিষ্ট্য। এখানে কবি নিজের ব্যক্তিগত অনুভূতি, প্রেম, বিরহ, আনন্দ বা বিষাদের কথা তুলে ধরেন। ২. সংক্ষিপ্ততা: গীতিকাব্য সাধারণত দীর্ঘ হয় না। অল্প কয়েকটি স্তবকের মধ্যে কবি তাঁর ভাবনা সম্পূর্ণভাবে প্রকাশ করেন। ৩. সুর ও ছন্দের প্রাধান্য: গীতিকাব্য মূলত সুর করে আবৃত্তি করার জন্য রচিত হয়। তাই এতে সুর ও ছন্দের প্রতি বিশেষ মনোযোগ দেওয়া হয়। ৪. আত্মগতভাব: গীতিকাব্যে বাইরের জগতের বর্ণনা না দিয়ে কবির নিজের মনের ভেতরের জগতের প্রতি মনোযোগ ...

পঞ্চম সেমিস্টার ইতিহাস মাইনর সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর ।

পঞ্চম সেমিস্টার ইতিহাস মাইনর সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর  ১) শিল্প বিপ্লব কবে কোথায় প্রথম ঘটেছিল?         উত্তর - প্রথম শিল্প বিপ্লব শুরু হয়েছিল ইংল্যান্ডে (গ্রেট ব্রিটেন)। এটি প্রধানত অষ্টাদশ শতকের মাঝামাঝি সময়ে শুরু হয়ে প্রায় ১৭৬০ থেকে ১৮৪০ খ্রিস্টাব্দ-এর মধ্যে ঘটেছিল। ২) কৃষ্ণমৃত্যু কী?            • কৃষ্ণমৃত্যু (Black Death) হলো মানব ইতিহাসের এক ভয়াবহ মহামারি।এটি ছিল মূলত প্লেগ (Plague) রোগ, যা Yersinia pestis নামক ব্যাকটেরিয়ার কারণে সৃষ্টি হয়েছিল।এটি প্রধানত ১৩৪৬ থেকে ১৩৫৩ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে ইউরোপ, এশিয়া (ইউরেশিয়া) এবং উত্তর আফ্রিকাজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছিল। ৩) কে বলেছিলেন মানুষই সবকিছুর মানদণ্ড?        •এই বিখ্যাত উক্তিটি যিনি করেছিলেন তিনি হলেন প্রাচীন গ্রিসের একজন প্রখ্যাত দার্শনিক, যার নাম প্রোটাগোরাস (Protagoras)।তাঁর মূল বক্তব্যটি ছিল-"মানুষই সবকিছুর মানদণ্ড, যা আছে তারও, আর যা নেই তারও।” ৪) পেত্রাক কেন বিখ্যাত?         •পেত্রাক (Francesco Petrarca) ছিলেন ১৪ শতকের (১৩০৪-১৩৭৪) একজন ...

টপ্পা গান। বাংলা টপ্পা গানের বৈশিষ্ট্য আলোচনা করে এই ধারায় নিধুবাবু (রামনিধি গুপ্ত)-র অবদান সংক্ষেপে আলোচনা করো।

টপ্পা গান। বাংলা টপ্পা গানের বৈশিষ্ট্য আলোচনা করে এই ধারায় নিধুবাবু (রামনিধি গুপ্ত)-র অবদান সংক্ষেপে আলোচনা করো। পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় বাংলা মাইনর প্রথম সেমিস্টার ইউনিট ৩।            আমরা জানি যে,অষ্টাদশ শতাব্দীর শেষার্ধ এবং ঊনবিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধ ছিল বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে এক 'যুগসন্ধিকাল'। এই সময়ে মধ্যযুগীয় দেব-নির্ভরতা কাটিয়ে বাংলা সাহিত্য ও সংগীতে প্রথম নাগরিক ও মানবীয় চেতনার উন্মেষ ঘটে। এই ধারার অন্যতম শ্রেষ্ঠ ফসল হলো 'টপ্পা গান'। মূলত পাঞ্জাবের উটচালকদের লোকগীতি থেকে উৎপন্ন এই ধারাটিকে বাংলা মার্গসংগীত বা উচ্চাঙ্গসংগীতের আঙিনায় জনপ্রিয় করে তোলেন রামনিধি গুপ্ত, যিনি বাঙালির কাছে আদর করে 'নিধুবাবু' নামে পরিচিত ছিলেন।     ১. টপ্পা গানের উৎপত্তি ও স্বরূপঃ  'টপ্পা' শব্দটির মূল উৎস হিন্দি 'তপনা' বা 'টপকা' শব্দ থেকে, যার অর্থ 'লাফ দেওয়া' বা 'সংক্ষিপ্ত'। রাধামোহন সেন তাঁর 'সঙ্গীততরঙ্গ' গ্রন্থে লিখেছেন- "পাঞ্জাব হইতে হইল টপ্পার জনম / দুই চরণের মধ্যে তাহার নিয়ম।"       আসলে জনশ্রুতি অনুযায়...