Skip to main content

Posts

ন্যায় দর্শন মতে প্রমা ও প্রমাণ কি আলোচনা কর।

         ভূমিকা - প্রমা কথাটির অর্থ হলো যথার্থ বা উৎকৃষ্ট বা প্রকৃষ্ট জ্ঞান। অর্থাৎ প্রমা= প্র+মা। যেখানে প্র= যথার্থ বা প্রকৃষ্ট , আর মা=জ্ঞান। অর্থাৎ প্রমা কথাটির অর্থ দাঁড়ায় যথার্থ বা উৎকৃষ্ট জ্ঞান। এই জ্ঞান দুই প্রকার- অনুভব ও স্মৃতি।      'অনুভব' হলো নিরপেক্ষ জ্ঞান। এই জ্ঞান বিষয় থেকে উৎপন্ন হয়। আর 'স্মৃতি' হলো সাপেক্ষ জ্ঞান। এই জ্ঞান বিষয়ের সাপেক্ষ থেকে উৎপন্ন হয়। সুতরাং ন্যায় মতে প্রমা হল অনুভব এবং যথার্থ অনুভব। আর সেই মত অনুযায়ী--               ১) প্রমা হলো অনুভব।             প্রমা হল সেই অনুভব, যা বস্তু বা বিষয়ের অনুরূপ হবে। আর সেই কারণে ঘট প্রত্যক্ষের ক্ষেত্রেই ঘঠত্ব বিশিষ্ট ঘটের অনুভব হবে।           ২) প্রমা হলো বিপর্যয়শূন্য অনুভব।          বিপর্যয় হলো ভ্রান্তি বা মিথ্যা জ্ঞান। যে জ্ঞানে দড়িতে সাপের অনুভব হতে পারে। কিন্তু সেক্ষেত্রে আসলে সাপ নেই, সাপের অনুভব হবে। যেটির ভ্রান্তির নাম বিপর্যয়। তবে প্রত্যক্ষের ক্ষ...

কান্টের শর্তহীন আদেশ বা নিঃশর্ত আদেশ তত্ত্বটি লেখ।

ভূমিকা - কান্টের মতে নৈতিক নিয়ম হলো বিশুদ্ধ ব্যবহারিক বুদ্ধির শর্তহীন আদেশ আর সেই আদেশ অনিবার্য ও সার্বিক। আসলে তার মতে যেকোনো নিয়মের দুটি দিক থাকে-আকার ও উপাদান। আকার গত ভাবে সকল নিয়ম সার্বিক আর সেই আকারের উৎস হলো বিশুদ্ধ বুদ্ধি। নিয়মের উপাদান ইন্দ্রজাত ফলে পরিবর্তনশীল উপাদানের জন্য বিভিন্ন নিমের মধ্যে পার্থক্য লক্ষ্য করা যায়। যার ফলে প্রকৃত অর্থে তা সার্বিক হয় না। আসলে---            কান্টের মতে নৈতিক নিয়ম সম্পূর্ণরূপে আকারগত, উপাদান শূন্য। ফলে নৈতিক নিয়ম প্রকৃত অর্থে সার্বিক। তাই নৈতিক নিয়ম দেশ, কাল, সমাজ, জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে প্রতি মানুষের ক্ষেত্রে ব্যতিক্রমহীন ভাবে সমান ভাবে প্রযোজ্য ও কার্যকর। নৈতিক নিয়ম এই জন্যই আবশ্যিক যে এই নিয়মকে অস্বীকার করা যায় না। আর অস্বীকার করলে যৌক্তিক স্ববিরোধ হবে। তাই -----            কান্টের মতে উপাদান সুন্দর ব্যক্তি নিরপেক্ষ শর্তহীন আদেশের আকারটি এইরূপ হবে-" তুমি এমন নিয়োগ অনুসারে কাজ কর যা যেকোনো অবস্থায় যেকোনো ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।" কান্ট নিজেই প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ কর...

ইতিহাস/ দ্বিতীয় সেমিস্টার/২০২১

 ১) গ্ৰহন মোক্ষ পরিগ্রহ নীতি কে এবং কেন গ্রহণ করেছেন? উত্তর - সম্রাট সমুদ্রগুপ্ত গ্রহণ মুখ্য পরিগ্রহ নীতি গ্রহণ করেছিলেন । তিনি এই নীতি গ্রহণ করেছিলেন দক্ষিণ ভারত বিজয় কালীন। ২) গুপ্ত যুগের দুজন বিখ্যাত বিজ্ঞানের নাম লেখো। উত্তর - গুপ্ত যুগের দুজন বিজ্ঞানী হলেন আর্যভট্ট এবং বরাহমিহির। ৩) কালিদাসের রচিত দুটি গ্রন্থের নাম লেখো। উত্তর - মহাকবি কালিদাসের উল্লেখযোগ্য রচনাগুলো ঋতুসংহার','মেঘদূত','রঘুবংশ',ও 'কুমারসম্ভব' -এই চারটি কাব্য । ৪) কোন গুপ্ত সম্রাট হুনদের পরাজিত করেছিলেন? উত্তর - মালবরাজ রাজা যশোধর্মন হূণদের পরাজিত করেন। ৫) কে উত্তর পথনাথ উপাধি গ্রহণ করেছিলেন? উত্তর - হর্ষবর্ধন উত্তরাপথনাথ উপাধি গ্রহণ করেছিলেন। ৬) অগ্রহার ব্যবস্থা কি ছিল? উত্তর -খ্রিস্টীয় চতুর্থ শতকের প্রথম দিকে ব্রাহ্মণদের গ্রাম দানের রীতি গড়ে উঠেছিল। আর ব্রাহ্মণদের এই গ্রাম দানের ব্যবস্থাকে বলা হয় অগ্রহার ব্যবস্থা। ৭) নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ের তাৎপর্য কী ছিল? উত্তর -বিহার রাজ্যের নালন্দা জেলার রাজগীরে অবস্থিত নালন্দা একটি বিশ্ববিদ্যালয় ও সর্বজনীন কেন্দ্র। এটি সমকালীন ভারতে বৌদ্ধ ধর্ম...

ইতিহাস, দ্বিতীয় সেমিস্টার ২০২০

 ১) গ্রহণ মোক্ষ পরিগ্রহ নীতি কে কেন গ্রহণ করেছিলেন? উত্তর - সম্রাট সমুদ্রগুপ্ত গ্রহণ মুখ্য পরিগ্রহ নীতি গ্রহণ করেছিলেন । তিনি এই নীতি গ্রহণ করেছিলেন দক্ষিণ ভারত বিজয় কালীন। ২) কার রাজত্বকালে হিউয়েনসাঙ ভারতবর্ষ পরিদর্শন করেছিলেন? তার লিখিত গ্রন্থটির নাম কি? উত্তর - সম্রাট হর্ষবর্ধনের রাজত্বকালে হিউয়েনসাঙ ভারতবর্ষ পরিদর্শন করেছিলেন। তাঁর লেখা গ্রন্থটির নাম হল- সি ইউ কি। ৩) গুপ্ত যুগের দুজন নাট্যকার ও তাদের রচনার নাম  লেখো। উত্তর - গুপ্ত যুগের দুজন নাট্যকার হলেন- কালিদাস এবং বিশাখ দত্ত। কালিদাসের লেখা বিখ্যাত নাটক অভিজ্ঞানশকুন্তলম এবং বিশাখদত্তের নাটক মুদ্রারাক্ষস। ৪) গুপ্ত যুগের দুজন বিখ্যাত জ্যোতির্বিদের নাম লেখো। উত্তর - গুপ্ত যুগের দুজন বিখ্যাত জ্যোতির্বিদ হলেন আর্যভট্ট এবং বরাহমিহির। ৫) এলাহাবাদ প্রশস্তি কে রচনা করেন এই গ্রন্থটিতে কার কৃতিত্ব বর্ণনা করা হয়েছে উত্তর - হরিসেন এলাবাদ প্রশস্তি রচনা করেন।গ্ৰন্থটিতে সমুদ্রগুপ্তের রাজ্য জয়ের কৃতিত্ব কাহিনী বিবৃত হয়েছে। ৬) গুপ্ত বংশের শেষ দুজন শক্তিশালী শাসকের নাম উল্লেখ কর। উত্তর - গুপ্ত বংশের শেষ দুজন শক্তিশালী শাসক হলেন প্র...

ইতিহাস/দ্বিতীয় সেমিস্টার/২০১৯

 ) উত্তরাপথনাথ উপাধি কে গ্রহণ করেছিলেন? উত্তর - হর্ষবর্ধন উত্তরাপথনাথ উপাধি গ্রহণ করেছিলেন। ২) গুপ্ত যুগের দুজন বিখ্যাত বৈজ্ঞানিক নাম লেখো। উত্তর - গুপ্ত যুগের দুজন বিজ্ঞানী হলেন আর্যভট্ট এবং বরাহমিহির। ৩) কোন গুপ্ত রাজা হুণদের পরাজিত করেছিলেন? উত্তর - মালবরাজ রাজা যশোধর্মন হূণদের পরাজিত করেন। ৪) বিক্রমশিলা মহাবিহার কে প্রতিষ্ঠা করেন এর প্রথম অধ্যক্ষ কে ছিলেন? উত্তর - বিক্রমশিলা মহাবিয়ার প্রতিষ্ঠা করেন ধর্মপাল। যার প্রথম অধ্যক্ষ ছিলেন অতীশ দীপঙ্কর। ৫) হরিসেন রচিত এলাবাদ প্রশস্তিতে কার রাজ্য জয়ের কাহিনী বিবৃত হয়েছে? উত্তর - হরিসেন রচিত এলাবাদ প্রশস্তিতে সমুদ্রগুপ্তের রাজ্য জয়ের কাহিনী বিবৃত হয়েছে। ৬) আর্যভট্ট কেন বিখ্যাত ছিলেন? উত্তর - আর্যভট্ট ছিলেন একজন বিখ্যাত ভারতীয় গণিতবিদ, পদার্থবিদ এবং জ্যোতির্বিদ। প্রাচীন ভারতের সবচেয়ে বিখ্যাত গণিতবিদদের মধ্যে তিনি একজন। ৭)কালিদাসের কয়েকটি উল্লেখযোগ্য রচনার নাম লেখো। উত্তর - মহাকবি কালিদাসের উল্লেখযোগ্য রচনাগুলো ঋতুসংহার','মেঘদূত','রঘুবংশ',ও 'কুমারসম্ভব' -এই চারটি কাব্য । ৮) বর্ধন সাম্রাজ্যের শ্রেষ্ঠ শাসক কে ছ...

রাষ্ট্রবিজ্ঞান, দ্বিতীয় সেমিস্টার -২০২১

১) ভারতীয় সংবিধান প্রণয়নে খসড়া কমিটির ভূমিকা লেখ। উত্তর - ভারতীয় গণপরিষদের পঞ্চম অধিবেশনে খসড়াকমিটি গঠিত হয় ।১৯৪৭ সালে ২৯ আগস্ট সেই গণপরিষদ একটি খসড়া কমিটি গঠন করেন। আর সেই কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হন ডঃ আম্বেদকর। আসলে সংবিধান রচনার জন্য এই খসড়া কমিটি সেদিন গঠিত হয়েছিল। ২) সংবিধানের প্রস্তাবনায় বর্ণিত ভারতীয় রাষ্ট্রের আলোচনা কর। উত্তর - আমরা ভারতের জনগণ। ভারতকে সার্বভৌম সমাজতান্ত্রিক, ধর্মনিরপেক্ষ, গণতান্ত্রিক, সাধারণতন্ত্র রূপে গড়ে তুলতে হবে। ভারতের সকল নাগরিকই যাতে সামাজিক,অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ন্যায় বিচার, চিন্তা, মতপ্রকাশ, বিশ্বাস, ধর্ম এবং উপাসনার স্বাধীনতা সামাজিক প্রতিষ্ঠা অর্জন ও সুযোগের সমতা প্রতিষ্ঠা কথা বলা হয়েছে। ৩) ৪২ তম সংবিধান সংশোধনে কোন বৈশিষ্ট্য যুক্ত হয়েছে? উত্তর - ৪২ তম সংবেদন সংশোধনের মাধ্যমে প্রস্তাবনার যেসব নতুন বৈশিষ্ট্য সংযোজিত হয়েছে তা হলো সমাজতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষ ও জাতীয় সংহতি। ৪) শোষনের বিরুদ্ধে  অধিকার আলোচনা করো। উ- সংবিধানের ২৩নং নম্বর ধারা অনুসারে মানুষকে নিয়ে ব্যবসা, বলপূর্বক শ্রমদান নিষিদ্ধ করা হয়েছে। সংবিধানের ২৪নং নম্বর ধারা অনুস...