Skip to main content

Posts

Showing posts from January, 2026
 ২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন নিয়ে রাজনৈতিক মহলে বিশ্লেষণ শুরু হয়ে গেছে। তবে জ্যোতিষী বা ভবিষ্যৎবক্তার মতো কোনো নির্দিষ্ট আসনে কে জিতবে তা নিশ্চিত করে বলা অসম্ভব, বিশেষ করে রাজনীতির মতো পরিবর্তনশীল ক্ষেত্রে। বর্তমানে (২০২৬ সালের শুরুর দিকের প্রেক্ষাপটে) বিভিন্ন রাজনৈতিক সমীক্ষা এবং গত কয়েকটি নির্বাচনের (২০২১ বিধানসভা ও ২০২৪ লোকসভা) ট্রেন্ড অনুযায়ী বামফ্রন্টের জন্য চ্যালেঞ্জিং অথচ সম্ভাবনাময় কিছু আসনের ধরন নিচে আলোচনা করা হলো: বামফ্রন্টের সম্ভাব্য লড়াইয়ের জায়গাগুলো গত নির্বাচনগুলোতে দেখা গেছে, বামফ্রন্ট বিশেষ করে সিপিআই(এম) তরুণ প্রার্থীদের সামনে এনে শহুরে এবং আধা-শহুরে মধ্যবিত্ত ভোটারদের মধ্যে কিছুটা হারানো জমি ফিরে পাওয়ার চেষ্টা করছে। যে আসনগুলোতে তারা ভালো ফল করতে পারে বা কড়া টক্কর দিতে পারে:  * কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী শিল্পাঞ্চল: যাদবপুর, বালিগঞ্জ, দমদম, কসবা এবং উত্তর কলকাতার কিছু আসনে বামফ্রন্টের ভোট শতাংশে উন্নতির ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। বিশেষ করে যাদবপুর আসনটি সবসময়ই বামেদের জন্য একটি শক্ত ঘাঁটি হিসেবে বিবেচিত হয়।  * নদিয়া ও উত্তর ২৪ পরগনা: চাকদহ বা অশোকনগরের ...

জোড়াসাঁকোর নাট্যশালা কবে প্রতিষ্ঠিত হয়? কমিটি অফ ফাইট কারা ছিলেন? এই থিয়েটারে যে নাটক অভিনীত হয়েছিল সেগুলির অভিনয় বৃত্তান্ত সম্পর্কে লেখ।

জোড়াসাঁকোর নাট্যশালা কবে প্রতিষ্ঠিত হয়? কমিটি অফ ফাইট কারা ছিলেন? এই থিয়েটারে যে নাটক অভিনীত হয়েছিল সেগুলির অভিনয় বৃত্তান্ত সম্পর্কে লেখ। (পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়,পঞ্চম সেমিস্টার, বাংলা,মেজর সিলেবাস)           • আলোচনার শুরুতেই আমরা বলে রাখি যে,জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়ির নাট্যচর্চার ইতিহাস বাংলা থিয়েটারের এক অনন্য অধ্যায়। আসলে জোড়াসাঁকোর ‘ পারিবাহিক নাট্যশালা’ বা জোড়াসাঁকো থিয়েটার প্রতিষ্ঠিত হয় ১৮৬৫ সালে। এটি মূলত জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়ির বৈঠকখানায় স্থাপিত হয়েছিল।আর সেদিন সেখানে-         জোড়াসাঁকো নাট্যশালার কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য পাঁচজন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছিল, যা ইতিহাসে ‘ কমিটি অফ ফাইভ ’ নামে পরিচিত। এই কমিটির সদস্যরা ছিলেন-•১ . গুণেন্দ্রনাথ ঠাকুর•২. জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুর•৩. সারদাপ্রসাদ গঙ্গোপাধ্যায়•৪. কৃষ্ণবিহারী সেন•৫. অক্ষয়চন্দ্র চৌধুরী। (ঠিক এরূপ অসংখ্য বিষয়ভিত্তিক আলোচনা ব্যাখ্যা সাজেশন এবং টিউটোরিয়াল ক্লাসের ভিডিও পেতে ভিজিট করুন আমাদের SHESHER KOBITA SUNDARBAN Youtube channel 🙏 Sa...

বিড়াল প্রবন্ধ অবলম্বনে বঙ্কিমচন্দ্রের সাম্যবাদী চিন্তার পরিচয় দাও

' বিড়াল' প্রবন্ধ অবলম্বনে মার্জারের যুক্তিতর্ক ও বঙ্কিমচন্দ্রের সাম্যবাদী চিন্তার পরিচয় দাও (পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় পঞ্চম সেমিস্টার বাংলা মেজর সিলেবাস কমলাকান্তের দপ্তর)। ভূমিকা: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের 'কমলাকান্তের দপ্তর' গ্রন্থের অন্যতম শ্রেষ্ঠ প্রবন্ধ হলো 'বিড়াল'। আপাতদৃষ্টিতে এটি একটি হাস্যরসাত্মক রচনা মনে হলেও এর অন্তরালে বঙ্কিমচন্দ্র সমাজতন্ত্র ও সাম্যবাদের এক গভীর জীবনদর্শন তুলে ধরেছেন। আফিমখোর কমলাকান্ত এবং একটি চোর বিড়ালের কথোপকথনের মধ্য দিয়ে সমাজের উঁচু ও নিচু তলার বৈষম্য এখানে অত্যন্ত তীব্রভাবে প্রকাশিত। মার্জারের বা বিড়ালের যুক্তিতর্ক: প্রবন্ধে বিড়ালটি কেবল চোর নয়, সে একজন সুবক্তা এবং সমাজ-দার্শনিক। কমলাকান্তের খাওয়ার দুধটুকু খেয়ে ফেলে সে যে যুক্তিগুলো দেয় তা হলো:  * চুরির কারণ: বিড়ালের মতে, কেউ শখ করে চোর হয় না। পেটের জ্বালায় বা ক্ষুধার তাড়নাতেই মানুষ (বা প্রাণী) চুরি করতে বাধ্য হয়। বিড়ালটি বলেছে, "আমি চোর বটে, কিন্তু আমি কি সাধ করিয়া চোর হইয়াছি? খাইতে পাইলে কে চোর হয়?"  * ধনী ও দরিদ্রের বৈষম্য: বিড়াল সমাজের ধনী ও কৃপণ...
West Bengal State University Bengali Major Suggestion 2026-26/Ds-9           বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ঃ কমলাকান্তের দপ্তর  পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের (WBSU) বিগত কয়েক বছরের প্রশ্নপত্র বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের 'কমলাকান্তের দপ্তর' থেকে মূলত কমলাকান্তের দর্শন, হাস্যরস, দেশপ্রেম এবং নির্দিষ্ট কিছু প্রবন্ধ (যেমন: 'আমার মন', 'বিড়াল', 'একা') থেকে প্রশ্ন বেশি আসে। আপনার সুবিধার্থে সাল অনুযায়ী প্রশ্নগুলো নিচে সাজিয়ে দেওয়া হলো: ২০২৩ সাল  * ১০ নম্বরের প্রশ্ন: 'কমলাকান্তের দপ্তর' গ্রন্থে বঙ্কিমচন্দ্রের যে সমাজচিন্তা ও স্বদেশপ্রেম ফুটে উঠেছে তা আলোচনা করো।  * ৫ নম্বরের প্রশ্ন: 'বিড়াল' প্রবন্ধ অবলম্বনে সাম্যবাদী চেতনার পরিচয় দাও।  * ২ নম্বরের প্রশ্ন: * 'কমলাকান্তের দপ্তর' কত সালে প্রথম প্রকাশিত হয়?    * "আমি চোর অপেক্ষা দয়ালু"—উক্তিটি কার? ২০২২ সাল  * ১০ নম্বরের প্রশ্ন: "কমলাকান্ত একাধারে বঙ্কিমচন্দ্রের প্রতিনিধি এবং এক খ্যাপাটে দার্শনিক"—গ্রন্থটি অবলম্বনে এই মন্তব্যের সার্থকতা বিচার ক...

বাংলা মেজর সাজেশন DS8/২০২৫-২৬

West Bengal State University Bengali Major DS8 Suggestion ২০২৫-২৬                   •রামায়ণঃ কৃত্তিবাস ওঝা• • কৃত্তিবাস অনুদিত রামায়ণ কাব্যের কাহিনী গ্রন্থন ও চরিত্রচিত্রনে বাঙালির আঞ্চলিক সত্তার প্রভাব পড়েছে- আলোচনা করো।২০২২ •**** রামায়ণ কাব্যের লঙ্কাকাণ্ডের বীররস ও ভক্তিরসের যে মিশ্রণ কৃত্তিবাস দেখিয়েছেন তা আলোচনা করো। • ****কৃত্তিবাসী রামায়ণ মধ্যযুগীয় বাঙালির ভক্তিবাদের কাব্য-আলোচনা করো।২১ •**** কৃত্তিবাস ওঝার শ্রীরাম পাঁচালী অবলম্বনে সীতার অগ্নিপরীক্ষা বৃত্তান্ত আলোচনা করে কবিকৃতির পরিচয় দাও।২১               মনসামঙ্গলঃ বিপ্রদাস পিপলাই  •*** বিপ্রদাস পিপলাই এর মনসামঙ্গল কাব্য অবলম্বনে উক্ত সময়ের সমাজ ভাবনা বা সামাজিক অনুসঙ্গ কীভাবে তাঁর কাব্যের বিষয় হয়ে উঠেছে, তোমার পাঠ্য অবলম্বনে আলোচনা করো।২২  •**বেহুলা চরিত্র বিপ্রদাসের কবি ভাবনার অপূর্ব পরিচয় বহন করেছে -আলোচনা করো।২২ *** • বিপ্রদাস পিপলাইয়ের মনসামঙ্গল কাব্যে পৌরাণিক ও লৌকিক উপাদান কিভাবে পরিস্ফুট  হয়েছে- আলোচনা করো।২১ •**...

বাংলা নাট্য সাহিত্যের ইতিহাসে বেঙ্গল থিয়েটার প্রতিষ্ঠা ও নাট্যচর্চার ইতিহাস আলোচনা করো।

বাংলা নাট্য সাহিত্যের ইতিহাসে বেঙ্গল থিয়েটার প্রতিষ্ঠা ও নাট্যচর্চার ইতিহাস আলোচনা করো (পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় পঞ্চম সেমিস্টার বাংলা মেজর সিলেবাস)।          আলোচনার শুরুতেই আমরা বলে রাখি যে,বাংলা নাট্যমঞ্চের ইতিহাসে ‘বেঙ্গল থিয়েটার’ একটি অবিস্মরণীয় নাম। এটি কেবল একটি রঙ্গমঞ্চ ছিল না, বরং বলা যায়,বাংলা পেশাদার নাট্যচর্চার মোড় ঘুরিয়ে দেওয়ার কারিগর ছিল।আর সেই-              বেঙ্গল  থিয়েটারের প্রধান উদ্যোক্তা ছিলেন শরৎচন্দ্র ঘোষ। আর   তাঁর এই কার্যে প্রধান সহযোগী ছিলেন বিহারীলাল চট্টোপাধ্যায়।এ ছাড়াও গুড়ুদাস চট্টোপাধ্যায় ও নীলমাধব চক্রবর্তী এই মহতী প্রচেষ্টায় শামিল ছিলেন বলে জানা যায়। সেই সময়কালটি হলো- ১৮৭৩ সালের ১৬ই আগস্ট এই থিয়েটারটি প্রতিষ্ঠিত হয়। যেটি   কলকাতার ১০ নম্বর বিডন স্ট্রিটে (বর্তমান ছাতুবাবু-লাটুবাবুর বাজারের উত্তরে) অবস্থিত ছিল। তবে এই-        থিয়েটারটি ছিল কলকাতার প্রথম স্থায়ী রঙ্গমঞ্চ, যা কেবল নাট্যাভিনয়ের উদ্দেশ্যেই নির্মিত হয়েছিল (এর আগে অধিকাংশ থিয়েটার ছিল অ...

বাংলা নাট্য সাহিত্যের ইতিহাসে গণনাট্য আন্দোলনের পটভূমি বৈশিষ্ট্য ও গুরুত্ব আলোচনা করো ।

বাংলা নাট্য সাহিত্যের ইতিহাসে গণনাট্য আন্দোলনের পটভূমি বৈশিষ্ট্য ও গুরুত্ব আলোচনা করো (পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় পঞ্চম সেমিস্টার বাংলা মেজর সিলেবাস)।             বাংলা নাটকের ইতিহাসে ১৯৪০-এর দশক এক যুগান্তকারী পরিবর্তনের সময়। এই সময় প্রথাগত বাণিজ্যিক থিয়েটারের খোলস ভেঙে আত্মপ্রকাশ করে 'ভারতীয় গণনাট্য সঙ্ঘ' (Indian People's Theatre Association - IPTA)। ১৯৪৩ সালের ২৫ মে বম্বেতে নিখিল ভারত সম্মেলন হলেও বাংলায় এর প্রভাব ছিল সুদূরপ্রসারী।আর সেখানে- ১. আন্দোলনের পটভূমি (Historical Background)         গণনাট্য আন্দোলনের জন্ম হয়েছিল এক চরম সংকটের মুহূর্তে। এর নেপথ্যে কাজ করেছিল একাধিক গুরুত্বপূর্ণ কারণ-          দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের দামামা এবং বিশ্বজুড়ে ফ্যাসিবাদের বর্বরতা শিল্পীদের মনে গভীর রেখাপাত করে। ১৯৪২-এ ফ্যাসিবাদ বিরোধী লেখক ও শিল্পী সঙ্ঘ গঠিত হয়, যা গণনাট্যের জমি তৈরি করে।   ব্রিটিশ সৃষ্ট কৃত্রিম দুর্ভিক্ষে বাংলার  ১৩৫০ সালে পথে-ঘাটে মানুষের মৃত্যু নাট্যকারদের বিবেকের সামনে প্রশ্নবোধক চিহ্ন ...

নবনাট্য আন্দোলন: সংজ্ঞা, পটভূমি ও গুরুত্ব আলোচনা করো ।

নবনাট্য আন্দোলন: সংজ্ঞা, পটভূমি ও গুরুত্ব আলোচনা করো (পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় পঞ্চম সেমিস্টার বাংলা মেজর সিলেবাস)।           বাংলা নাটকের ইতিহাসে চল্লিশের দশকে প্রথাগত ও বাণিজ্যিক ধারার বিপরীতে যে গণমুখী ও প্রগতিশীল নাট্যচর্চার সূচনা হয়, তাকেই ' নবনাট্য আন্দোলন' বলা হয়। এটি কেবল নাট্যরীতির পরিবর্তন ছিল না, ছিল সমাজ পরিবর্তনের এক শৈল্পিক লড়াই।আর সেই - ১) • আন্দোলনের পটভূমিঃ  কোনো আন্দোলনই আকস্মিক নয়; নবনাট্য আন্দোলনের মূলে ছিল তৎকালীন ভয়াবহ সামাজিক ও রাজনৈতিক পরিস্থিতি-           দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ও মহাবীর্যঃ যুদ্ধের অস্থিরতা এবং ১৯৪৩-এর (১৩৫০ বঙ্গাব্দ) ভয়াবহ মন্বন্তর বাংলার সমাজজীবনকে বিপর্যস্ত করে দিয়েছিল। না খেতে পেয়ে মানুষের মৃত্যু নাট্যকারদের বিবেককে নাড়িয়ে দেয়।       ফ্যাসিবাদ বিরোধী চেতনাঃ  বিশ্বজুড়ে ফ্যাসিবাদের উত্থানের বিরুদ্ধে শিল্পী-বুদ্ধিজীবীরা ঐক্যবদ্ধ হচ্ছিলেন। ১৯৪২ সালে গঠিত হয় 'ফ্যাসিবাদ বিরোধী লেখক ও শিল্পী সঙ্ঘ'।         আই.পি.টি.এ বা গণনাট্য সঙ্ঘের প্রতিষ্ঠাঃ ...

তৃতীয় সেমিস্টার রাষ্ট্রবিজ্ঞান মাইনর ছোট প্রশ্ন ও উত্তর।

পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের (WBSU) NEP সিলেবাস অনুযায়ী 'Comparative Government and Politics' (তুলনামূলক সরকার ও রাজনীতি) পেপারটির ওপর ভিত্তি করে পরীক্ষায় আসার মতো গুরুত্বপূর্ণ ৪২ নম্বরের প্রশ্ন ও উত্তর। ১. তুলনামূলক রাজনীতি বলতে কী বোঝেন?         উত্তর : বিভিন্ন দেশের রাজনৈতিক ব্যবস্থা, প্রতিষ্ঠান, প্রক্রিয়া এবং আচরণের মধ্যে পদ্ধতিগতভাবে যে সাদৃশ্য ও বৈসাদৃশ্য আলোচনা করা হয়, তাকেই তুলনামূলক রাজনীতি বলে। ২ . তুলনামূলক সরকার ও তুলনামূলক রাজনীতির একটি পার্থক্য লিখুন।       উত্তরঃ তুলনামূলক সরকার কেবল বিভিন্ন দেশের বিধিবদ্ধ সরকারি প্রতিষ্ঠান (যেমন—আইনসভা, শাসনবিভাগ) নিয়ে আলোচনা করে, কিন্তু তুলনামূলক রাজনীতি সরকারি প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি বেসরকারি গোষ্ঠী (যেমন—চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী, রাজনৈতিক দল) নিয়ে আলোচনা করে। ৩. শাসনতান্ত্রিকতা বা সংবিধানবাদ ( Constitutionalism) কী?      উত্তরঃ যখন কোনো দেশের শাসনব্যবস্থা একটি নির্দিষ্ট সংবিধান মেনে চলে এবং সরকারের ক্ষমতা সীমাবদ্ধ থাকে, তাকেই সংবিধানবাদ বলে। এটি আইনের অনুশাসন ও স্বৈরাচারী ক্ষমতার অভা...

চীনের গণ প্রকিউরেট ব্যবস্থার গঠন ও কার্যাবলী আলোচনা করো ।

চীনের গণ প্রকিউরেট ব্যবস্থার গঠন ও কার্যাবলী আলোচনা করো পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় তৃতীয় সেমিস্টার রাষ্ট্রবিজ্ঞান মাইনর সিলেবাস  ১. গণ প্রকিউরেটরেটের গঠন (Structure)       চীনের সংবিধান অনুযায়ী, প্রকিউরেটরেট হলো রাষ্ট্রের আইনগত তত্ত্বাবধায়ক সংস্থা। এর গঠন অনেকটা পিরামিডের মতো, যা নিচে থেকে উপরে বিন্যস্ত:      সর্বোচ্চ গণ প্রকিউরেটরেট (Supreme People's Procuratorate): এটি চীনের সর্বোচ্চ প্রকিউরেট সংস্থা। এটি সরাসরি ন্যাশনাল পিপলস কংগ্রেস (NPC) এবং তার স্থায়ী কমিটির কাছে দায়বদ্ধ থাকে।স্থানীয় গণ প্রকিউরেটরেট প্রশাসনিক স্তর অনুযায়ী এগুলি তিন ভাগে বিভক্ত—    ১. প্রদেশ ও স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলের প্রকিউরেটরেট।    ২. জেলা ও শহর স্তরের প্রকিউরেটরেট।    ৩. প্রাথমিক বা তৃণমূল স্তরের প্রকিউরেটরেট।         বিশেষ গণ প্রকিউরেটরেটঃ এর মধ্যে মূলত সামরিক প্রকিউরেটরেট এবং রেলওয়ে পরিবহণ প্রকিউরেটরেট অন্তর্ভুক্ত। ২. গণ প্রকিউরেটরেটের কার্যাবলী (Functions ) চীনের প্রকিউরেটরেট ব্যবস্থার কাজ বহুমুখী। এদের প্রধান দায়িত্...

পঞ্চম সেমিস্টার বাংলা মাইনর সাজেশন ২০২৫-২৬

West Bengal State University 5th. Semester Bengali Minor Suggestion 2025-26. ইউনিট-১, উনিশ শতকের গদ্য ও সাময়িক পত্রের উদ্ভব এবং ক্রমবিকাশের ইতিহাস। *** বাংলা গদ্য সাহিত্যে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে বাংলা গদ্যুরীতির জনক বা গদ্য ভাষার যথার্থ শিল্পী বলা হয়- আলোচনা করো। ** বাংলা প্রবন্ধ সাহিত্যে বঙ্কিমচন্দ্রের অবদান বা প্রবন্ধকার হিসাবে তাঁর অননৃতা বিচার করো। ** বাংলা গদ্য সাহিত্যের বিকাশে রাজা রামমোহন রায়ের অবদান আলোচনা করো। *** বাংলা সাময়িক পত্রের উদ্ভব ও বিকাশে দিকদর্শন থেকে বঙ্গদর্শন পত্রিকার ভূমিকা  আলোচনা কর। (বিশেষকরে তত্ত্ববোধিনী, বিবিধার্থ সংগ্রহ, সংবাদ প্রভাকর ও বঙ্গদর্শন পত্রিকা) *** বাংলা গদ্য সাহিত্যের বিকাশে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ ও শ্রীরামপুর মিশনের অবদান আলোচনা করো টীকাঃ বঙ্গদর্শন বা বিবিধার্থ পত্রিকা, শ্রীরামপুর মিশন, কালীপ্রসন্ন সিংহ,অক্ষয় কুমার দত্ত। ইউনিট-২, ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর- সীতার বনবাস। *** সীতার বনবাস গ্রন্থের অনুবাদে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের মৌলিকতার পরিচয় দাও।  *** সীতার বনবাস গ্রন্থ অবলম্বনে সীতা চরিত্রের দৃঢ়তা ও সহিষ্ণুতা ও সমাজের কঠোরতা বিদ্যাস...
  আপন কথাঃ অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর  ক) *** সেই রাতে একটা ইংরেজি কথা জানলেম- "সাইক্লোন"- সাইক্লোন রচনায় শৈশবের নানা স্মৃতি চারণের সূত্রে অবীন্দ্রনাথ এই সাইক্লোন যে অভিজ্ঞতা বিবৃত করেছেন তার পরিচয় দাও। আপন কথা গ্রন্থে লেখকের প্রকাশভঙ্গির বিশেষত্ব আলোচনা করো। আপন কথা গ্রন্থে সমসের কোচম্যানের বিচিত্র বেশভূষা ও পোশাক পরিপাঠ্যের পরিচয় দাও। "কোন গাঁয়ের কোন ঘর ছেড়ে এসেছিল অন্ধকারের মত কালো আমার পদ্মদাসী।"অবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শিশুমনে কীভাবে আলো ছড়িয়ে দিয়েছিল কালো পদ্মদাসী,আলোচনা করো। আপন কথা গ্রন্থে অবনীন্দ্রনাথ জীবনীসাহিত্যে ঘরোয়া কথনভঙ্গির যে স্বাদ এনেছেন তার পরিচয় দাও। উত্তরের ঘর প্রবন্ধে চিত্রশিল্পী অবনীন্দ্রনাথ রচনাকার অপেক্ষা অনেক বেশি প্রত্যক্ষ-আলোচনা করো। আপন কথা গ্রন্থে রামলাল চরিত্রটির গুরুত্ব সংক্ষেপে আলোচনা কর কিম্বা  ব্যাপ্টাইজ হয়ে গেছি।কথাটা কীভাবে অবনীন্দ্রনাথের শৈশবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছিল তার আলোচনা করো। 'আপন কথা বাংলা সাহিত্যে এক অনন্য সৃষ্টি'-মন্তব্যটির আলোয় গ্রন্থটির শ্রেণী নির্ণয় করো। 'এ আমল সে আমল' রচনায় অবীন্দ্রনাথ ঠাক...
  WBSU Bengali Major 6th. Semester Question DS-11 •' স্বামীজীকে যেরূপ দেখিয়াছি'- ভগিনী নিবেদিতা। ক) *** স্বামীজীকে যে রূপ দেখিয়াছি গ্রন্থ অবলম্বনে স্বামীজীর মহাপ্রস্থান প্রসঙ্গটির পরিচয় দাও। খ) *** স্বামীজিকে যে রূপ দেখিয়াছি গ্রন্থে পঞ্চম পরিচ্ছেদে উত্তর ভারতের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যক বর্ণনা প্রসঙ্গে স্বামীজীর যে গভীর স্বদেশপ্রেমের পরিচয় পাওয়া যায় তা নিজের ভাষায় লেখ।  গ) স্বামীজীকে যেরূপ দেখিয়াছি' গ্রন্থে নিবেদিতার দৃষ্টিতে সারদা দেবীর পরিচয় যেভাবে উপস্থাপিত হয়েছে তার বর্ণনা দাও। ঘ)***  'সময়টা ছিল নভেম্বর মাসের এক রবিবারে শীতল অপরাহ্ন'-সেই সময় কি ঘটেছিল আলোচনা করো।/ স্বামীজিকে যে রূপ দেখিয়েছি গ্রন্থে স্বামীজীর সঙ্গে ভগিনী নিবেদিতার প্রথম সাক্ষাতের বিষয়টি সম্পর্কে আলোচনা করো। উঃ) স্বামীজীকে যেরূপ দেখিয়াছি গ্রন্থে স্বামীজীর সঙ্গে নিবেদিতার প্রথম সাক্ষাতের যে ছবি ফুটে উঠেছে তা আলোচনা কর  চ) স্বামীজীকে যেরূপ দেখিয়েছে গ্রন্থে ভারতবর্ষের অতীত ও ভবিষ্যৎ বিষয়ে নিবেদিতার বক্তব্য বিবৃত করো। ছ) পওহারী বাবা সম্পর্কে আলোচনা করো।/মরণ কি বাদ হাতি কাজ দাঁত-প্রবাদটি ব্...

পাবলো নেরুদার 'অসুখী একজন' কবিতা

পাবলো নেরুদার 'অসুখী একজন' কবিতার মূল বিষয়বস্তু আলোচনা করো পশ্চিমবঙ্গ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ দশম শ্রেণি বাংলা প্রথম সেমিস্টার।          আমরা কবিতার শুরুতে দেখতে পাই- কথক তার প্রিয়তমাকে দরজায় দাঁড় করিয়ে রেখে এক অনিশ্চিত গন্তব্যে চলে যান। তবে সেই মেয়েটি ছিল একনিষ্ঠ অনুরাগের প্রতীক। কিন্তু সে জানত না যে, তার প্রিয়জন আর কোনোদিন ফিরবে না! এভাবেই বছরের পর বছর কেটে যায়।আর কথকের ফেলে যাওয়া পথে ঘাস জন্মায়, কিন্তু মেয়েটির প্রতীক্ষার শেষ হয় না। তবে -             শান্তিপূর্ণ সময়ে র অবসান ঘটিয়ে হঠাৎ ধেয়ে আসে ভয়ংকর যুদ্ধ। কবি একে ' রক্তের এক আগ্নেয় পাহাড়ের ' সাথে তুলনা করেছেন।যুদ্ধের আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে যায় সাধারণ মানুষের সাজানো ঘরবাড়ি, স্মৃতিমাখা আসবাব (যেমন—গোলাপি গাছ, জলতরঙ্গ, চিমনি)। এমনকি মন্দিরে ধ্যানমগ্ন দেবতারাও এই ধ্বংসলীলা থেকে রেহাই পান না; তাঁরাও টুকরো টুকরো হয়ে ভেঙে পড়েন।আর-        যুদ্ধের বীভৎসতায় চারিদিকে শুধু ছড়িয়ে থাকে ধ্বংসস্তূপ , কাঠকয়লা আর দোমড়ানো লোহা।শহরটি এক জনশূন্য শ্মশানে পরিণত হয়। কিন্তু আশ্চর্যের বি...

স্বামীজিকে যেরূপ দেখিয়াছি'ভগিনী নিবেদিতা।

পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের (WBSU) পঞ্চম সেমিস্টার বাংলা মেজরের সিলেবাসে ' স্বামীজীকে যেরূপ দেখিয়াছি' গ্রন্থ, ভগিনী নিবেদিতা।           •৫ নম্বরের ব্যাখ্যামূলক প্রশ্ন (মান - ৫)• ১. "ভারতের ধূলিকণা পর্যন্ত তাঁহার নিকট পবিত্র ছিল"— নিবেদিতার এই উক্তির আলোকে স্বামীজীর দেশপ্রেমের পরিচয় দাও। ২. স্বামীজীর কাছে 'শিবত্ব' বা আধ্যাত্মিকতার আদর্শ কীরূপ ছিল? নিবেদিতা তা কীভাবে বর্ণনা করেছেন? ৩. ক্ষীরভবানী মন্দিরে স্বামীজীর যে আধ্যাত্মিক উপলব্ধি হয়েছিল, তার সংক্ষিপ্ত বিবরণ দাও। ৪. স্বামীজী কীভাবে নিবেদিতাকে ভারতের নারী শিক্ষার আদর্শে অনুপ্রাণিত করেছিলেন? ৫. নিবেদিতার ভারত সেবা ব্রত গ্রহণে স্বামীজীর নির্দেশের ভূমিকা আলোচনা করো। ৬. অমরনাথ যাত্রার পথে স্বামীজীর মানসিক ও শারীরিক অবস্থার যে বর্ণনা নিবেদিতা দিয়েছেন তা সংক্ষেপে লেখো। ৭. নিবেদিতার ব্রহ্মচর্য ও দীক্ষা গ্রহণের মুহূর্তটির বর্ণনা দাও।  •১০ বা ১৫ নম্বরের দীর্ঘ উত্তরধর্মী প্রশ্ন (মান - ১০/১৫)• ১. চরিত্র বিশ্লেষণ : নিবেদিতার বর্ণনায় স্বামী বিবেকানন্দের ব্যক্তিত্বের যে 'কঠোরতা ও কোমলতা'র সংমিশ্রণ দেখা...

পঞ্চম সেমিস্টার বাংলা মেজর সাজেশন ২০২৫-২৬/DS10

            • বাংলা রঙ্গমঞ্চের ইতিহাস •DS-10 *** নাট্য নিয়ন্ত্রণ বিলটির উদ্দেশ্য কি ছিল? বাংলা নাটক ও রঙ্গমঞ্চের ইতিহাসে এর প্রভাব সম্পর্কে আলোচনা করো। ** বাংলা রঙ্গমঞ্চের ইতিহাসে লেবেডফ ও বেঙ্গলি থিয়েটারের গুরুত্ব নির্ণয় করো  *** •বাংলা রঙ্গমঞ্চের ইতিহাসে বেলগাছিয়া নাট্যশালার গুরুত্ব নির্ণয় করো । *** •কবে কোথায় কাদের উদ্যোগে ন্যাশনাল থিয়েটার প্রতিষ্ঠিত হয়? যে নাটক অভিনয়ের মাধ্যমে এই নাট্যশালার সূচনা হয় তার অভিনয় ইতিহাস সম্পর্কে লিপিবদ্ধ করো।  *** •জোড়াসাঁকো নাট্যশালা কবে প্রতিষ্ঠিত হয়? কমিটি অফ ফাইভ কারা ছিলেন ?এই থিয়েটারে যে যে নাটক অভিনীত হয়েছিল সেগুলির অভিনয় বৃত্তান্ত লেখো।২০২০ *** •কবে কার উদ্যোগে কোথায় বেঙ্গলি থিয়েটার স্থাপিত হয়েছিল? এই থিয়েটারে অভিনীত নাটকের ইতিহাস সংক্ষেপে বিবৃত করো।২০১৯ *** বাংলা নাট্যসাহিত্যের ইতিহাসে গণনাট্য আন্দোলনের পটভূমি ও গুরুত্ব আলোচনা করো। ** বাংলা সমাজ ও রাজনীতি পরিবর্তনে গণনাট্য আন্দোলনের প্রভাব আলোচনা করো। *** গণনাট্য আন্দোলনের অন্যতম মাইলফলক নাটক হিসেবে বিজন ভট্টাচার্যের 'নবান্ন' নাটকের সা...

গান্ধীজীর সর্বোদয় ধারণা আলোচনা করো।

গান্ধীজীর সর্বোদয় ধারণা আলোচনা করো পশ্চিমবঙ্গ উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ দ্বাদশ শ্রেণী চতুর্থ সেমিস্টার ইতিহাস।       ১)  আমরা জানি যে,'সর্বোদয়' শব্দটি ' সর্ব' এবং 'উদয়'- এই দুটি শব্দের সমন্বয়ে গঠিত।যার অর্থ হলো-'সকলের কল্যাণ' বা 'সকলের সমান উন্নতি'। গান্ধীজী জন রাস্কিনের বই ' Unto This Last ' দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে এই আদর্শটি প্রচার করেন।          • সর্বোদয় ধারণার প্রধান বৈশিষ্ট্যসমূহ•      •শ্রেণিহীন সমাজ গঠনঃ সর্বোদয় এমন এক সমাজব্যবস্থার কথা বলে যেখানে ধনী-দরিদ্রের ভেদাভেদ থাকবে না এবং শোষক ও শোষিতের কোনো স্থান থাকবে না।      • শ্রমের মর্যাদাঃ  গান্ধীজী বিশ্বাস করতেন যে,একজন নাপিতের কাজ এবং একজন উকিলের কাজের মূল্য সমান হওয়া উচিত। অর্থাৎ, কায়িক শ্রম ও বুদ্ধিবৃত্তিক শ্রমের মধ্যে কোনো বৈষম্য থাকবে না।      • নিচুতলার মানুষের উন্নয়নঃ  সমাজের সবথেকে পিছিয়ে পড়া বা প্রান্তিক মানুষের উন্নতির মাধ্যমেই প্রকৃত 'সর্বোদয়' সম্ভব।      • অহিংসা ও নৈতিকতাঃ  এই সমাজব্যবস্থা কোন...

মহাত্মা গান্ধীর জাতীয় আন্দোলনে 'সত্যাগ্রহ আন্দোলন।

মহাত্মা গান্ধীর জাতীয় আন্দোলনে 'সত্যাগ্রহ। পশ্চিমবঙ্গ উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের (WBCHSE) দ্বাদশ শ্রেণীর ইতিহাস।           সত্যাগ্রহের মূল দর্শনঃ  আমরা জানি যে ,মহাত্মা গান্ধীর জাতীয় আন্দোলনে ' সত্যাগ্রহ' ছিল একটি অনন্য ও শক্তিশালী হাতিয়ার। যেখানে সত্যাগ্রহ শব্দটি দুটি সংস্কৃত শব্দ-' সত্য ' (Truth) এবং ' আগ্রহ' (Insistence/Hold) থেকে এসেছে।যার আক্ষরিক অর্থ হলো- ' সত্যের প্রতি অবিচল নিষ্ঠা'। আসলে  গান্ধীজীর কাছে এটি কেবল একটি রাজনৈতিক কৌশল ছিল না, ছিল একটি নৈতিক জীবনদর্শন। আর সেখানে সত্যাগ্রহের প্রধান স্তম্ভসমূহ-   ১)  সত্যের অনুসন্ধানঃ  গান্ধীজী বিশ্বাস করতেন সত্যই ঈশ্বর। অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে হলে আগে সত্যের পথে থাকতে হবে।   ২)অহিংসাঃ অহিংসা সত্যাগ্রহের প্রাণভ্রমরা। গান্ধীজীর মতে-"সত্যাগ্রহী কখনও শত্রুকে শারীরিক আঘাত করবেন না। তিনি ঘৃণার বদলে ভালোবাসার মাধ্যমে শত্রুর হৃদয় জয় করবেন। ৩) কষ্টসহিষ্ণুতাঃ  নিজের ওপর কষ্ট বরণ করে নিয়ে প্রতিপক্ষের বিবেককে জাগ্রত করাই হলো সত্যাগ্রহীর কাজ।       ...

পঞ্চম সেমিস্টার বাংলা মেজর প্রশ্নপত্র।

  পঞ্চম সেমিস্টার বাংলাDS 10 Question Paper  •বাংলা রঙ্গমঞ্চের ইতিহাসে লেবেডফ ও বেঙ্গলি থিয়েটারের গুরুত্ব নির্ণয় করো -২০২২ •ঠাকুর বাড়ির জোড়াসাঁকো থিয়েটারে 'কমিটি অফ ফাইভ' কারা ছিলেন?এই নাট্যশালায় অভিনীত নাটকগুলি সম্পর্কে সংক্ষেপে আলোচনা করো। ২২ •বাংলা রঙ্গমঞ্চের ইতিহাসে বেলগাছিয়া নাট্যশালার গুরুত্ব নির্ণয় করো ২০২১ •নাট্য নিয়ন্ত্রণ বিলটির উদ্দেশ্য কি ছিল? বাংলা নাটক ও রঙ্গমঞ্চের ইতিহাসে এর প্রভাব সম্পর্কে আলোচনা করো।২০২১,২০১৯ •কবে কোথায় কাদের উদ্যোগে ন্যাশনাল থিয়েটার প্রতিষ্ঠিত হয়? যে নাটক অভিনয়ের মাধ্যমে এই নাট্যশালার সূচনা হয় তার অভিনয় ইতিহাস সম্পর্কে লিপিবদ্ধ করো। ২০২০ •জোড়াসাঁকো নাট্যশালা কবে প্রতিষ্ঠিত হয়? কমিটি অফ ফাইভ কারা ছিলেন ?এই থিয়েটারে যে যে নাটক অভিনীত হয়েছিল সেগুলির অভিনয় বৃত্তান্ত লেখো।২০২০ •কবে কার উদ্যোগে কোথায় বেঙ্গলি থিয়েটার স্থাপিত হয়েছিল? এই থিয়েটারে অভিনীত নাটকের ইতিহাস সংক্ষেপে বিবৃত করো।২০১৯
বিভক্তির সংজ্ঞা দাও পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদ দশম শ্রেণি বাংলা প্রথম সেমিস্টার।           বিভক্তিঃ যেসব বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি শব্দ বা ধাতুর শেষে যুক্ত হয়ে শব্দকে পদে পরিণত করে এবং বাক্যের অন্তর্গত অন্যান্য পদের সঙ্গে তার একটি সম্বন্ধ স্থাপন করে, তাদের বিভক্তি বলে।সহজ কথায়-         শব্দ + বিভক্তি = পদ। বাক্যে শব্দ সরাসরি বসতে পারে না, তাকে পদে রূপান্তরিত হয়েই বসতে হয়।             • বিভক্তির উদাহরণ ও বিশ্লেষণ• একটি বিশেষ উদাহরণ-  " মা শিশুকে চাঁদ দেখাচ্ছেন।"         এখানে তিনটি পদ আছে যাদের মূলে রয়েছে শব্দ ও বিভক্তি।আর সেই তিনটি পদ হলো-  •মা-মা + ০ (শূন্য বিভক্তি)  • শিশুকে- শিশু + কে (কে বিভক্তি)  • চাঁদ-চাঁদ + ০ (শূন্য বিভক্তি)        এখানে 'কে' বিভক্তিটি যুক্ত হয়ে 'শিশু' শব্দটিকে 'শিশুকে' পদে পরিণত করেছে, যার ফলে বাক্যে তার অর্থ ও অবস্থান পরিষ্কার হয়েছে।                    • বিভক্তির প্রকারভেদ• বাংলা ব্য...

মনসামঙ্গল কাব্যধারায় বিপ্রদাস পিপলাইয়ের স্বকীয়তা ও ঐতিহাসিক মূল্য আলোচনা করো।

মনসামঙ্গল কাব্যধারায় বিপ্রদাস পিপলাইয়ের স্বকীয়তা ও ঐতিহাসিক মূল্য আলোচনা করো (পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় পঞ্চম সেমিস্টার বাংলা মেজর সিলেবাস)।         আলোচনার শুরুতেই আমরা বলে রাখি যে,বিপ্রদাস পিপলাইয়ের ' মনসাবিজয়' (১৪৯৫ খ্রি.) কাব্যটি মনসামঙ্গল ধারার ইতিহাসে একটি মাইলফলক। যেখানে বিপ্রদাস পিপলাই মনসামঙ্গল কাব্যধারার আদি কবিদের অন্যতম। তাঁর স্বকীয়তা মূলত তাঁর নির্ভুল তথ্য প্রদান, ঐতিহাসিক সচেতনতা এবং কাব্যিক পরিমিতিবোধের মধ্যে নিহিত।আর সেখানে আমরা দেখি-          বিপ্রদাসের কাব্যের সবথেকে বড় বৈশিষ্ট্য হলো এর নির্দিষ্ট রচনাকালের উল্লেখ। তিনি লিখেছেন-              " পাঁচশ পনর শকে করিয়া গণন।               বিপ্রদাস রচিলা গীত মনসা চরণ।।"       অর্থাৎ ১৪১৭ শকাব্দ বা ১৪৯৫ খ্রিস্টাব্দে এই কাব্য রচিত। সুলতান আলাউদ্দিন হোসেন শাহের রাজত্বকালের শুরুতে এই কাব্য রচিত হওয়ায় এটি তৎকালীন বাংলার রাজনৈতিক ইতিহাসের একটি অকাট্য দলিল হিসেবে বিবেচিত।     ...

পদিপিসির বর্মীবাক্স' উপন্যাসের কথক এবং কেন্দ্রীয় চরিত্র হিসেবে 'খোকা'র ভূমিকা আলোচনা করো।

পদিপিসির বর্মীবাক্স' উপন্যাসের কথক এবং কেন্দ্রীয় চরিত্র হিসেবে 'খোকা'র ভূমিকা আলোচনা করো। তার সাহসিকতা ও উপস্থিত বুদ্ধি কীভাবে কাহিনীকে এগিয়ে নিয়ে গেছে?  (পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় তৃতীয় সেমিস্টার বাংলা মাইনর সিলেবাস)।      আলোচনার শুরুতেই আমরা বলে রাখি যে,লীলা মজুমদারের 'পদিপিসির বর্মীবাক্স' একটি অনবদ্য কিশোর অ্যাডভেঞ্চার উপন্যাস।আর এই উপন্যাসের কাহিনী আবর্তিত হয়েছে পদিপিসির হারিয়ে যাওয়া গুপ্তধনের বাক্সকে কেন্দ্র করে। এই রহস্য উদ্ঘাটনের প্রধান কাণ্ডারি হলো 'খোকা'।আর সেই খোকার ভূমিকা ও চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যগুলি নিম্ন সূত্রাকারে আলোচনা করা হলো-        উপন্যাসটির শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত আমরা যা দেখি বা শুনি যা, তা সবই কিশোর খোকার জবানবন্দিতে। সে কেবল গল্পের চরিত্র নয়, সে একজন সার্থক কথক । তার চোখ দিয়েই পাঠক পদিপিসির ভিটের রহস্যময় পরিবেশ, লুইত মামার খ্যাপামি আর বর্মীবাক্সের ইতিহাস জানতে পারে। তার সহজ-সরল বর্ণনাই কাহিনীকে পাঠযোগ্য ও জীবন্ত করে তুলেছে। আসলে-          গল্পের মূল চালিকাশক্তি হলো খোকার অদম্য কৌতূহল। বাড়ির ...
 পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের (WBSU) পরীক্ষায় উদ্ধৃতি বা লাইন তুলে প্রশ্ন আসা খুবই স্বাভাবিক। বিশেষ করে ৫ নম্বরের টীকা বা ১০ নম্বরের ব্যাখ্যামূলক প্রশ্নে এই ধরনের প্রশ্ন বেশি দেখা যায়। ২০২৫-২৬ সালের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কিছু সম্ভাব্য উদ্ধৃতি ও তার প্রেক্ষাপট নিচে দেওয়া হলো: ১. অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'রাজকাহিনী' থেকে এই বইটির ভাষা অত্যন্ত আলঙ্কারিক, তাই এখান থেকে উদ্ধৃতি আসার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি।  * "রাজপুতানার বালুকাময় মরুপ্রান্তর আজ রক্তে রাঙা হইয়া উঠিল।"    * প্রশ্ন: কোন যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে এই কথা বলা হয়েছে? লেখকের বর্ণনাভঙ্গির বিশেষত্ব আলোচনা করো।  * "সূর্যকুণ্ডের নীল জল তোলপাড় করিয়া শিলাদিত্য আবির্ভূত হইলেন।"    * প্রশ্ন: শিলাদিত্যের জন্ম-রহস্যটি সংক্ষেপে লেখো।  * "চিতোরের সিংহাসন শূন্য রহিবে না।"    * প্রশ্ন: কোন পরিস্থিতিতে এই কথা বলা হয়েছে? বাপ্পাদিত্যের উত্থান কাহিনীটি আলোচনা করো। ২. উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরীর 'টুনটুনির বই' থেকে এখানকার উদ্ধৃতিগুলো সাধারণত সহজ কিন্তু ব্যঙ্গাত্মক হয়।  * "রাজার ঘরে যে ধন আছে, টুনটুনির ঘরেও ...

টুনটুনি আর রাজার কথা' গল্পে ক্ষুদ্রের জয় ও দম্ভের পরাজয় হয়েছে- আলোচনা করো ।

' টুনটুনি আর রাজার কথা' গল্পে ক্ষুদ্রের জয় ও দম্ভের পরাজয় হয়েছে- আলোচনা করো (পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় তৃতীয় সেমিস্টার বাংলা মাইনর)।         উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরীর 'টুনটুনির বই' বাংলা শিশুসাহিত্যের এক অমূল্য সম্পদ। এই গ্রন্থের অন্যতম জনপ্রিয় গল্প হলো ' টুনটুনি আর রাজার কথা '।এই গল্পে একদিকে যেমন শিশুতোষ বিনোদন আছে, অন্যদিকে লুকিয়ে আছে ক্ষমতা ও দম্ভের বিরুদ্ধে এক সূক্ষ্ম ব্যঙ্গ। আর সেখানে আমরা দেখি--              গল্পের শুরুতে আমরা দেখি এক প্রতাপশালী রাজা, যার হাতে অগাধ ক্ষমতা। অন্যদিকে টুনটুনি এক অতি ক্ষুদ্র ও তুচ্ছ পাখি । দ্বন্দ্বের সূত্রপাত হয় যখন টুনটুনি তার বাসায় পাওয়া একটি টাকা রাজভাণ্ডারের টাকার চেয়েও বেশি দামী বলে দাবি করে। এটি ছিল রাজার অহংকারে প্রথম আঘাত। রাজা তাঁর লোক পাঠিয়ে টাকাটি কেড়ে নেন, কিন্তু টুনটুনি ভয় না পেয়ে রাজাকে ব্যঙ্গ করে বলতে থাকে- " রাজা বড়ই গরিব, আমার টাকা নিয়ে তার ভাণ্ডার ভরে।"          রাজা বারংবার টুনটুনিকে শায়েস্তা করতে চেয়েছেন, কিন্তু প্রতিবারই তিনি পরাস্ত হয়েছ...