Skip to main content

Posts

Showing posts from August, 2025

কেন্দ্রীয় প্রবণতার পরিমাপের বিভিন্ন প্রকার গুলি আলোচনা করো

কেন্দ্রীয় প্রবণতার পরিমাপের বিভিন্ন প্রকার গুলি আলোচনা করো (পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়,চতুর্থ সেমিস্টার, এডুকেশন মাইনর)। কেন্দ্রীয় প্রবণতার পরিমাপঃ  কেন্দ্রীয় প্রবণতা হলো পরিসংখ্যানের একটি ধারণা, যা কোনো ডেটাসেটের কেন্দ্রবিন্দু বা গড় মানকে বোঝায়।আসলে এটি এমন একটি একক সংখ্যা যা সম্পূর্ণ ডেটাসেটের প্রতিনিধিত্ব করে। এর মাধ্যমে বোঝা যায় যে, ডেটার বেশিরভাগ মান কোন নির্দিষ্ট বিন্দুর আশেপাশে জমা হয়েছে। আসলে এখানে কিছু গাণিতিক কৌশল প্রয়োগ করা হয়ে থাকে, যার মধ্যে অন্যতম হলো কেন্দ্রীয় প্রবণতার পরিমাণ। আর এই কেন্দ্রীয় প্রবণতার তিনটি পরিমাপ আছে। সেগুলি হল-গড়,মধ্যমমান এবং সংখ্যাগুরুমান বা ভুষিষ্টক।         • কেন্দ্রীয় পরিমাপের শ্রেণীবিভাগ বা প্রকার • কেন্দ্রীয় প্রবণতাকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়ে থাকে। আর সেই ভাগ গুলি হল-                 ১)গড়(Mean) ২) মধ্যম মান(Median)                                         ৩) ...

শিক্ষামূলক অভীক্ষা বলতে কী বোঝায়

শিক্ষামূলক অভিক্ষা বলতে কি বোঝায় আলোচনা করো (পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় চতুর্থ সেমিস্টার এডুকেশন মাইনর)। শিক্ষামূলক অভিক্ষাঃ আমরা জানি যে, শিক্ষামূলক অভীক্ষা হল সেই অভীক্ষা- যার দ্বারা বিশেষভাবে শিক্ষার্থীর কোন শিক্ষাগত বৈশিষ্ট্যের পরিমাপ করা হয়ে থাকে। আবার এই শিক্ষামূলক অভীক্ষাকে তিন শ্রেণীতে ভাগ করা হয় আর সেই ভাগগুলি হল-        ১) মৌখিক অভীক্ষা  ঃ কোন বিশেষ বিষয়ে শিক্ষার্থীদের লব্ধ জ্ঞানের সুস্পষ্ট ও সঠিক বিচারের জন্য ধারাবাহিকভাবে প্রশ্নকরণের মাধ্যমে যে অভিক্ষা নেওয়া হয় তাকে মৌখিক অভিক্ষা বলে।       ২) লিখিত অভীক্ষাঃ এই অভীক্ষায় শিক্ষার্থীদের শুধুমাত্র কয়েকটি শব্দ ব্যবহার করে বা কতগুলোর নির্দিষ্ট ধারণা থেকে সঠিক উত্তরটিকে নির্বাচন করতে হয়।        ৩) ব্যবহারিক অভীক্ষাঃ যে অভীক্ষার সাহায্যে কোন বিষয় সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের ব্যবহারিক জ্ঞান সংগঠনের দক্ষতার পরিমাপ করা হয় তাকে ব্যবহারিক অভীক্ষা বলা হয়। এছাড়াও শিক্ষামূলক অভিক্ষা কে আবার চার ভাগে ভাগ করা হয়ে থাকে।সেই ভাগ গুলি হল-        ...

মূল্যায়নের কৌশল উপকরণ বলতে কী বোঝো আলোচনা কর

মূল্যায়নের কৌশল এবং উপকরণ বলতে কী বোঝো? (পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় চতুর্থ সেমিস্টার এডুকেশন মাইনর)            • মূল্যায়নের কৌশলঃ আমরা মূল্যায়নের কৌশল বলতে বুঝি যে,কোনো ব্যক্তি, বিষয়, বস্তু বা ঘটনার মান, গুরুত্ব, কার্যকারিতা বা মূল্য নির্ধারণের জন্য ব্যবহৃত পদ্ধতি বা প্রক্রিয়া। আসলে এটি শিক্ষাক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের জ্ঞান, দক্ষতা ও উপলব্ধি পরিমাপের একটি অপরিহার্য অংশ। আর সেখানে মূল্যায়নের উদ্দেশ্য হলো- •শিক্ষার্থীদের পারদর্শিতা সম্পর্কে ধারণা লাভ করা। •শিক্ষকের শিক্ষণ পদ্ধতির কার্যকারিতা যাচাই করা। •শিক্ষার্থীদের দুর্বলতা চিহ্নিত করে তাদের উন্নতিতে সহায়তা করা। •পাঠ্যক্রমের কার্যকারিতা মূল্যায়নকরা।           • মূল্যায়নের উপকরণঃ মূল্যায়নের উপকরণ বলতে আমরা এমন সব সরঞ্জাম বা মাধ্যমকে বুঝি যে, যা ব্যবহার করে শিক্ষার্থীদের জ্ঞান, দক্ষতা, যোগ্যতা এবং উপলব্ধি পরিমাপ করা হয়। শিক্ষকের মূল্যায়নের কৌশলকে বাস্তবায়ন করার জন্য এই উপকরণগুলো অপরিহার্য।আর সেখানে-             এই উপকরণগুলো বিভিন্ন ধর...

প্রফেসর শঙ্কু কীভাবে শঙ্কু ও আদিম মানুষের গল্পে আদিম মানুষের রহস্যের সমাধান কিভাবে করেছিলেন তা আলোচনা করো।

প্রফেসর শঙ্কু কীভাবে শঙ্কু ও আদিম মানুষের গল্পে আদিম মানুষের রহস্যের সমাধান কিভাবে করেছিলেন তা আলোচনা করো (পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়, চতুর্থ সেমিস্টার, বাংলা মাইনর)           আমরা জানি যে,' প্রফেসর শঙ্কু ও আদিম মানুষ ' গল্পে, প্রফেসর শঙ্কু এভিটিউটন (Evituton ) নামক একটি ওষুধ আবিষ্কার করে আদিম মানুষের রহস্যের সমাধান করেন। এই ওষুধ মানুষের বিবর্তন প্রক্রিয়াকে দ্রুততর করতে পারে। গল্পে এক নৃতত্ত্ববিদ, ড. ক্লাইন, অ্যামাজনের গভীর জঙ্গলে একটি আদিম উপজাতি খুঁজে পান যাদেরকে তিনি 'হোমো অ্যাফারেনসিস' বলে মনে করেন। যা প্রায় ৩০ লক্ষ বছর আগের মানুষের মতো। ক্লাইন তাদের মধ্যে থেকে একজনকে ধরে তার গবেষণাগারে খাঁচায় বন্দী করে রাখেন। আদিম মানুষটি হিংস্র, কোনো ভাষা জানে না এবং কাঁচা মাংস খায়। যেখানে -              শঙ্কু যখন এই আদিম মানুষটির অবস্থা জানতে পারেন, তখন তিনি তার এভিটিউটন ওষুধটি ব্যবহার করে তার রহস্যের সমাধান করেন। শঙ্কু বুঝতে পারেন যে এই আদিম মানুষের বিবর্তন ঘটিয়ে তাকে আধুনিক মানুষের পর্যায়ে আনা সম্ভব।আর সেখানে রহস্যের স...

প্রফেসর শঙ্কুর 'ম্যাকাও' গল্পে তাঁর গবেষণার প্রধান সংকট ও তার সমাধান কিভাবে হয়েছিল তা আলোচনা করো ।

প্রফেসর শঙ্কুর 'ম্যাকাও' গল্পে তাঁর গবেষণার প্রধান সংকট ও তার সমাধান কিভাবে হয়েছিল তা আলোচনা করো (পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় চতুর্থ সেমিস্টার বাংলা মাইনর)।        আলোচনার শুরুতেই আমরা বলে রাখি যে,প্রফেসর শঙ্কু একটি নতুন রাসায়নিক ম্যাকিউরিয়া আবিষ্কার করেছিলেন, যে আবিষ্কার আমাদের মস্তিষ্কের ক্ষমতা অনেক গুণ বাড়িয়ে দেয়।আসলে এই ম্যাকিউরিয়া একটি বিশেষ ধরনের ম্যাকাও পাখিকে খাওয়ানোর পর সেই পাখিটি অস্বাভাবিক রকমের বুদ্ধিমান হয়ে ওঠে এবং মানুষের মতো আচরণ করতে থাকে। শঙ্কু তার এই আবিষ্কারকে ডঃ ম্যাকর নামক একজন বিজ্ঞানীর কাছে তুলে ধরেন, যিনি তাকে একসময় তার গবেষণার জন্য সাহায্য করেছিলেন। অতঃপর ম্যাকর শঙ্কুর আবিষ্কারের প্রতি ঈর্ষান্বিত হয়ে ওঠেন। তিনি শঙ্কুকে বলেন যে-                                                                                    " এই আব...

কান্টের মতে কর্তব্যমুখী নীতি তত্ত্বটি ব্যাখ্যা ও বিচার করো।

কান্টের মতে কর্তব্যমুখী নীতি তত্ত্বটি ব্যাখ্যা ও বিচার করো (পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়, চতুর্থ সেমিস্টার, দর্শন মাইনর)।         • কর্তব্যমুখী নীতিঃ  ইমানুয়েল কান্টের মতে, কর্তব্যমুখী নীতি হলো এমন একটি নৈতিক তত্ত্ব, যেখানে কোনো কাজের নৈতিক মূল্য তার ফলাফলের ওপর নির্ভর করে না, বরং কাজটি সঠিক নৈতিক নিয়ম বা কর্তব্যের ওপর ভিত্তি করে করা হয়েছে কিনা তার ওপর নির্ভর করে। আসলে কান্টের মতে- একটি কাজ তখনই নৈতিকভাবে সঠিক, যখন তা কোনো শর্তহীন নিয়ম মেনে করা হয়। যেখানে এই নীতির মূল ধারণা হলো-  ১) নৈতিকতা সহজাতঃ   মানুষ যুক্তি দিয়ে নৈতিকতা বুঝতে সক্ষম। সঠিক কাজ করার জন্য আমাদের কোনো ধর্মীয় বা সামাজিক নির্দেশের প্রয়োজন নেই; আমাদের নিজস্ব যুক্তিই যথেষ্ট।  ২) কর্তব্যের ওপর জোরঃ একটি কাজ নৈতিকভাবে ভালো তখনই, যখন তা শুধু কর্তব্যবোধ থেকে করা হয়। যদি কোনো কাজ ভালো ফল পাওয়ার আশা, ভয় বা ব্যক্তিগত কোনো স্বার্থের কারণে করা হয়, তবে তা নৈতিকভাবে মূল্যবান নয়। উদাহরণস্বরূপ, একজন দোকানদার যদি শুধু সুনাম ধরে রাখার জন্য সৎ থাকে, তবে তার কাজটি নৈতিকভাবে সঠিক ...

বাংলা মেজর পঞ্চম সেমিস্টার সিলেবাস ২০২৫

  বাংলা সিলেবাস ২০২৫ পঞ্চম সেমিস্টার DS10, DS11 (As per National Education Policy 2020)                              • DS-10• Unit-1  • বাংলা রঙ্গমঞ্চের ইতিহাস ঃ- •লেবেডব ও বেঙ্গলি থিয়েটার •নবীন বসুর শ্যামবাজার থিয়েটার •বেলগাছিয়া নাট্যশালা •জোড়াসাঁকো নাট্যশালা •বাগবাজার অ্যামেচার থিয়েটার •ন্যাশনাল থিয়েটার প্রথম ও দ্বিতীয় পর্ব •নাট্য নিয়ন্ত্রণ বিল •গণনাট্য ও নবনাট্য আন্দোলন।  Unit-2 • মধুসূদন দত্তঃকৃষ্ণকুমারী নাটক। Unit-3  • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরঃ রাজা নাটক Unit-4 • বিজন ভট্টাচার্যঃ নবান্ন নাটক  *** • পাঠ্যপুস্তকঃ  •নাটকের কথা/নাট্যতত্ত্ব ও নাট্যমঞ্চ- অজিত কুমার ঘোষ। • বাংলা নাট্যমঞ্চের রূপরেখা-দুর্গাশঙ্কর মুখোপাধ্যায়। • বাংলা থিয়েটারের ইতিহাস/গণনাট্য আন্দোলন- দর্শন  চৌধুরী। --------------------..............----------------------.................----                               •DS-11 • Unit-...

বৌদ্ধ দর্শন মতে 'নির্বাণ লাভের উপায়' আলোচনা করো।

• বৌদ্ধ দর্শন মতে 'নির্বাণ লাভের উপায়' আলোচনা করো (পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়, চতুর্থ সেমিস্টার, দর্শন মাইনর)।          নির্বাণঃ  বৌদ্ধ দর্শন মতে নির্বাণ হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে জীবনের সমস্ত দুঃখ, যন্ত্রণা এবং ক্লেশ (লোভ, ঘৃণা ও অজ্ঞতা) সম্পূর্ণরূপে বিলুপ্ত বা দূর হয়।আসলে এটি কোনো স্বর্গ বা বিশেষ কোনো স্থান নয়।বরং বলা যেতে পারে যে, এটি একটি মানুষের মানসিক ও আধ্যাত্মিক অবস্থা। নির্বাণ মূলত জীবনের দুঃখময় চক্র-জন্ম, জরা, ব্যাধি ও মৃত্যু থেকে মুক্তি লাভ করা।আর সেখানে বৌদ্ধ দর্শন মতে -            নির্বাণ লাভের উপায় হলো অষ্টাঙ্গিক মার্গ বা আটটি পথ অনুসরণ করা। আসলে এটি বৌদ্ধ ধর্মের মূল ভিত্তি এবং নির্বাণ লাভের একমাত্র উপায় হিসেবে বিবেচিত হয়।এই পথটি দুঃখ নিরোধের পথ, যা জীবনের দুঃখ থেকে মুক্তি এবং পরম শান্তি অর্জনের দিকে পরিচালিত করে।আর সেখানে অষ্টাঙ্গিক মার্গকে তিনটি প্রধান ভাগে ভাগ করা হয়। সেই ভাগ গুলি হল-          ১)প্রজ্ঞাঃ প্রজ্ঞা হলো সঠিক জ্ঞান এবং দৃষ্টিভঙ্গি।যার মাধ্যমে ব্যক্তি ...

বৌদ্ধ দর্শনে প্রবর্তিত পঞ্চশীল নীতি ব্যাখ্যা ও বিচার করো

বৌদ্ধ দর্শনে প্রবর্তিত পঞ্চশীল নীতি ব্যাখ্যা ও বিচার করো (পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় চতুর্থ সেমিস্টার দর্শন মাইনর)।            আলোচনার শুরুতেই আমরা বলে রাখি যে,বৌদ্ধ দর্শনে পঞ্চশীল নীতি হলো পাঁচটি নৈতিক অনুশাসন, যা বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই নীতিগুলো কোনো বাধ্যতামূলক নিয়ম নয়, বরং এমন কিছু আচরণ যা পালন করলে মানুষের নৈতিক উন্নতি হয়, মন শান্ত হয় এবং সমাজের মঙ্গল সাধিত হয়। এই নীতিগুলো হলো-          ১)প্রাণী হত্যা থেকে বিরত থাকাঃ  এই নীতিতে কোনো জীবকে হত্যা করা, আঘাত করা বা কষ্ট দেওয়া থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে। এর মূল উদ্দেশ্য হলো সকল জীবের প্রতি দয়া ও করুণা প্রদর্শন করা। এটি শুধু মানুষ নয়, বরং সকল প্রাণী, এমনকি পোকামাকড়কেও অন্তর্ভুক্ত করে। এই নীতির মাধ্যমে অহিংসা পরম ধর্ম এই ভাবনাটি প্রতিষ্ঠিত হয়।        ২)চুরি করা থেকে বিরত থাকাঃ  এই নীতিতে বলা হয়েছে যে, কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের জিনিস তার অনুমতি ছাড়া নেওয়া যাবে না। এটি শুধু সরাসরি চুরি নয়, বরং প্রতারণা...

বাংলা সিলেবাস (DS8,DS9,) পঞ্চম সেমিস্টার।

  বাংলা সিলেবাস পঞ্চম সেমিস্টার মেজর ২০২৫                   DS8,DS9,DS10,DS11 DS-8, CODE:BNGFSC508T Unit-1 • কৃত্তিবাস ওঝা অনুদিত রামায়ণ (অরণ্যকাণ্ড এবং লংকাকান্ড) Unit-2 • বিপ্রদাস পিপিলাই মনসামঙ্গল (প্রথম পালা থেকে পঞ্চম পালা পর্যন্ত) Unit-3 •দৌলত কাজি- লোর চন্দ্রানী ও সতীময়না। Unit-4 • রায়গুণাকর ভারতচন্দ্র-অন্নদামঙ্গল (প্রথম খন্ড- অন্নদামঙ্গল) *** এখানে প্রতিটি একক থেকে একটি করে দশ নম্বরের উত্তর দিতে হবে এবং প্রতিটি এককে ২টি করে প্রশ্ন থাকবে। এছাড়াও প্রতিটি একক থেকে মোট চারটি প্রশ্ন থাকবে দুটি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে যার মান ৫×২=১০ DS-9 CODE:BNGDS 509T Unit-1 • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়-কমলাকান্তের দপ্তর                                  (নির্বাচিত প্রবন্ধ- •একা কি গায় ওই, •মনুষ্য ফল, •পতঙ্গ, •আমার মন, •বসন্তের কোকিল, •স্ত্রীলোকের রূপ, •আমার দুর্গোৎসব, •বিড়াল, •কমলাকান্তের জবানবন্দী)। Unit-2 •রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর-শিক্ষা        ...

সিঁড়ি ভেঙে ভেঙে উপন্যাসটিতে তুলে ধরা হয়েছে মানুষের কামনা, বাসনা, অহংকার এবং পাশবিকতার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় -আলোচনা করো ।

সিঁড়ি ভেঙে ভেঙে উপন্যাসটিতে তুলে ধরা হয়েছে মানুষের কামনা, বাসনা, অহংকার এবং পাশবিকতার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় -আলোচনা করো (পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় চতুর্থ সেমিস্টার বাংলা মাইনর)।           আলোচনার শুরুতেই আমরা বলে রাখি যে,শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়ের উপন্যাস ' সিঁড়ি ভেঙে ভেঙে' মানুষের কামনা, বাসনা, অহংকার এবং পাশবিকতার এক অসাধারণ দলিল। আর এই উপন্যাসে তিনি সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের মনস্তত্ত্বকে অত্যন্ত সূক্ষ্মভাবে বিশ্লেষণ করেছেন। আর সেই বিষয়টি নিয়েই গোটা উপন্যাসটি পরিসমাপ্তির দিকে এগিয়ে গেছে।সেখানে আমরা উপন্যাসটিতে দেখি-        •কামনা ও বাসনাঃ উপন্যাসের প্রধান চরিত্রদের মধ্যে কামনা ও বাসনার জটিল রূপ ফুটে উঠেছে। শামস-এর জীবনে অর্থ ও ক্ষমতার লোভ তাকে একের পর এক অনৈতিক কাজের দিকে ঠেলে দেয়। অন্যদিকে, সাবিত্রী-এর মতো চরিত্রদের জীবনেও প্রেম ও সম্পর্কের বাসনা এক ভিন্ন মাত্রার দ্বন্দ্ব তৈরি করে। উপন্যাসের প্রতিটি চরিত্রই তাদের ব্যক্তিগত কামনা পূরণের জন্য বিভিন্ন ধরনের সামাজিক ও নৈতিক বাধা অতিক্রম করতে চায়, যা তাদের জীবনের ট্র্যা...

মঙ্গল গ্রহের ঘনাদা উপন্যাসে মঙ্গল গ্রহে যে বর্ণনা ফুটে উঠেছে তা আলোচনা করো।

মঙ্গল গ্রহে ঘনাদা উপন্যাসে মঙ্গল গ্রহের যে বর্ণনা ফুটে উঠেছে তা আলোচনা করো (পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়, চতুর্থ সেমিস্টার, বাংলা মাইনর)।             আলোচনার শুরুতেই আমরা বলে রাখি যে,প্রেমেন্দ্র মিত্রের 'ঘনাদা' সিরিজের অন্যতম বিখ্যাত গল্প ' মঙ্গলগ্রহে ঘনাদা'। আর এই গল্পে ঘনাদা তার স্বভাবসুলভ ভঙ্গিতে মঙ্গল গ্রহের এক অসাধারণ, বৈজ্ঞানিক ও কল্পনার মিশেলে এক অদ্ভুত বর্ণনা দিয়েছেন। সেখানে এই বর্ণনা কেবল গল্পের উত্তেজনা বাড়াতে সাহায্য করে না, বরং বলা যেতে পারে যে,তৎকালীন সময়ের বৈজ্ঞানিক ধারণাকেও সাধারণ পাঠকের কাছে সহজ করে তুলে ধরে। আর সেই বন্যায় আমরা দেখি-       • উপগ্রহ ফোবোস এবং ডিমোসঃ  ঘনাদা মঙ্গলের দুই উপগ্রহ ফোবোস ও ডিমোস সম্পর্কে বিশদ বর্ণনা দেন। তিনি বলেন যে, ফোবোস অত্যন্ত দ্রুত গতিতে মঙ্গলকে প্রদক্ষিণ করে, যা অনেকটা একটি মহাকাশযানের মতোই। অন্যদিকে, ডিমোসের প্রদক্ষিণ গতি তুলনামূলকভাবে ধীর, যা দেখে মনে হয় এটি যেন বিপরীত দিকে ঘুরছে। এই তথ্যগুলো তৎকালীন সময়ে প্রচলিত জ্যোতির্বিজ্ঞানের ধারণার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল এবং গল্পে ব...

প্রতিহিংসায় জর্জরিত হয়ে মানুষ কতটা হিংস্র ও ভয়ঙ্কর হয়ে উঠেছে শজারুর কাঁটা উপন্যাসের কাহিনী অনুসরণে তা আলোচনা করো।

প্রতিহিংসায় জর্জরিত হয়ে মানুষ কতটা হিংস্র ও ভয়ংকর হয়ে উঠেছে 'শজারুর কাঁটা' উপন্যাসের কাহিনী অনুসরণে তা আলোচনা করো (পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়, চতুর্থ সেমিস্টার, বাংলা মাইনর)          •আলোচনার শুরুতেই আমরা বলে রাখি যে,শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিখ্যাত গোয়েন্দা উপন্যাস ‘ শজারুর কাঁটা’। আর এই উপন্যাসটি কেবল একটি রহস্য-রোমাঞ্চ গল্প নয়, এটি প্রতিশোধের বিষে জর্জরিত মানব চরিত্রের এক ভয়াবহ রূপও তুলে ধরেছে। যেখানে উপন্যাসের মূল চরিত্র, বিখ্যাত গোয়েন্দা ব্যোমকেশ বক্সী। যিনি একটি আপাতদৃষ্টিতে সাধারণ খুনের মামলার তদন্ত করতে গিয়ে এমন এক ভয়ংকর সত্যের মুখোমুখি হন যে,যেখানে মানুষ তার স্বাভাবিক সত্তা হারিয়ে শজারুর মতো হিংস্র ও বিপজ্জনক হয়ে ওঠে।আর সেখানে আমরা দেখি-             উপন্যাসের মূল রহস্যটি দুটি ভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে দেখা যায়- যার একটি হল খুন এবং অপরটি হল প্রতিশোধ।  তবে ঘটনাচক্রে দেখা যায় যে,আপাত নিরীহ ও সাধারণ মানুষ, যাদের জীবন সাধারণ বলে মনে হয়, তারাও গভীর বিদ্বেষ ও প্রতিহিংসার আগুনে পুড়ে কতটা ভয়ঙ্কর হয়...

এমন দিন কি হবে তারা-পদকর্তা,কোন পর্যায়ের পদ উল্লেখ করে পদটির তাৎপর্য বিশ্লেষণ করো।

" এমন দিন কি হবে তারা।তবে তারা তারা তারা বলে তারা বেয়ে পড়বে ধারা।।"- পদকর্তা কে ?কোন পর্যায়ে পদ? পদটির তাৎপর্য বিশ্লেষণ করো। পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়, দ্বিতীয় সেমিস্টার, বাংলা মেজর)। উত্তরঃ সংবাদ প্রভাকর পত্রিকায় কবি সাংবাদিক ঈশ্বর গুপ্ত যাঁকে চিহ্নিত করেছেন 'সকল রসের রসিক, প্রেমিক, ভাবুক, ভক্ত এবং জ্ঞানীরূপে, সেই সাধক-কবি রামপ্রসাদ সেন হলেন আলোচ্য পদের রচয়িতা।              শাক্তপদ সাহিত্যে আগমনী,বিজয়া ও ভক্তের আকুতি- এই তিনটি স্বতন্ত্র পর্যায় রয়েছে। আর আলোচ্য পথটি ' ভক্তের আকুতি ' পর্যায়ের অন্তর্ভুক্ত। আসলে             জ্যোতির্ময়ী তারা রামপ্রসাদের কাছে একমাত্র পূর্ণব্রহ্ম। তিমির বিনাশিনী তারা মায়ের অবস্থান ' সর্বঘটে'। তাঁর পদে আছে গয়া-গঙ্গা-কাশী। তাই তারা মায়ের নামোচ্চারণে মনের অন্ধকার দূর হয়ে যায়। শুধু তাই নয়, সমস্ত ভেদাভেদ, চিন্তার জট, কামনা-বাসনার লতাপাতা থেকে মুক্ত হয় মন। তাই কবি রামপ্রসাদ সেন বলেন-          তারা নামের স্মরণে দুটি চোখ যখন অশ্রু প্লাবিত হয়, ত...

শাক্ত পদকর্তা হিসেবে কমলাকান্ত ভট্টাচার্যের কবি কৃতিত্ব আলোচনা করো।

শাক্ত পদকর্তা হিসেবে কমলাকান্ত ভট্টাচার্যের কবি কৃতিত্ব আলোচনা করো (পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়, দ্বিতীয় সেমিস্টার,বাংলা মেজর)।              আলোচনার শুরুতেই আমরা বলে রাখি যে,ঐতিহ্যগতভাবে বাংলা সাহিত্য এবং শিল্পকলা সমৃদ্ধ হয়েছে বিভিন্ন প্রতিভাধর কবি এবং শিল্পীর মাধ্যমে।আর সেই প্রেক্ষিতে শাক্ত পদকর্তা কমলাকান্ত ভট্টাচার্য (১৭৬২ - ১৮১৮)অষ্টাদশ শতকের এক অন্যতম বিশিষ্ট সাধক কবি, যিনি তাঁর ভক্তি ও কাব্য প্রতিভার জন্য চিরস্মরণীয় হয়ে আছেন।আসলে রামপ্রসাদ সেনের পাশাপাশি তিনি শাক্ত সাহিত্যের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। তাঁর পদগুলো কেবল কাব্যিক সৌন্দর্যেই নয়, আধ্যাত্মিক গভীরতাতেও অনন্য। যেখানে কমলাকান্তের জীবন ও প্রেক্ষাপট হিসেবে দেখি-             কমলাকান্ত ভট্টাচার্য বর্ধমানের মহারাজ তেজচন্দ্রের সভাকবি ও সাধক ছিলেন। রামপ্রসাদের ভাবশিষ্য হলেও, তাঁর কাব্যশৈলী ছিল নিজস্ব মহিমায় উজ্জ্বল। রামপ্রসাদী সুরের সঙ্গে তাঁর পদে মিশেছিল গভীর দার্শনিক চিন্তাভাবনা। তিনি কেবল একজন কবি ছিলেন না, তন্ত্র সাধকও ছিলেন। তাঁর জীবনের প্রধান উদ্দেশ্য ছি...

বাংলা মেজর সাজেশন ২০২৫

      West Bengal State University                  Bengali Major DS-6                 Suggestion -2025                         একক-১• ১ ) ক) ***•অনুপ্রাস অলংকার এর সংজ্ঞা দাও। দৃষ্টান্ত সহকারে অনুপ্রাসের প্রত্যেকটি শ্রেণীর ব্যাখ্যা করো। √*** • যমক অলংকার কাকে বলে? উদাহরণসহ যমক অলঙ্কারের বিভাগগুলি আলোচনা করো। √ *** •উপমা অলংকার কাকে বলে? উদাহরণসহ উপমা অলঙ্কারের বিভিন্ন বিভাগ সম্পর্কে আলোচনা করো। √ ** •রূপক অলংকার কাকে বলে? এই অলংকার কয় প্রকার? যেকোনো তিনটি রূপক অলংকার উদাহরণ সহ আলোচনা করো।                            • অথবা• খ) • উদাহরণসহ বুঝিয়ে দাও। যেকোনো দুটি ৫×২=১০ √ •নিরঙ্গ রূপক, •শ্লেষ, •দৃষ্টান্ত, •অর্থান্তরন্যাস, •বক্রোক্তি,•ছেকানুপ্রাস, •প্রতীয়মানোৎপ্রেক্ষা,•স্মরণোপমা, •ব্যাজস্তুতি, •অতিশয়োক্তি অলংকার।             ...

বিভিন্ন সালের বাংলা মেজর প্রশ্ন

চতুর্থ সেমিস্টার।            • একক-১• ১) ক) ***অনুপ্রাস অলংকার এর সংজ্ঞা দাও।দৃষ্টান্ত উল্লেখপূর্বক অনুপ্রাসের প্রত্যেকটি শ্রেণীর ব্যাখ্যা করো।১৯ √ • যমক অলংকার কাকে বলে? উদাহরণসহ যমক অলংকারের বিভাগগুলি আলোচনা করো।২০ √ •উপমা অলংকার কাকে বলে? উদাহরণসহ উপমা অলংকারের বিভিন্ন বিভাগ সম্পর্কে আলোচনা করো।২১ √ •রূপক অলংকার কাকে বলে?এই অলংকার কয় প্রকার? যেকোনো তিনটি রূপক অলংকার উদাহরণসহ আলোচনা করো।২২                                 •অথবা•  •উদাহরণসহ বুঝিয়ে দাও- √ উদাহরণসহ প্রতিবস্তূপমা  ও দৃষ্টান্ত অলংকারের আলোচনা করো।১৯ √  নিরঙ্গ রূপক, শ্লেষ, দৃষ্টান্ত, অর্থান্তরন্যাস।২০ • অপহ্নতি ও  প্রতীপ অলংকারের মধ্যে পার্থক্য কোথায়? উদাহরণসহ লেখো।২০ ✓• উদাহরণসহ বুঝিয়ে দাও- ছেকানুপ্রাস,স্মরণোপমা,ব্যাজস্তুতি,ভ্রান্তিমান।২২ √ • শ্লেষ- বক্রোক্তি,প্রতীয়মানোৎপ্রেক্ষা, অতিশয়োক্তি, বিষম।২১                           ...

শাক্ত পদকর্তা হিসেবে রামপ্রসাদ সেনের কবি কৃতিত্ব আলোচনা করো।

শাক্ত পদকর্তা হিসেবে রামপ্রসাদ সেনের কবি কৃতিত্ব আলোচনা করো (পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়, দ্বিতীয় সেমিস্টার, বাংলা মেজর)।               আলোচনার শুরুতেই আমরা বলে রাখি যে,অষ্টাদশ শতকের অন্যতম শ্রেষ্ঠ শক্তিশালী শাক্ত পদকর্তা রামপ্রসাদ সেন।তবে তিনি শুধু একজন কবি ছিলেন না, ছিলেন এক মহান সাধক।তাই তাঁর রচিত শ্যামা সংগীতগুলি একদিকে যেমন কাব্যগুণে সমৃদ্ধ, অন্যদিকে তেমনি গভীর অধ্যাত্মভাব ও ভক্তিতে পরিপূর্ণ।আসলে তাঁর কবি-প্রতিভা মূলত তিনটি প্রধান দিকে বিকশিত হয়েছিল। সেই তিনটি বিকশিত দিক হলো- ১)ভাবের গভীরতা ও মানবিক আবেদন ।                             ২)ভাষার সরলতা এবং সাবলীলতা।                                    ৩) নিজস্ব কাব্যশৈলীর সৃষ্টি ও সঙ্গীতের মিশ্রণ।   ১ ) ভাবের গভীরতা ও মানবিক আবেদনঃ  রামপ্রসাদের পদগুলি কেবল দেবী কালীর স্তুতি নয়।এ এক ভক্তের সঙ্গে তার আরাধ্যা দেবীর এক বিচিত্র সম...

আবার আসিব ফিরে কবিতায় কবির ফিরে আসার আকাঙ্ক্ষা কিভাবে কাব্যরূপ লাভ করেছে তা আলোচনা করো।

আবার আসিব ফিরে কবিতায় কবির ফিরে আসার আকাঙ্ক্ষা যেভাবে কাব্যরূপ লাভ করেছে-আলোচনা করো (পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় চতুর্থ সেমিস্টার বাংলা মেজর)। আলোচনার শুরুতেই আমরা বলে রাখি যে,জীবনানন্দ দাশের 'আবার আসিব ফিরে' কবিতাটি মূলত কবির এক গভীর প্রত্যাবর্তনের আকুতি, যা বিভিন্ন প্রাকৃতিক উপাদানের মধ্য দিয়ে কাব্যরূপ লাভ করেছে। এখানে কবি শুধু মানুষ হিসেবে ফিরে আসার কথা বলেননি, বরং বাংলার প্রকৃতির সঙ্গে একাত্ম হয়ে বিভিন্ন রূপে ফিরে আসার আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করেছেন।আর সেই প্রকাশে আমরা দেখতে পাই- প্রাকৃতিক রূপে একাত্মতাঃ কবিতার মূল বিষয় হলো প্রকৃতির বিভিন্ন উপাদানের মধ্য দিয়ে ফিরে আসা। কবি ঘোষণা করেন যে তিনি ধানসিঁড়ি নদীর তীরে ফিরে আসবেন, হতে পারেন শঙ্খচিল বা শালিখ। এই রূপকে তিনি বেছে নিয়েছেন কারণ এই পাখিগুলো বাংলার প্রকৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ। তিনি হয়তো ভোরের কাক হয়ে কাঁঠালপাতার গন্ধ অনুভব করবেন, বা হয়তো হাঁস হয়ে সারাদিন জলের গন্ধমাখা দেশে ভেসে বেড়াবেন। এই রূপান্তরের মধ্য দিয়ে কবি বোঝাতে চেয়েছেন যে তার আত্মা বাংলার প্রকৃতিতে মিশে আছে এবং তার ফিরে আসা কোনো মানুষের মতো নয়, বরং প...

ট্রাজেডি নাটক কাকে বলে? ট্রাজেডি নাটকের বৈশিষ্ট্য লেখো।একটি সার্থক ট্রাজেডি নাটক আলোচনা করো

ট্রাজেডি নাটক কাকে বলে? ট্রাজেডি নাটকের বৈশিষ্ট্য লেখো।একটি সার্থক ট্রাজেডি নাটক আলোচনা করো (পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় চতুর্থ সেমিস্টার বাংলা মেজর)।              আলোচনার শুরুতেই আমরা বলে রাখি যে,ট্র্যাজেডি শব্দটি এসেছে গ্রিক শব্দ 'ট্র্যাগোস' (ছাগল) এবং 'ওইডে' (গান) থেকে। আর সেখানে আমরা দেখি- প্রাচীন গ্রিসে ধর্মীয় উৎসবে ছাগল বলি দিয়ে গান গাওয়া হতো, যা থেকে এই নাটকের উদ্ভব। বিখ্যাত গ্রিক দার্শনিক  অ্যারিস্টটল  তাঁর 'পোয়েটিকস' গ্রন্থে ট্র্যাজেডির একটি আদর্শ সংজ্ঞা দিয়েছেন। তাঁর মতে-                                                                    " ট্র্যাজেডি হলো এমন এক ধরনের অনুকরণ (Mimesis), যা দর্শকদের মনে করুণা (Pity) এবং ভয় (Fear) সৃষ্টি করে এবং এর মাধ্যমে তাদের মানসিক শুদ্ধি (Catharsis) ঘটায় ।"আর এই প্রেক্ষিতে আমরা ট্রাজেডির বৈশিষ্ট্য হিসেবে দেখতে পাই- ...

পত্র সাহিত্য ও ডায়েরির মধ্যে পার্থক্য লেখো।

পত্র সাহিত্য ও ডায়েরির মধ্যে পার্থক্য লেখো (পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় চতুর্থ সেমিস্টার বাংলা মেজর)।     আলোচনার শুরুতেই আমরা বলে রাখি যে ,পত্র সাহিত্য ও ডায়েরি এ দুটি বিষয় একে অপরের থেকে বেশ আলাদা। যদিও উভয়ের সঙ্গেই আছে ব্যক্তিগত অনুভূতির যোগ। আর এই দৃষ্টিভঙ্গিকে সামনে রেখে আমরা পত্র সাহিত‌্য ও ডায়েরির মধ্যে পার্থক্য করতে পারি-                    • উদ্দেশ্যগত ভাবে-         ১) পত্র সাহিত্যঃ একমাত্র সাহিত্যের মূল  উদ্দেশ্য হলো একজন নির্দিষ্ট প্রাপকের কাছে নিজের মনের ভাব, চিন্তা বা খবর পৌঁছে দেওয়া।তবে এটি একমুখী হলেও, লেখার সময় লেখকের মনে একজন পাঠক থাকেন এবং সেই পাঠকের প্রতি তার একটি বিশেষ সম্পর্ক বা সম্বোধন থাকে। অর্থাৎ, পত্র সাহিত্য প্রধানত যোগাযোগ এবং ভাব বিনিময়ের উদ্দেশ্যে লেখা হয়। যেমন, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা ‘ছিন্নপত্রাবলী’ বা স্বামী বিবেকানন্দের ‘পত্রাবলী’। অন্যদিকে-         •ডায়েরিঃ এটি লেখা হয় সম্পূর্ণ নিজের জন্য। এর কোনো নির্দিষ্ট পাঠক থাকে না। এখানে লেখক তার দ...

ভারত ও আমেরিকার মধ্যে যে সমস্ত পারমাণবিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল স সম্পর্কে আলোচনা করো (পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় চতুর্থ সেমিস্টার

ভারত ও আমেরিকার মধ্যে যে সমস্ত পারমাণবিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল স সম্পর্কে আলোচনা করো (পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় চতুর্থ সেমিস্টার রাষ্ট্রবিজ্ঞান,মাইনর)।                আলোচনার শুরুতেই আমরা বলে রাখি যে,ভারত ও আমেরিকার মধ্যে যে পারমাণবিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল, তা সাধারণত ইন্দো-মার্কিন অসামরিক পারমাণবিক চুক্তি   নামে পরিচিত। আর এই চুক্তিটি ভারতের পারমাণবিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হয়। যেটি ২০০৫ সালে শুরু হয়ে ২০০৮ সালে চূড়ান্ত রূপ নেয়। এই চুক্তির মূল উদ্দেশ্য ছিল ভারতের অসামরিক পারমাণবিক কর্মসূচিতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করা। আর সেই চুক্তির প্রেক্ষাপট হলো -            ১৯৭৪ সালে ভারত প্রথম পারমাণবিক পরীক্ষা (পোখরান-১) করার পর, পারমাণবিক সরবরাহকারী দেশগুলো ভারতের উপর পারমাণবিক প্রযুক্তি ও জ্বালানি বিক্রির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। ভারত পারমাণবিক অপ্রসারণ চুক্তি (Nuclear Non-Proliferation Treaty - NPT) স্বাক্ষর না করায় এই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল। এই পরিস্থিতিতে ভারতের অস...

এডুকেশন সাজেশন ২০২৫ চতুর্থ সেমিস্টার।

        West Bengal State University                                           Education Suggestion                                                   4th. Semester 2025 1 ) a) *** মূল্যায়নের ধারণা ব্যাখ্যা করো। মূল্যায়নের সাথে পরিমাপের তুলনা করো। • *** মূল্যায়নের সংজ্ঞা দাও। মূল্যায়নের নীতিগুলি উল্লেখ করো। শিক্ষায় মূল্যায়নের গুরুত্ব আলোচনা করো। b) *** মূল্যায়নের কৌশল ও উপকরণ বলতে কী বোঝো? সর্বাত্মক পরিচয়পত্রের (CRC) বৈশিষ্ট্য গুলি লেখো। সর্বাত্মক পরিচয় পত্রের সুবিধা ও অসুবিধা গুলি লেখো। • ***পরিমাপের বিভিন্ন স্কেলগুলি কি কি? প্রশ্নগুচ্ছের সুবিধা ও অসুবিধা গুলি উল্লেখ করো।  c)***  শিক্ষামূলক অভিক্ষা বলতে কি বোঝো? সুঅভীক্ষার বৈশিষ্ট্য গুলি লেখো। শিক্ষামূলক ও মনোবিজ্ঞানিক অভিক্ষার পার্থক্য লেখো। •*** শিক্ষায় রাশি ব...

পত্র সাহিত্য কাকে বলে? পত্র সাহিত্যের বৈশিষ্ট্য গুলি উল্লেখ করো। একটি সার্থক পত্র সাহিত্যের পরিচয় দাও।

পত্র সাহিত্য কাকে বলে? পত্র সাহিত্যের বৈশিষ্ট্য গুলি উল্লেখ করো। একটি সার্থক পত্র সাহিত্যের পরিচয় দাও(পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়, চতুর্থ সেমিস্টার, বাংলা মেজর)।             পত্র সাহিত্যঃ আলোচনার শুরুতেই আমরা বলে রাখি যে,পত্রসাহিত্য বলতে সেই ধরনের সাহিত্যকে বোঝায়, যা চিঠিপত্র বা পত্রের আকারে লেখা হয়।তবে এই ধরনের সাহিত্য ব্যক্তিগত চিঠি, ডায়েরি, স্মৃতিকথা, বা অন্য কোনো নথিপত্রের সংকলন হতে পারে।আসলে-                                        •পত্র সাহিত্য লেখকের ব্যক্তিগত অনুভূতি, চিন্তাভাবনা, এবং জীবনের অভিজ্ঞতাকে সরাসরি প্রকাশ করে।এটি শুধুমাত্র তথ্যের আদান-প্রদান নয়। বরং বলা যেতে পারে যে,এটি একটি শিল্পকর্ম, যেখানে লেখক তার নিজস্ব শৈলীতে জীবনের গভীর দিকগুলো ফুটিয়ে তোলেন। আর এই প্রেক্ষিতে আমরা পত্র সাহিত্যের যে বৈশিষ্ট্য গুলি পাই।   তাহলো-  ১ )ব্যক্তিগত আবেগ ও অনুভূতিঃ পত্র সাহিত্যের মূল বৈশিষ্ট্য হলো, এর ব্যক্তিগত স্পর্শ। এখানে লেখক ...

মনস্তাত্ত্বিক সুখবাদ এবং নৈতিক সসুখবাদের মধ্যে পার্থক্য লেখো।

মনস্তাত্ত্বিক সুখবাদ এবং নৈতিক সুখবাদের মধ্যে পার্থক্য লেখ (পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়, চতুর্থ সেমিস্টার, দর্শন, মাইনর)।  আলোচনা শুরুতেই আমরা বলে রাখি যে, মনস্তাত্ত্বিক সুখবাদ অনুযায়ী প্রতিটি মানুষই নিজের জন্য সুখ খোঁজে। আসলে মানুষের মূল লক্ষ্যই হলো নিজের শোক প্রাপ্তি তাই প্রতিটি কাজের পিছনেই সুখ থাকে। তবে যে কাজ সুখের পরিবর্তে দুঃখ আনে,সেই কাজ মানুষ কামনা করে না। মানুষের কি করা উচিত সে কথা এই মতবাদ বলে না। তবে মানুষ কি করতে চায় এই কথাই এই মতবাদ বলে। তাই মনস্তাত্ত্বিক সুখবাদের সমর্থক বেন্থাম বলেন-" প্রকৃতি মানুষকে সুখ ও দুঃখের অধীনে রেখেছে মানুষের উচিত সুখ খোঁজা এবং দুঃখকে পরিহার করে এড়িয়ে চলা।" আবার অন্যদিকে -     নৈতিক সুববাদ  অনুসারে প্রতিটি মানুষের উচিত তার নিজের জন্য সর্বাধিক সুখ কামনা করা। সুখই হবে তার যাবতীয় কর্মের মূল উৎস। তীব্রতা ও স্থায়িত্বের ভিত্তিতেই সুখের পরিমাপ নির্ধারিত হয়। মানুষ স্বভাবতই স্বার্থপর।সুখই মানুষের স্বার্থকে সংরক্ষণ করে। তাই মানুষের উচিত অন্যের সুখের কথা চিন্তা না করে নিজের সুখের কথা চিন্তা করা। আর এই দুটি মতামতের উপর ভি...

সুখবাদের হেঁয়ালি র উপর একটি তথ্যসমৃদ্ধ টীকা লেখো।

সুখবাদের হেঁয়ালি উপর একটি তথ্যসমৃদ্ধ টীকা লেখো (পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় চতুর্থ সেমিস্টার দর্শন মাইনর)।            আলোচনার শুরুতেই আমরা বলে রাখি যে,'সুখবাদের হেঁয়ালি' হলো নীতিবিদ্যার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধারণা, যে ধারণায় সুখবাদ দর্শনের একটি আপাত-বিরোধিতাকে তুলে ধরে।আর সেখানে সুখবাদ হলো এমন একটি মতবাদ যেখানে সুখকে জীবনের পরম লক্ষ্য বা নৈতিক আদর্শ বলে মনে করা হয়। এই মতবাদের মূল কথা হলো, মানুষের সমস্ত কর্মের উদ্দেশ্য হলো সর্বোচ্চ সুখ অর্জন করা এবং দুঃখকে এড়িয়ে চলা। কিন্তু-               সুখবাদের হেঁয়ালি বলে যে, সরাসরি বা একনিষ্ঠভাবে সুখের পেছনে ছুটলে প্রায়শই সুখ অধরা থেকে যায় বা উল্টো দুঃখের কারণ হয়। অর্থাৎ, এখানে বলা হয় যে,যখন আমরা শুধুমাত্র সুখ অর্জনের উপর অতিরিক্ত মনোযোগ দেই, তখন আমরা আসলে সুখ থেকে দূরে সরে যেতে পারি।আর এই প্রেক্ষিতে-             সুখবাদের হেঁয়ালির ব্যাখ্যা           • সুখ অন্বেষণের ব্যর্থতাঃ  সুখবাদীরা মনে করেন যে, মানুষ সহজাত...

কান্ট নৈতিক বিষয়কে(4t.Sem,Philosophy.) নিঃস্বার্থ আদেশ বলেছেন কেন তা আলোচনা করো।

কান্ট নৈতিক বিষয়কে নিঃস্বার্থ আদেশ বলেছেন কেন তা আলোচনা করো (পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় চতুর্থ সেমিস্টার দর্শন মাইনর)।           আমরা পাশ্চাত্য দর্শন হতে জানি যে,জার্মান দার্শনিক ইমানুয়েল কান্ট নৈতিক বিষয়কে ' নিঃস্বার্থ আদেশ'  হিসেবে বর্ণনা করেছেন। আসলে এর মূল কারণ হলো-কান্টের মতে নৈতিকতার ভিত্তি কোনো বাহ্যিক ফলাফল, আকাঙ্ক্ষা বা শর্তের ওপর নির্ভর করে না। বরং বলা যেতে পারে যে,এটি যুক্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত।আর সেখানে-           •নিঃস্বার্থ আদেশের মূল ভিত্তি হিসেবে কান্ট তাঁর নীতিবিদ্যায় দুই ধরনের আদেশের কথা বলেছেন। আর সেই আদেশ দুটি হলো-          ১) শর্তাধীন আদেশঃ  কান্টের মতে শর্তাধীন আদেশ কোনো নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য পূরণের জন্য দেওয়া হয়। উদাহরণ হিসাবে বলা যেতে পারে যে-                                                                ...

ভারতের কেন্দ্র-রাজ্য আর্থিক সম্পর্ক আলোচনা করো।

ভারতের কেন্দ্র-রাজ্য আর্থিক সম্পর্ক আলোচনা করো (পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় দ্বিতীয় সেমিস্টার রাষ্ট্রবিজ্ঞান মাইনর)।             আলোচনার শুরুতেই আমরা বলে রাখি যে,ভারতের কেন্দ্র-রাজ্য আর্থিক সম্পর্ক একটি জটিল ও গতিশীল ব্যবস্থা।আর এই ব্যবস্থাটি সংবিধানের বিভিন্ন অনুচ্ছেদ এবং কিছু স্বাধীন সাংবিধানিক সংস্থার মাধ্যমে পরিচালিত হয়। আসলে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে এই সম্পর্ক আলোচনার প্রধান দিকগুলো হলো- রাজস্ব বন্টন, ঋণের বিধান এবং আর্থিক জরুরি অবস্থা। যেখানে -        ••রাজস্ব বন্টনঃ আমরা জানি যে, রাজস্ব বন্টনের ক্ষেত্রে কেন্দ্র ও রাজ্যের মধ্যে আয়ের উৎস সুনির্দিষ্টভাবে ভাগ করা হয়েছে। শুধু তাই নয়,সংবিধানের সপ্তম তফসিলের তিনটি তালিকা (কেন্দ্রীয় তালিকা, রাজ্য তালিকা, ও যুগ্ম তালিকা) অনুযায়ী এই ব্যবস্থা পরিচালিত হয়।আর সেই তালিকা অনুযায়ী-        •কেন্দ্রীয় তালিকাঃ ভারতীয় সংবিধানের কেন্দ্রীয় তালিকায় উল্লেখিত বিষয়গুলো থেকে কর আদায়ের ক্ষমতা শুধুমাত্র কেন্দ্রের হাতে থাকে। যেমন: আয়কর (কৃষি আয় ব্যতীত), কর্পোরেশন কর, কাস্ট...

বাংলা দ্বিতীয় সেমিস্টার মাইনর সাজেশন ২০২৫

              West Bengal State University.                                  2nd Semester Bengali Minor.                                           Suggestion 2025                                একক-১  ***  মধ্য ভারতীয় আর্য ভাষার কালগত সীমা নির্দেশ করো। নিদর্শনসহ মধ্য ভারতীয় আর্য ভাষার রূপতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্য লেখো। • *** অন্তমধ্য বাংলা ভাষার ভাষা তাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্য লেখো। *** মধ্যবাংলা ভাষায় কালগত সীমা ও সাহিত্যিক নিদর্শন উল্লেখ করো। এই ভাষার ভাষার ভাষাতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্য গুলি লেখো।২২ •*প্রাচীন বাংলা ভাষার কালগত সীমা ও সাহিত্যিক নিদর্শন উল্লেখ করো। এই ভাষার ভাষাগত ভাষাতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্য গুলি লেখো।২১                     ...

বেগম রোকেয়া র হিমালয় দর্শন প্রবন্ধের মূলভাব বিশ্লেষণ করো।

বেগম রোকেয়া র হিমালয় দর্শন প্রবন্ধের মূলভাব বিশ্লেষণ করো (পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদ, বাংলা-নবম শ্রেণী)।                      আলোচনার শুরুতেই আমরা বলে রাখি যে,বেগম রোকেয়া র ' হিমালয় দর্শন' একটি ভ্রমণ কাহিনীমূলক প্রবন্ধ।যে প্রবন্ধে তিনি হিমালয়ের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, সেখানকার মানুষের জীবনযাত্রা নিয়ে গভীর মুগ্ধতার অনুভূতি তুলে ধরেছেন। আসলে এটি কোনো প্রচলিত খোস গল্প নয়। বরং আমরা বলতে পারি,লেখিকার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা ও উপলব্ধির প্রতিফলনের ফল এই প্রবন্ধ।আর সেই উপলব্ধিতে আমরা দেখি-  প্রকৃতির মুগ্ধতায় লেখিকাঃ  আমারা পূর্বেই বলেছি-লেখিকা বেগম রোকেয়া হিমালয়ের বিশালতা ও সৌন্দর্য দর্শনে অভিভূত হয়েছেন। আর অভিভূত হয়ে তিনি সেখানকার ঝর্ণার জলপ্রপাত, কুয়াশার রহস্যময়তা, মেঘ ও বাতাসের খেলা, এবং সূর্যের অপরূপ আলোর সৌন্দর্যকে নিখুঁতভাবে তুলে ধরেছেন।আসলে তাঁর লেখায় প্রকৃতির প্রতি গভীর ভালোবাসা এবং সৃষ্টিকর্তার প্রতি ভক্তি প্রকাশ পেয়েছে। তাই তিনি বলেন-                      ...

মহাকাব্য কাকে বলে?(4th.Sem) মহাকাব্যের বৈশিষ্ট্যগুলি লেখো। একটি সার্থক মহাকাব্যের আলোচনা করো ।

মহাকাব্য কাকে বলে? মহাকাব্যের বৈশিষ্ট্যগুলি লেখো। একটি সার্থক মহাকাব্যের আলোচনা করো (পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় চতুর্থ সেমিস্টার বাংলা মেজর) মহাকাব্যঃ আমরা জানি যে, মহাকাব্য  হলো এক ধরনের দীর্ঘ আখ্যানমূলক কবিতা, যা সাধারণত কোনো জাতির বা সভ্যতার গৌরবময় অতীত, ঐতিহাসিক বা পৌরাণিক বীরের জীবন, দুঃসাহসিক অভিযান এবং মহান আদর্শকে কেন্দ্র করে রচিত হয়। মহাকাব্য শুধু একটি কাব্য নয়, এটি একটি জাতির আত্মা, ইতিহাস এবং সংস্কৃতির প্রতিচ্ছবি। অর্থাৎ -আর এই প্রেক্ষিতে মহাকাব্যের যে বৈশিষ্ট্য আমার পাই তাহলো- • বিষয়বস্তুর নিরিখেঃ মহাকাব্যের মূল বিষয়বস্তু সাধারণত কোনো জাতি বা সভ্যতার এক গুরুত্বপূর্ণ সময়কে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠে। এতে কোনো মহান বীর বা দেবতার জীবন ও তাঁর দুঃসাহসিক কর্মকাণ্ডের বর্ণনা থাকে। যেমন, রামায়ণে রামের জীবন এবং ইলিয়াডে ট্রয়ের যুদ্ধের বর্ণনা। • ঐশ্বরিক ও অলৌকিকতাঃ  মহাকাব্যে প্রায়শই দেবতা, দেবদূত, এবং অলৌকিক শক্তির উপস্থিতি দেখা যায়। এই শক্তিগুলো মানব চরিত্রের কর্মকাণ্ডকে প্রভাবিত করে বা সরাসরি যুদ্ধে অংশগ্রহণ করে। •মহৎ পটভূমির আলোকেঃ এর পটভূমি অত্যন্ত বিশাল ও...